ঢাকা ০৩:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম নতুন ব্রিজ অপকর্ম রাজ্য হয়ে উঠেছে জিএম প্যালেস

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

নারী ব্যাবসা থেকে শুরু করে মাদক কারবারি সহ এমন কোনো সমাজ বিরুদ্ধী সব অপকর্ম চলে। মাদক সেবিদের জন্য রয়েছে নিরাপদ আস্তানা আর স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্রছাত্রী সহ পরকিয়া প্রেমবাজদের জন্য রয়েছে নিরাপদ বিশ্রামাগার। সেই সাথে বাদ যায়নি পতিতার খদ্দেরদের চাহিদাও।এমনই অভিযোগ রয়েছে চট্টগ্রাম নগরীর নতুন ব্রিজ এলাকায় অবস্থিত জি এম প্যালেস এর বিরুদ্ধে।এই অপরাধ স্বর্গঘরের মালিক জিয়া ও মনসুর পরিচালনায় নারীদের অন্যতম যোগানদাতা হলেন ম্যানেজার বিপ্লব।অনুসন্ধ্যানে জানা যায়,মাদক সেবিদেরকে চাহিদামত মাদক সরবার করে সেবনের জন্য রুম দিয়ে নিরাপত্তা দেন। স্কুল-কলেজ পড়ুয়া যুগল প্রেমবাজ ও পরকিয়া বাজদেরকে কয়েক ঘন্টার জন্য দেন রুম ভাড়া।একই রুম দিনে ঘন্টাব্যাপী কয়েকবারের জন্য ভাড়া দিলেও অতিথিদের প্রয়োজন পড়ে না কোন জাতীয় পরিচয় পত্র কিংবা জন্ম সনদপত্রের।
জানা যায় এসব ব্যবসায় মালিক জিয়া ও মনসুর পরিচালনায় নারীদের অন্যতম যোগানদাতা হলেন ম্যানেজার বিপ্লব।কর্ণফুলী নদীতে থাকা জাহাজ শ্রমিকদের নিয়মিত নিত্য নতুন মেয়ের যোগান দিয়ে কাস্টমার চাহিদা পূরন করেন এই ম্যানেজার বিপ্লব।এছাড়াও খদ্দেরদের চাহিদা মেটাতে রুমে কিংবা আশপাশের অন্যান্য ফ্ল্যাটে রাখেন বিভিন্ন ধরণের সুন্দরী রমণী পতিতা, এসবের দাম খদ্দের ও পতিতা বেদে ৩ থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।এসব খদ্দের সংগ্রহেও রয়েছে নিজস্ব দালাল ও ম্যানেজার বিপ্লব।স্থানীয়রা জানান হোটেলের মধ্যে এসব অনৈতিক কাজে আমাদের যুব সমাজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, আমাদের যুবকরা যেখানে খেলাধুলার পাশাপাশি নানান ধরনের সামাজিক কাজকর্মে আগ্রহী হবে, সেখানে এসব হোটেলে খারাপ কাজের প্রতি এবং মাদকে আসক্ত হয়ে যাচ্ছে।স্থানীয়রা এসব হোটেল বন্ধ করার জন্য প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ও হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।আরো জানা যায়, স্থানীয় কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তি ও প্রশাসন কর্মকর্তাদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে অবৈধ ব্যবসা বাড়িয়ে চালু করে হোটেল জি এম প্যালেস।তার এসব ব্যবসায় অর্থ যোগানদাতা জনৈক জিয়া ও মনসুর।কোটি টাকার বিনিয়োগ হোটেলে চলে আসতেছে রমরমা ব্যবসা।বর্তমানে নামি-দামি গাড়ির মালিক বনে গেছেন এই মালিকরা।হোটেলে এমন অপকমের বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে বারবার কল দিলেও তাকে প্রথমে পাওয়া যায়নি। ম্যানেজার বিল্পব নিজে ৫০% সত্য বলে স্বীকারোক্তি দেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

ঠাকুরগাঁওয়ে ভোটের মাঠের বীরযোদ্ধা অরুণাংশু দত্ত টিটো

চট্টগ্রাম নতুন ব্রিজ অপকর্ম রাজ্য হয়ে উঠেছে জিএম প্যালেস

আপডেট : ০৮:৪৩:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

নারী ব্যাবসা থেকে শুরু করে মাদক কারবারি সহ এমন কোনো সমাজ বিরুদ্ধী সব অপকর্ম চলে। মাদক সেবিদের জন্য রয়েছে নিরাপদ আস্তানা আর স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্রছাত্রী সহ পরকিয়া প্রেমবাজদের জন্য রয়েছে নিরাপদ বিশ্রামাগার। সেই সাথে বাদ যায়নি পতিতার খদ্দেরদের চাহিদাও।এমনই অভিযোগ রয়েছে চট্টগ্রাম নগরীর নতুন ব্রিজ এলাকায় অবস্থিত জি এম প্যালেস এর বিরুদ্ধে।এই অপরাধ স্বর্গঘরের মালিক জিয়া ও মনসুর পরিচালনায় নারীদের অন্যতম যোগানদাতা হলেন ম্যানেজার বিপ্লব।অনুসন্ধ্যানে জানা যায়,মাদক সেবিদেরকে চাহিদামত মাদক সরবার করে সেবনের জন্য রুম দিয়ে নিরাপত্তা দেন। স্কুল-কলেজ পড়ুয়া যুগল প্রেমবাজ ও পরকিয়া বাজদেরকে কয়েক ঘন্টার জন্য দেন রুম ভাড়া।একই রুম দিনে ঘন্টাব্যাপী কয়েকবারের জন্য ভাড়া দিলেও অতিথিদের প্রয়োজন পড়ে না কোন জাতীয় পরিচয় পত্র কিংবা জন্ম সনদপত্রের।
জানা যায় এসব ব্যবসায় মালিক জিয়া ও মনসুর পরিচালনায় নারীদের অন্যতম যোগানদাতা হলেন ম্যানেজার বিপ্লব।কর্ণফুলী নদীতে থাকা জাহাজ শ্রমিকদের নিয়মিত নিত্য নতুন মেয়ের যোগান দিয়ে কাস্টমার চাহিদা পূরন করেন এই ম্যানেজার বিপ্লব।এছাড়াও খদ্দেরদের চাহিদা মেটাতে রুমে কিংবা আশপাশের অন্যান্য ফ্ল্যাটে রাখেন বিভিন্ন ধরণের সুন্দরী রমণী পতিতা, এসবের দাম খদ্দের ও পতিতা বেদে ৩ থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।এসব খদ্দের সংগ্রহেও রয়েছে নিজস্ব দালাল ও ম্যানেজার বিপ্লব।স্থানীয়রা জানান হোটেলের মধ্যে এসব অনৈতিক কাজে আমাদের যুব সমাজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, আমাদের যুবকরা যেখানে খেলাধুলার পাশাপাশি নানান ধরনের সামাজিক কাজকর্মে আগ্রহী হবে, সেখানে এসব হোটেলে খারাপ কাজের প্রতি এবং মাদকে আসক্ত হয়ে যাচ্ছে।স্থানীয়রা এসব হোটেল বন্ধ করার জন্য প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ও হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।আরো জানা যায়, স্থানীয় কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তি ও প্রশাসন কর্মকর্তাদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে অবৈধ ব্যবসা বাড়িয়ে চালু করে হোটেল জি এম প্যালেস।তার এসব ব্যবসায় অর্থ যোগানদাতা জনৈক জিয়া ও মনসুর।কোটি টাকার বিনিয়োগ হোটেলে চলে আসতেছে রমরমা ব্যবসা।বর্তমানে নামি-দামি গাড়ির মালিক বনে গেছেন এই মালিকরা।হোটেলে এমন অপকমের বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে বারবার কল দিলেও তাকে প্রথমে পাওয়া যায়নি। ম্যানেজার বিল্পব নিজে ৫০% সত্য বলে স্বীকারোক্তি দেন।