ঢাকা ০৬:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

দলিল থাকার পরেও চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের জন্য জমির দখল নিতে পারছে না জমির প্রকৃত মালিক

ঠাকুরগাঁও থেকে শাওন আমিন ।

ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলাধীন গড়েয়ায় জমির দলিল থাকার পরেও স্থানীয় চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী সাজ্জাদুর রহমান সোহেল শাহ সহ কিছু চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের দৌরাত্বে জমির দখল নিতে পারছে না জমির ক্রেতা ফখরুল ইসলাম জুয়েল ও সজল চৌধুরী।
জানা গেছে ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলাধীন গড়েয়ার সিএস খতিয়ান নম্বর ৩৫ মালিক আলীমাই বিবি, জং ঝড়ু পন্ডিত ও তার ওয়ারিশগণ ১৯৪৫ সালের ১৫ মার্চ ১২০৬ নম্বর দলিল মূলে মোহাম্মদ হাফিজ উদ্দিন আহাম্মদ পিতা আব্দুল হাকিম সাং – চোঙ্গাখাতা এর কাছে বিক্রী করে ৩ একর ৮৬ শতক যার দাগ নাম্বার ৫৯৫, ডাঙ্গা ০১ একর ৫৫ শতক জমি থেকে ১ একর ০৩ শতক,দাগ নং ৫৯৬ দলা, ০২ একর ১৩ শতক জমি থেকে ০১ একর ৪২ শতক, দাগ নং – ৬০৬ দলা ৮০ শতক থেকে ৫৪ শতক, দাগ নং-৬৪৫ ডাঙ্গা ১ একর ২৯ শতক থেকে ৮৮ শতক জমি ক্রয় করে। হাফিজ উদ্দিন অবিবাহিত অবস্থায় মারা গেলে আইন অনুযায়ী উত্ত জমি তার জন্মদাতা পিতা আব্দুল হাকিমের নামে এস এ খতিয়ানে রেকর্ড ভুক্ত হয়।যার নাম্বার – এস এ – ৩৯।আব্দুল হাকিম জীবিত অবস্থায় গত ১৬ মে ২০০২ সালে সি ডাব্লিউ -৭৮/২০০২ উনার ৫ ছেলের নামে ওছিয়ত করেন।
বর্তমানে তার ৪ পুত্র ও নাতির নামে সম্পত্তির হালসন নাগাদ খাজনা খারিজ রয়েছে।উক্ত ৪ পুত্র ওনাতি গনের কাছ থেকে ৬৪৫ দাগের ৮৭ শতক যার এস আর খতিয়ান নাং- ৪৭৪ মো: মঞ্জুর রহমান গং এর জমি মো: ফখরুল ইসলাম জুয়েল ও সজল চৌধুরী বর্তমান বাজার মুল্যে ক্রয় করে।
এছাড়া আব্দুল হাকিমের ছোট ভাই মো: আজিজুর রহমান ১২০৭ নাম্বার দলিল মুলে ১৫/০৩/১৯৪৫ সালের দাগ খতিয়ান এর ১ একর ৭৯ শতক জমি ক্রয় করে। উক্ত সম্পত্তি থেকে মো: আজিজুর রহমান তার দুই পুত্র কেদান পত্র রেজিষ্ট্রি করে দেয়। ৬৪৫ দাগে ৪২ শতক জমি থেকে আর এস খতিয়ান নং ৫৫৯ মো: নুরুল হুদার কাছ থেকে ২১ শতক জমি সজল চৌধুরী ও অয়ন ইসলামের নামে সাব কবলায় ক্রয় করা হয়।
সিএস ( বৃটিশ) খতিয়ান নং- ২১৭ দাগ নং ৬৪৬ জমির পরিমান ১ একর ২৬ শতক এস এ খতিয়ান নং ২২৭ এর মালিক সুরতান বিবির প্রকৃত অংশিদারদের কাছ থেকে ৫৫ শতক, আর এস খতিয়ান নং ভ২০১ ও ২০২ মো:ওবায়দুর রহমান গং ও মো: জুলফিকার আলী ভুট্টু গং এর কাছ থেকে ক্রয় করা হয়। ৬৪৬ দাগের ১ ওকর ২৬ শতক এর মধ্যে ৫৫ শতক খতিয়ান নং সি এস আর ৩৫ ও ২১৭ কথিত খেলার মাঠ ও বাকি ৭১ শতক বিভিন্ন নামে বসতবাড়ি, দোকান রয়েছে।
এস আর ২০১,২০২,৪৭৪ও ৫৫৫, যে এল নং – ৭৭ মৌজা চোঙ্গাখাতা,জমির পরিমান ৬৪৫ দাগে ১ একর ২৯ শতক থেকে ১ একর ৮ শতক, দাগ নং ৬৪৬ এর ১ একর ২৬ থেকে ৫৩.৮৬ শতক মোট ক্র‍য়কৃত ১৬১.৮৬ শতক জমি এলাকার চাঁদাবাজ মো: সাজ্জাদুল ইসলাম সোহেল শাহ ও তার পালিত সন্ত্রাসীদের জন্য জমির প্রকৃত মালিক ফখরুল ইসলাম জুয়েল ও সজল চৌধুরী দীর্ঘ দিন থেকে দখল নিতে পারছে না।
এ ব্যাপারে ফখরুল ইসলাম জুয়েল ও সজল চৌধুরী স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ কে জানানো সত্যেও প্রকৃত জমির মালিকদ্বয় জমির দখল নিতে পারেনি। উল্টো এলাকার কতিপয় টাউট বাটপাররা প্রতিনিয়ত চাঁদা দাবি করে আসছে। যদিও এই সব জমির ব্যাপারে আদালতে ৪ টি ফৌজদারী মামলা চলমান রয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

পুকুরে ধরা পড়ল রুপালি ইলিশ

দলিল থাকার পরেও চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের জন্য জমির দখল নিতে পারছে না জমির প্রকৃত মালিক

আপডেট : ০২:০৭:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৩

ঠাকুরগাঁও থেকে শাওন আমিন ।

ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলাধীন গড়েয়ায় জমির দলিল থাকার পরেও স্থানীয় চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী সাজ্জাদুর রহমান সোহেল শাহ সহ কিছু চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের দৌরাত্বে জমির দখল নিতে পারছে না জমির ক্রেতা ফখরুল ইসলাম জুয়েল ও সজল চৌধুরী।
জানা গেছে ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলাধীন গড়েয়ার সিএস খতিয়ান নম্বর ৩৫ মালিক আলীমাই বিবি, জং ঝড়ু পন্ডিত ও তার ওয়ারিশগণ ১৯৪৫ সালের ১৫ মার্চ ১২০৬ নম্বর দলিল মূলে মোহাম্মদ হাফিজ উদ্দিন আহাম্মদ পিতা আব্দুল হাকিম সাং – চোঙ্গাখাতা এর কাছে বিক্রী করে ৩ একর ৮৬ শতক যার দাগ নাম্বার ৫৯৫, ডাঙ্গা ০১ একর ৫৫ শতক জমি থেকে ১ একর ০৩ শতক,দাগ নং ৫৯৬ দলা, ০২ একর ১৩ শতক জমি থেকে ০১ একর ৪২ শতক, দাগ নং – ৬০৬ দলা ৮০ শতক থেকে ৫৪ শতক, দাগ নং-৬৪৫ ডাঙ্গা ১ একর ২৯ শতক থেকে ৮৮ শতক জমি ক্রয় করে। হাফিজ উদ্দিন অবিবাহিত অবস্থায় মারা গেলে আইন অনুযায়ী উত্ত জমি তার জন্মদাতা পিতা আব্দুল হাকিমের নামে এস এ খতিয়ানে রেকর্ড ভুক্ত হয়।যার নাম্বার – এস এ – ৩৯।আব্দুল হাকিম জীবিত অবস্থায় গত ১৬ মে ২০০২ সালে সি ডাব্লিউ -৭৮/২০০২ উনার ৫ ছেলের নামে ওছিয়ত করেন।
বর্তমানে তার ৪ পুত্র ও নাতির নামে সম্পত্তির হালসন নাগাদ খাজনা খারিজ রয়েছে।উক্ত ৪ পুত্র ওনাতি গনের কাছ থেকে ৬৪৫ দাগের ৮৭ শতক যার এস আর খতিয়ান নাং- ৪৭৪ মো: মঞ্জুর রহমান গং এর জমি মো: ফখরুল ইসলাম জুয়েল ও সজল চৌধুরী বর্তমান বাজার মুল্যে ক্রয় করে।
এছাড়া আব্দুল হাকিমের ছোট ভাই মো: আজিজুর রহমান ১২০৭ নাম্বার দলিল মুলে ১৫/০৩/১৯৪৫ সালের দাগ খতিয়ান এর ১ একর ৭৯ শতক জমি ক্রয় করে। উক্ত সম্পত্তি থেকে মো: আজিজুর রহমান তার দুই পুত্র কেদান পত্র রেজিষ্ট্রি করে দেয়। ৬৪৫ দাগে ৪২ শতক জমি থেকে আর এস খতিয়ান নং ৫৫৯ মো: নুরুল হুদার কাছ থেকে ২১ শতক জমি সজল চৌধুরী ও অয়ন ইসলামের নামে সাব কবলায় ক্রয় করা হয়।
সিএস ( বৃটিশ) খতিয়ান নং- ২১৭ দাগ নং ৬৪৬ জমির পরিমান ১ একর ২৬ শতক এস এ খতিয়ান নং ২২৭ এর মালিক সুরতান বিবির প্রকৃত অংশিদারদের কাছ থেকে ৫৫ শতক, আর এস খতিয়ান নং ভ২০১ ও ২০২ মো:ওবায়দুর রহমান গং ও মো: জুলফিকার আলী ভুট্টু গং এর কাছ থেকে ক্রয় করা হয়। ৬৪৬ দাগের ১ ওকর ২৬ শতক এর মধ্যে ৫৫ শতক খতিয়ান নং সি এস আর ৩৫ ও ২১৭ কথিত খেলার মাঠ ও বাকি ৭১ শতক বিভিন্ন নামে বসতবাড়ি, দোকান রয়েছে।
এস আর ২০১,২০২,৪৭৪ও ৫৫৫, যে এল নং – ৭৭ মৌজা চোঙ্গাখাতা,জমির পরিমান ৬৪৫ দাগে ১ একর ২৯ শতক থেকে ১ একর ৮ শতক, দাগ নং ৬৪৬ এর ১ একর ২৬ থেকে ৫৩.৮৬ শতক মোট ক্র‍য়কৃত ১৬১.৮৬ শতক জমি এলাকার চাঁদাবাজ মো: সাজ্জাদুল ইসলাম সোহেল শাহ ও তার পালিত সন্ত্রাসীদের জন্য জমির প্রকৃত মালিক ফখরুল ইসলাম জুয়েল ও সজল চৌধুরী দীর্ঘ দিন থেকে দখল নিতে পারছে না।
এ ব্যাপারে ফখরুল ইসলাম জুয়েল ও সজল চৌধুরী স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ কে জানানো সত্যেও প্রকৃত জমির মালিকদ্বয় জমির দখল নিতে পারেনি। উল্টো এলাকার কতিপয় টাউট বাটপাররা প্রতিনিয়ত চাঁদা দাবি করে আসছে। যদিও এই সব জমির ব্যাপারে আদালতে ৪ টি ফৌজদারী মামলা চলমান রয়েছে।