ঢাকা ০৭:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

হাতিবান্ধায় জমিতে ময়লা ফেলতে বাধা দেওয়ায় বৃদ্ধ মহিলাকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ

ঈশাত জামান মুন্না:

লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ জেলার হাতিবান্ধা উপজেলার নওদাবাস ইউনিয়ন এর ৯ নং ওয়ার্ড এর মৃতঃ তারা মিয়ার স্ত্রী মোছাঃ রুব্বান বেগম কে কৃষি জমিতে ময়লা ফেলতে নিষেধ করায় সংঘবদ্ধভাবে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে যে, পশ্চিম নওদাবাস গ্রামের মৃতঃ তারা মন্ডল এর স্ত্রী মোছাঃ রুব্বান বেগম গত ২৪ তারিখ রবিবার বিকেলে তার বাড়ির পাশের কৃষি জমিতে লাগানো ভুট্টা ক্ষেত দেখতে যান, ভুট্টা ক্ষেতের উত্তর পাশে গিয়ে দেখতে পান নুর ইসলাম এর বসতবাড়ির সমস্থ ময়লা আবর্জনা তার আবাদী ভুট্টা ক্ষেতে ফেলেছে, তিনি ময়লা আবর্জনার যেন আর না ফেলে এই কথা বলতে নুর ইসলাম এর বাড়িতে গিয়ে আর্জি জানায়, তার এক পর্যায় নুর ইসলাম এর স্ত্রী রহিমা বেগম বাগবিতণ্ডা শুরু করেন, বাকবিতন্ডার শুরু করার পর মৃতঃ মকবুল হোসেন এর পুত্র তাইজুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, নুর ইসলাম, মাইদুল ইসলাম তারা মন্ডল এর স্ত্রীকে মাথার চুল ধরে টেনে হেঁচড়ে মাটিতে ফেলে দেয়, তারপর তারা মন্ডল এর স্ত্রী বাঁচার আকুতি জানালে সহিদুল ইসলাম এর স্ত্রী জেলি বেগম, তফিদুল ইসলাম এর স্ত্রী ফেরদৌসী আক্তার লিজা, সাইদুল ইসলাম এর স্ত্রী আসমা বেগম, নুর ইসলাম এর স্ত্রী রহিমা বেগম দলবদ্ধভাবে ভাবে রাশেদা বেগমের হুকুমে লাঠি সোটা নিয়ে এসে আবার বেধড়ক মারধর করে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে, উক্ত গ্রামের মৃতঃ আঃ গফুর এর পুত্র ইব্রাহিম তারা মন্ডল এর স্ত্রীর বুকের উপর চড়িয়া দুই হাত দিয়ে গলা চেপে শ্বাস রোধ করে হত্যার চেষ্টা করিলে তারা মন্ডল এর স্ত্রীর চিৎকারে আশে পাশের লোক এগিয়ে আসলে নুর ইসলাম গং রা পালিয়ে যায়, অতঃপর আশেপাশের লোকজন সঙ্গাহীন অবস্থায় তারা মন্ডল এর স্ত্রী রুব্বানকে উদ্ধার করে তার বাড়ি নিয়ে যান এবং অবস্থার অবনতি দেখে দ্রুত হাতিবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করান, প্রতিবেদন লেখা অবস্থায় তিনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেজি নং ৯৭৯৫, বেড নং ম ১১) চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।
এলাকাবাসী ও প্রতক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে যে মৃতঃ তারা মন্ডল এর পুত্র গনের সাথে নুর ইসলাম গংদের দীর্ঘদিন থেকে জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে, উক্ত বিরোধের জেরে গত কাল বিকেলে তারা মন্ডল এর স্ত্রী রুব্বান বেগমকে একা পেয়ে বেধড়ক মারধর করেছে। তবে মারধরের বিষয়টি মিথ্যা ও সাজানো বলে দাবী করেছেন বিবাদী নুর ইসলাম।
উক্ত মারধরের ঘটনায় মোছাঃ রুব্বান এর পুত্র আঃ রহিম মন্ডল বাদী হয়ে হাতিবান্ধা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
লিখিত অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

পুকুরে ধরা পড়ল রুপালি ইলিশ

হাতিবান্ধায় জমিতে ময়লা ফেলতে বাধা দেওয়ায় বৃদ্ধ মহিলাকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ

আপডেট : ০৯:০৯:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৩

ঈশাত জামান মুন্না:

লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ জেলার হাতিবান্ধা উপজেলার নওদাবাস ইউনিয়ন এর ৯ নং ওয়ার্ড এর মৃতঃ তারা মিয়ার স্ত্রী মোছাঃ রুব্বান বেগম কে কৃষি জমিতে ময়লা ফেলতে নিষেধ করায় সংঘবদ্ধভাবে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে যে, পশ্চিম নওদাবাস গ্রামের মৃতঃ তারা মন্ডল এর স্ত্রী মোছাঃ রুব্বান বেগম গত ২৪ তারিখ রবিবার বিকেলে তার বাড়ির পাশের কৃষি জমিতে লাগানো ভুট্টা ক্ষেত দেখতে যান, ভুট্টা ক্ষেতের উত্তর পাশে গিয়ে দেখতে পান নুর ইসলাম এর বসতবাড়ির সমস্থ ময়লা আবর্জনা তার আবাদী ভুট্টা ক্ষেতে ফেলেছে, তিনি ময়লা আবর্জনার যেন আর না ফেলে এই কথা বলতে নুর ইসলাম এর বাড়িতে গিয়ে আর্জি জানায়, তার এক পর্যায় নুর ইসলাম এর স্ত্রী রহিমা বেগম বাগবিতণ্ডা শুরু করেন, বাকবিতন্ডার শুরু করার পর মৃতঃ মকবুল হোসেন এর পুত্র তাইজুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, নুর ইসলাম, মাইদুল ইসলাম তারা মন্ডল এর স্ত্রীকে মাথার চুল ধরে টেনে হেঁচড়ে মাটিতে ফেলে দেয়, তারপর তারা মন্ডল এর স্ত্রী বাঁচার আকুতি জানালে সহিদুল ইসলাম এর স্ত্রী জেলি বেগম, তফিদুল ইসলাম এর স্ত্রী ফেরদৌসী আক্তার লিজা, সাইদুল ইসলাম এর স্ত্রী আসমা বেগম, নুর ইসলাম এর স্ত্রী রহিমা বেগম দলবদ্ধভাবে ভাবে রাশেদা বেগমের হুকুমে লাঠি সোটা নিয়ে এসে আবার বেধড়ক মারধর করে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে, উক্ত গ্রামের মৃতঃ আঃ গফুর এর পুত্র ইব্রাহিম তারা মন্ডল এর স্ত্রীর বুকের উপর চড়িয়া দুই হাত দিয়ে গলা চেপে শ্বাস রোধ করে হত্যার চেষ্টা করিলে তারা মন্ডল এর স্ত্রীর চিৎকারে আশে পাশের লোক এগিয়ে আসলে নুর ইসলাম গং রা পালিয়ে যায়, অতঃপর আশেপাশের লোকজন সঙ্গাহীন অবস্থায় তারা মন্ডল এর স্ত্রী রুব্বানকে উদ্ধার করে তার বাড়ি নিয়ে যান এবং অবস্থার অবনতি দেখে দ্রুত হাতিবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করান, প্রতিবেদন লেখা অবস্থায় তিনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেজি নং ৯৭৯৫, বেড নং ম ১১) চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।
এলাকাবাসী ও প্রতক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে যে মৃতঃ তারা মন্ডল এর পুত্র গনের সাথে নুর ইসলাম গংদের দীর্ঘদিন থেকে জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে, উক্ত বিরোধের জেরে গত কাল বিকেলে তারা মন্ডল এর স্ত্রী রুব্বান বেগমকে একা পেয়ে বেধড়ক মারধর করেছে। তবে মারধরের বিষয়টি মিথ্যা ও সাজানো বলে দাবী করেছেন বিবাদী নুর ইসলাম।
উক্ত মারধরের ঘটনায় মোছাঃ রুব্বান এর পুত্র আঃ রহিম মন্ডল বাদী হয়ে হাতিবান্ধা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
লিখিত অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।