ঢাকা ০৭:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা

দৈনিক সকালের কক্সবাজার পত্রিকায় ৭ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত ‘চট্টগ্রামে ভিআইপি মোবাইল চোর কক্সবাজারে এসেই হুজুর’ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে নেজাম উদ্দীন। তিনি বলেন, প্রকাশিত সংবাদটি মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও কাল্পনিক। একটি স্বার্থান্বেষী মহলের প্ররোচনায় এ মিথ্যা সংবাদের অবতারণা করা হয়েছে শুধু আমাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার পাশাপাশি আমার ক্ষতি করার জন্য। নেজাম উদ্দিনের স্বাক্ষরিত প্রতিবাদপত্রে প্রতিবেদনটির বেশকিছু অংশকে উদ্ধৃত করে সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে শিরোনামকে উদ্ধৃত করে নেজাম উদ্দিন বলেছে, ‘এতে পাঠকেরা বিভ্রান্ত হতে পারেন।

‘নামি দামি গাড়ি, নিত্য নতুন জামা কাপড় পড়েই কয়েক মাস পর শহরে বিচরণ করেন। রাত যাপনের কোন স্থায়ী ঠিকানা নেই। চন্দ্রিমার মাঠ এলাকায় তিনি একজন ভিআইপি লোক হিসেবে পরিচিত’। সংবাদের এই অংশের ব্যাখ্যায় নেজাম বলেন, একজন মানুষ নিত্য কি রকম পোষাক, নতুন না পুরাতন। কি দামের কাপড় পরবে না পড়বে, আর কতো দামের গাড়ি ব্যবহার করবে। স্থানীয় এলাকায় বা শহরে থাকতে গেলে কোথায় কিভাবে থাকতে হবে, পেশা কি। ঘর বাড়ি কিভাবে সাজাবেন, কতো মূল্যে ঘরে আসবাবপত্র ব্যবহার হবে এ সংক্রান্ত বিষয়ে যদি বাংলাদেশ সংবিধানে আইন করা থাকতো তাহলে রুটিন অনুযায়ী সাংবাদিকদের কাছে জবাবদিহি করে এ দেশে বসবাস করতাম। নতুবা স্বাধীন দেশের একজন স্বাধীন নাগরিক হিসাবে বসবাস করতে গিয়ে এসব অপসংবাদিকতার স্বীকার হচ্ছি। এসব বাড়াবাড়ি ছাড়া আর কিছু নয়।

‘বর্তমানে নেজামের টাকার অভাব নেই, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা আয় করছে নেজাম। এসব টাকা দিয়ে ইনভেস্ট করেছে ইয়াবা কারবারে। তার ইয়াবা কারবার চলছে জমজমাটভাবে’।
প্রতিবেদনটির এই অংশের ব্যাখ্যা দিয়ে নেজাম বলছে, এ বক্তব্যটি বিভ্রান্তিকর।
‘বলাই বাহুল্য সে সুনামের সঙ্গে আর্থিক স্বচ্ছতা বজায় রেখেই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে এবং চন্দ্রিমা এলাকার একজন সম্মানিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। তাই এ ধরনের বক্তব্য অযাচিত ও বিভ্রান্তিকর।’

‘চন্দ্রিমা মাঠ এলাকায় বেশ কয়েকটি জমি। এছাড়া খরুলিয়া, বাংলাবাজার এলাকায় রয়েছে কয়েকটি জমি। এসব জমিতে ঘর করেছে নেজাম। একটি ঘরে অবস্থান করেন চন্দ্রিমা এলাকার পতিতা ব্যবসায়ী আমিন। আমিন পতিতাদের আস্তানা হিসেবে ব্যবহৃত করে নেজামের ঘরটি’। প্রতিবেদনের এ অংশের বিষয়ে নেজাম বলছে, এ-সংক্রান্ত স্পর্শকাতর তথ্য প্রকাশ যে কারো পরিবারে গোপনীয়তা লঙ্ঘনের শামিল ও নিজস্ব পরিবারকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। পাশাপাশি এ প্রতিবেদনে অপ্রাসঙ্গিক বেশকিছু বিষয়ের অবতারণা করা হয়েছে, যা দেশের প্রচলিত আইন পরিপন্থী, বিভ্রান্তিকর ও স্বার্থপরিপন্থী এবং পরিবারের দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত ভাবমূর্তির জন্যও হুমকিস্বরূপ।

‘নেজামের পরিবারটি সমাজের অন্তর্ভুক্ত নয়। তার সম্পদ বাড়ছে হুহু করে। আর তার সাথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনেক সখ্যতা রয়েছে। তার এক ভাই ও নানান অপরাধে জড়িত’। নিউজের এ অংশের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে নেজাম বলেন, অনুমতি ব্যতীত কোন ব্যক্তি বা পরিবারের চরিত্র হনন করে তথ্য প্রকাশ অনৈতিক ও সাংবাদিকতার আদর্শের পরিপন্থী। আর তিনি দেশের আইনের প্রতি সম্পূর্ণরূপে শ্রদ্ধাশীল। সে সমাজ বা রাষ্ট্রবিরোধী কোন কাজে জড়িত নেই, ছিল না। নানা চড়াই উতরাই পেরিয়ে এই পর্যন্ত পৌঁছেছে সে। তার এই উত্থান কিছু নিন্দুকেরা সহ্য করতে না পেরে তার বিরুদ্ধে সংবাদ কর্মী লেলিয়ে দিয়ে সম্মানহানীসহ আর্থিক ক্ষতি করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। এছাড়া এই সংবাদে একজন ব্যক্তি বা পরিবার সম্পর্কে যে বিভ্রান্তিক কথা বলা হয়েছে তা ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও পুরোপুরি মিথ্যা।

প্রতিবাদকারী
মোঃ নেজাম উদ্দিন,
ঝিলংজা ৯নং ওয়ার্ড, ঘোনাপাড়া, সদর কক্সবাজার।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

পুকুরে ধরা পড়ল রুপালি ইলিশ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা

আপডেট : ১১:৪৮:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

দৈনিক সকালের কক্সবাজার পত্রিকায় ৭ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত ‘চট্টগ্রামে ভিআইপি মোবাইল চোর কক্সবাজারে এসেই হুজুর’ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে নেজাম উদ্দীন। তিনি বলেন, প্রকাশিত সংবাদটি মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও কাল্পনিক। একটি স্বার্থান্বেষী মহলের প্ররোচনায় এ মিথ্যা সংবাদের অবতারণা করা হয়েছে শুধু আমাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার পাশাপাশি আমার ক্ষতি করার জন্য। নেজাম উদ্দিনের স্বাক্ষরিত প্রতিবাদপত্রে প্রতিবেদনটির বেশকিছু অংশকে উদ্ধৃত করে সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে শিরোনামকে উদ্ধৃত করে নেজাম উদ্দিন বলেছে, ‘এতে পাঠকেরা বিভ্রান্ত হতে পারেন।

‘নামি দামি গাড়ি, নিত্য নতুন জামা কাপড় পড়েই কয়েক মাস পর শহরে বিচরণ করেন। রাত যাপনের কোন স্থায়ী ঠিকানা নেই। চন্দ্রিমার মাঠ এলাকায় তিনি একজন ভিআইপি লোক হিসেবে পরিচিত’। সংবাদের এই অংশের ব্যাখ্যায় নেজাম বলেন, একজন মানুষ নিত্য কি রকম পোষাক, নতুন না পুরাতন। কি দামের কাপড় পরবে না পড়বে, আর কতো দামের গাড়ি ব্যবহার করবে। স্থানীয় এলাকায় বা শহরে থাকতে গেলে কোথায় কিভাবে থাকতে হবে, পেশা কি। ঘর বাড়ি কিভাবে সাজাবেন, কতো মূল্যে ঘরে আসবাবপত্র ব্যবহার হবে এ সংক্রান্ত বিষয়ে যদি বাংলাদেশ সংবিধানে আইন করা থাকতো তাহলে রুটিন অনুযায়ী সাংবাদিকদের কাছে জবাবদিহি করে এ দেশে বসবাস করতাম। নতুবা স্বাধীন দেশের একজন স্বাধীন নাগরিক হিসাবে বসবাস করতে গিয়ে এসব অপসংবাদিকতার স্বীকার হচ্ছি। এসব বাড়াবাড়ি ছাড়া আর কিছু নয়।

‘বর্তমানে নেজামের টাকার অভাব নেই, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা আয় করছে নেজাম। এসব টাকা দিয়ে ইনভেস্ট করেছে ইয়াবা কারবারে। তার ইয়াবা কারবার চলছে জমজমাটভাবে’।
প্রতিবেদনটির এই অংশের ব্যাখ্যা দিয়ে নেজাম বলছে, এ বক্তব্যটি বিভ্রান্তিকর।
‘বলাই বাহুল্য সে সুনামের সঙ্গে আর্থিক স্বচ্ছতা বজায় রেখেই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে এবং চন্দ্রিমা এলাকার একজন সম্মানিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। তাই এ ধরনের বক্তব্য অযাচিত ও বিভ্রান্তিকর।’

‘চন্দ্রিমা মাঠ এলাকায় বেশ কয়েকটি জমি। এছাড়া খরুলিয়া, বাংলাবাজার এলাকায় রয়েছে কয়েকটি জমি। এসব জমিতে ঘর করেছে নেজাম। একটি ঘরে অবস্থান করেন চন্দ্রিমা এলাকার পতিতা ব্যবসায়ী আমিন। আমিন পতিতাদের আস্তানা হিসেবে ব্যবহৃত করে নেজামের ঘরটি’। প্রতিবেদনের এ অংশের বিষয়ে নেজাম বলছে, এ-সংক্রান্ত স্পর্শকাতর তথ্য প্রকাশ যে কারো পরিবারে গোপনীয়তা লঙ্ঘনের শামিল ও নিজস্ব পরিবারকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। পাশাপাশি এ প্রতিবেদনে অপ্রাসঙ্গিক বেশকিছু বিষয়ের অবতারণা করা হয়েছে, যা দেশের প্রচলিত আইন পরিপন্থী, বিভ্রান্তিকর ও স্বার্থপরিপন্থী এবং পরিবারের দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত ভাবমূর্তির জন্যও হুমকিস্বরূপ।

‘নেজামের পরিবারটি সমাজের অন্তর্ভুক্ত নয়। তার সম্পদ বাড়ছে হুহু করে। আর তার সাথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনেক সখ্যতা রয়েছে। তার এক ভাই ও নানান অপরাধে জড়িত’। নিউজের এ অংশের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে নেজাম বলেন, অনুমতি ব্যতীত কোন ব্যক্তি বা পরিবারের চরিত্র হনন করে তথ্য প্রকাশ অনৈতিক ও সাংবাদিকতার আদর্শের পরিপন্থী। আর তিনি দেশের আইনের প্রতি সম্পূর্ণরূপে শ্রদ্ধাশীল। সে সমাজ বা রাষ্ট্রবিরোধী কোন কাজে জড়িত নেই, ছিল না। নানা চড়াই উতরাই পেরিয়ে এই পর্যন্ত পৌঁছেছে সে। তার এই উত্থান কিছু নিন্দুকেরা সহ্য করতে না পেরে তার বিরুদ্ধে সংবাদ কর্মী লেলিয়ে দিয়ে সম্মানহানীসহ আর্থিক ক্ষতি করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। এছাড়া এই সংবাদে একজন ব্যক্তি বা পরিবার সম্পর্কে যে বিভ্রান্তিক কথা বলা হয়েছে তা ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও পুরোপুরি মিথ্যা।

প্রতিবাদকারী
মোঃ নেজাম উদ্দিন,
ঝিলংজা ৯নং ওয়ার্ড, ঘোনাপাড়া, সদর কক্সবাজার।