ঢাকা ০৬:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

উপজেলাবাসীর উন্নয়নে কাজ করছেন কায়সারুল হক জুয়েল

এম এ সাত্তার: কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজার সদর উপজেলাবাসীর নানা সমস্যার সমাধান ও উন্নয়নে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন চেয়ারম্যান কায়সারুল হক জুয়েল এমন ধারণা সদর উপজেলাবাসীর। যার কারণে তাঁর সেবামূলক কর্মকান্ডের সুনাম চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে জায়গা করে নিয়েছে সাধারণ মানুষের মনে।

জানতে চাইলে পিএমখালীর বাসিন্দা মোস্তাক আহমদ বলেন, জেলা আওয়ামী লীগের আমৃত্যু সভাপতি, কক্সবাজার পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান মরহুম একেএম মোজাম্মেল পুত্র, তরুণ রাজনীতিবিদ সদর উপজেলা পরিষদর চেয়ারম্যান কায়সারুল হক জুয়েল ইতিমধ্যে তাঁর মেধা, পরিশ্রম দিয়ে সাধারণ মানুষ থেকে মধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্ত সকলের মনে জায়গা করে নিয়েছেন আন্তরিক সেবার মাধ্যমে। বিশেষ করে মাদক, সমাজ ও রাষ্ট্র বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের কঠোর হস্তে দমন, সড়ক নির্মাণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতা সহ উপজেলাবাসীর উন্নয়নে তার ভুমিকা অতুলনীয়। তিনি উপজেলার মানুষের ভাগ্যেন্নোয়নের জন্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রক্ষা করে বরাদ্দ এনে জনস্বার্থে এলাকার উন্নয়নের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি মনে করেন, আবারও যদি জুয়েল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হলে দেশ ও দশের জন্য কল্যাণ হবে। জনগণ তাকে আবারও ভালোবাসবেন এমন মন্তব্য তার।

সমিতি পাড়ার বাসিন্দা রুবেল হোসেন বলেন, পিতার রাজনৈতিক আদর্শকে লালন করে উপজেলা চেয়ারম্যান কায়সারুল হক জুয়েল ছাত্রজীবন থেকে তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে সম্মান করে ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত হন। পিতার হাত ধরে প্রত্যেকটি দলীয় কর্মকান্ডে অংশ গ্রহন করতেন তিনি। এরপর থেকে দিনদিন বেড়ে যায় তার জনপ্রিয়তা। ব্যাপক জনপ্রিয়তায় ২০১৯ সালে বিপুল ভোটে সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। বিগত প্রায় ৫ বছর সততা নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। উপজেলা পরিষদের দায়িত্ব পালনকালে সকল প্রকার অনিয়মের উর্দ্ধে থেকে সরকারি ও বেসরকারিভাবে বরাদ্দ পাওয়া কাজ ও ত্রান সামগ্রী প্রত্যেক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেম্বারদের মাধ্যমে সুষ্ঠুভাবে বন্টন করায় তিনি হয়ে উঠেন সকলের মধ্যমণি।

তাঁর রাজনৈতিক ঘনিষ্ট একজন বলেন, কক্সবাজার জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য সরকারি /বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ত্রাণ সঠিক ভাবে বিতরন করে সততার জন্য সুনাম অর্জন করেন এবং একজন সৎ, আদর্শবান সেবক হিসেবে উপজেলাবাসীর কাছে জনপ্রিয় বিশ্বস্ত বন্ধুর স্থান করে নেন। সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করায় শুধু উপজেলাবাসীর কাছে নয়, পুরো জেলাবাসীর কাছে তিনি সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেন। পুরো উপজেলায় একজন জনদরদী জনসেবক হিসেবে তার নাম চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে জনপ্রিয়তায় তিনি হয়ে উঠেন আস্থার প্রতীক।

জানতে চাইলে প্রতিবেদককে উপজেলা চেয়ারম্যান জুয়েল বলেন, দলের স্বার্থে রাজনীতি করতে গিয়ে ১/১১ এর সময় গ্রেফতার হয়ে শারীরিক মানসিকভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছি। নয় মাস কারাভোগ করেন তবুও জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে বিচ্যুতি হইনি, করেনি বেঈমানি। কোন অন্যায়ের সাথে আপোষ করিনি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্নকে লালন করে ব্যাক্তি স্বার্থের উর্ধ্বে থেকে সততা ও নিষ্ঠার সাথে জনগনের সেবা ও এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। পুনঃ সুযোগ পেলে আমি উপজেলাকে আধুনিকায়নের মাধ্যমে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলতে সব চেষ্টা করে যাবো ইনশাআল্লাহ।

উল্লেখ্য, ব্যাপক জনপ্রিয়তায় ২০১৯ সালে সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করায় তার জনপ্রিয়তা হয়ে উঠে আকাশচুম্বী।’বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামের ত্যাগী এই কারা নির্যাতিত নেতা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে অধিষ্ঠিত থেকেও প্রায় ডজনখানেক সংগঠনের শীর্ষ পদে প্রতিনিধিত্ব করছেন।
ছাত্রজীবন থেকে মরহুম শ্রদ্ধেয় পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে লালন করে পুরো পরিবারসহ আওয়ামী রাজনীতিতে নিজের জীবন উৎসর্গ করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

পলাশে এনা-কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২ আহত ৬

উপজেলাবাসীর উন্নয়নে কাজ করছেন কায়সারুল হক জুয়েল

আপডেট : ১২:৩৩:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৪

এম এ সাত্তার: কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজার সদর উপজেলাবাসীর নানা সমস্যার সমাধান ও উন্নয়নে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন চেয়ারম্যান কায়সারুল হক জুয়েল এমন ধারণা সদর উপজেলাবাসীর। যার কারণে তাঁর সেবামূলক কর্মকান্ডের সুনাম চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে জায়গা করে নিয়েছে সাধারণ মানুষের মনে।

জানতে চাইলে পিএমখালীর বাসিন্দা মোস্তাক আহমদ বলেন, জেলা আওয়ামী লীগের আমৃত্যু সভাপতি, কক্সবাজার পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান মরহুম একেএম মোজাম্মেল পুত্র, তরুণ রাজনীতিবিদ সদর উপজেলা পরিষদর চেয়ারম্যান কায়সারুল হক জুয়েল ইতিমধ্যে তাঁর মেধা, পরিশ্রম দিয়ে সাধারণ মানুষ থেকে মধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্ত সকলের মনে জায়গা করে নিয়েছেন আন্তরিক সেবার মাধ্যমে। বিশেষ করে মাদক, সমাজ ও রাষ্ট্র বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের কঠোর হস্তে দমন, সড়ক নির্মাণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতা সহ উপজেলাবাসীর উন্নয়নে তার ভুমিকা অতুলনীয়। তিনি উপজেলার মানুষের ভাগ্যেন্নোয়নের জন্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রক্ষা করে বরাদ্দ এনে জনস্বার্থে এলাকার উন্নয়নের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি মনে করেন, আবারও যদি জুয়েল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হলে দেশ ও দশের জন্য কল্যাণ হবে। জনগণ তাকে আবারও ভালোবাসবেন এমন মন্তব্য তার।

সমিতি পাড়ার বাসিন্দা রুবেল হোসেন বলেন, পিতার রাজনৈতিক আদর্শকে লালন করে উপজেলা চেয়ারম্যান কায়সারুল হক জুয়েল ছাত্রজীবন থেকে তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে সম্মান করে ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত হন। পিতার হাত ধরে প্রত্যেকটি দলীয় কর্মকান্ডে অংশ গ্রহন করতেন তিনি। এরপর থেকে দিনদিন বেড়ে যায় তার জনপ্রিয়তা। ব্যাপক জনপ্রিয়তায় ২০১৯ সালে বিপুল ভোটে সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। বিগত প্রায় ৫ বছর সততা নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। উপজেলা পরিষদের দায়িত্ব পালনকালে সকল প্রকার অনিয়মের উর্দ্ধে থেকে সরকারি ও বেসরকারিভাবে বরাদ্দ পাওয়া কাজ ও ত্রান সামগ্রী প্রত্যেক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেম্বারদের মাধ্যমে সুষ্ঠুভাবে বন্টন করায় তিনি হয়ে উঠেন সকলের মধ্যমণি।

তাঁর রাজনৈতিক ঘনিষ্ট একজন বলেন, কক্সবাজার জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য সরকারি /বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ত্রাণ সঠিক ভাবে বিতরন করে সততার জন্য সুনাম অর্জন করেন এবং একজন সৎ, আদর্শবান সেবক হিসেবে উপজেলাবাসীর কাছে জনপ্রিয় বিশ্বস্ত বন্ধুর স্থান করে নেন। সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করায় শুধু উপজেলাবাসীর কাছে নয়, পুরো জেলাবাসীর কাছে তিনি সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেন। পুরো উপজেলায় একজন জনদরদী জনসেবক হিসেবে তার নাম চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে জনপ্রিয়তায় তিনি হয়ে উঠেন আস্থার প্রতীক।

জানতে চাইলে প্রতিবেদককে উপজেলা চেয়ারম্যান জুয়েল বলেন, দলের স্বার্থে রাজনীতি করতে গিয়ে ১/১১ এর সময় গ্রেফতার হয়ে শারীরিক মানসিকভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছি। নয় মাস কারাভোগ করেন তবুও জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে বিচ্যুতি হইনি, করেনি বেঈমানি। কোন অন্যায়ের সাথে আপোষ করিনি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্নকে লালন করে ব্যাক্তি স্বার্থের উর্ধ্বে থেকে সততা ও নিষ্ঠার সাথে জনগনের সেবা ও এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। পুনঃ সুযোগ পেলে আমি উপজেলাকে আধুনিকায়নের মাধ্যমে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলতে সব চেষ্টা করে যাবো ইনশাআল্লাহ।

উল্লেখ্য, ব্যাপক জনপ্রিয়তায় ২০১৯ সালে সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করায় তার জনপ্রিয়তা হয়ে উঠে আকাশচুম্বী।’বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামের ত্যাগী এই কারা নির্যাতিত নেতা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে অধিষ্ঠিত থেকেও প্রায় ডজনখানেক সংগঠনের শীর্ষ পদে প্রতিনিধিত্ব করছেন।
ছাত্রজীবন থেকে মরহুম শ্রদ্ধেয় পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে লালন করে পুরো পরিবারসহ আওয়ামী রাজনীতিতে নিজের জীবন উৎসর্গ করেন।