
লামিয়া আক্তার,
বদরুন্নেসা প্রতিনিধি:
কেরানীগঞ্জে তিন দিনব্যাপী পিঠা উৎসব ও উদ্যোক্তা মেলার আয়োজন করা হয়েছে।
(২৭, ২৮, এবং ২৯ ডিসেম্বর) প্রথমবারের মতো এই মেলা স্থানীয় চুনকুটিয়া গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে ‘কেরানীগঞ্জ ফুডব্যাংক’ কর্তৃক আয়োজিত হয়েছে।
এ আয়োজনে ঐতিহ্যের স্বাদ আর সৃজনশীলতার মিলবন্ধন ঘটবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন আয়োজকরা।
মেলায় রয়েছে দেশীয় পিঠার বিপুল প্রদর্শনী যেমন চিতই পিঠা, ভাপা পিঠা, পাটিসাপটা, নকশি পিঠা,পোয়া পিঠা,পুলি পিঠা, কাটা পিঠা,হাঁসের মাংস ও চালের রুটি, পুডিং ইত্যাদি।
তেমনি রয়েছে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের হস্তশিল্প, খাদ্যপণ্য,কসমেটিকস, জুয়েলারি,খেলনা, শাড়ি ও থ্রি-পিছ এবং বিভিন্ন পণ্য প্রদর্শনী। নিপুণ কারুকার্যে উদ্দোক্তারা বাঁশ ও বেত দিয়ে স্টলগুলোকে সাজিয়েছেন।
মেলার বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে রয়েছে নাগরদোলা, শিশুদের জন্য বিভিন্ন ধরনের রাইডার,লাইভ কনসার্ট ও বিভিন্ন রকমের শো।
তিনদিন ব্যাপি এ মেলার প্রথম দিনেই প্রচুর দর্শনার্থীদের উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। স্টলগুলোতে প্রচুর বেচাকেনা লক্ষ করা যাচ্ছে।
দর্শনার্থীরা বলছেন,“স্থানীয় উদ্যোক্তাদের এমন প্ল্যাটফর্ম সত্যিই প্রশংসনীয়। এখান থেকে পিঠা ছাড়াও অনেক হস্তশিল্প এবং পণ্য কিনেছি, যা অনন্য।”
এক দর্শনার্থী জানান, “এমন একটি উৎসব অনেক দিন পর উপভোগ করলাম। পিঠার ভিন্ন স্বাদ আর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা সত্যি মনোমুগ্ধকর । পরিবারের সবাইকে নিয়ে আসতে পেরে ভালো লেগেছে।
এছাড়াও মেলায় লক্ষ করা যায় বেশিরভাগই নারী উদ্দোক্তা। যা নারীদের সামাজিক কার্যক্রমে স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণকে তুলে ধরে।
আয়োজক কমিটির একজন সদস্য বলেন, “এটি কেরানীগঞ্জের জন্য একটি নতুন উদ্যোগ। আমাদের লক্ষ্য স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে উদযাপন করা এবং স্থানীয় উদ্যোক্তাদের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা।”
সবার মতে, প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই মেলা কেরানীগঞ্জের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরার পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসার প্রসার ঘটাবে।
















