ঢাকা ০৮:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মান্দায় খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন

নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলায় স্থানীয় কৃষি অর্থনীতি ও পানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রায় ১ কোটি ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পটি এলাকার টেকসই কৃষি উৎপাদন ও জলসম্পদ ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক অবদান রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।
আজ দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপু। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আখতার জাহান সাথীসহ প্রশাসনের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, উপজেলার বিল-উথরাইল থেকে বাদলঘাটা ব্রিজ এবং দফাদারের মোড় থেকে বিল-উথরাইল পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার দীর্ঘ দুটি খাল পুনঃখননের আওতায় আনা হয়েছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ইজিপিপি কর্মসূচির আওতায় বাস্তবায়িত এ উদ্যোগটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন ও নির্বাচনী অঙ্গীকারের ধারাবাহিক বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে, প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রাপ্যতা বৃদ্ধি পাবে, সেচ সুবিধা সহজতর হবে এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

মান্দায় খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন

মান্দায় খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন

আপডেট : ০৮:০৯:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলায় স্থানীয় কৃষি অর্থনীতি ও পানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রায় ১ কোটি ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পটি এলাকার টেকসই কৃষি উৎপাদন ও জলসম্পদ ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক অবদান রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।
আজ দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপু। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আখতার জাহান সাথীসহ প্রশাসনের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, উপজেলার বিল-উথরাইল থেকে বাদলঘাটা ব্রিজ এবং দফাদারের মোড় থেকে বিল-উথরাইল পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার দীর্ঘ দুটি খাল পুনঃখননের আওতায় আনা হয়েছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ইজিপিপি কর্মসূচির আওতায় বাস্তবায়িত এ উদ্যোগটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন ও নির্বাচনী অঙ্গীকারের ধারাবাহিক বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে, প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রাপ্যতা বৃদ্ধি পাবে, সেচ সুবিধা সহজতর হবে এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।