ঢাকা ০৬:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজার সদরে বনের জমিতে নির্মাণাধীন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

এম এ সাত্তার: কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের আওতাধীন পিএমখালী রেঞ্জ দিঘিরঘোনা বিটের আওতাধীন ছনখোলা গ্রামে পাহাড় কেটে নির্মাণাধীন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। বুধবার ১৭জানুয়ারি পরিবেশ অধিদপ্তর ও বন বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীরা যৌথ অভিযান চালিয়ে এই অবৈধ স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। পিএমখালী রেঞ্জ দিঘিরঘোনা বিট কর্মকর্তা ফরেস্টর রবিউল ইসলাম বিষয়টি প্রতিবেদককে নিশ্চিত করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছনখোলা পশ্চিমপাড়া এলাকার কানুনগো ঘোনাতে ২/৩ মাসের ব্যবধানে পাহাড় কেটে স্থাপনা নির্মাণ করছে বন বিভাগের জমি-পাহাড় অবৈধ জবর দখলকারী আলী হোসেন ও তার ছেলে মৌলভী আইয়ুবের নেতৃত্বে।এই নির্মিত ঘরের পরিধি বৃদ্ধি করতে তারা কেটেছে একটি সুরম্য বিশাল পাহাড়। যে কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায় পাহাড়ও।আবার কাটা পাহাড়ের মাটি চড়া দামে বিক্রি করে দেয় স্থানীয় ডাম্পার ব্যবসায়ীদের নিকট। এতে অর্থায়ন করছে আইয়ুবের বোন ফাতেমা বেগমের স্বামী মালয়েশিয়া প্রবাসী জাগের হোসেন।

এ ব্যাপারে ফরেস্টার রবিউল ইসলাম বলেন, ‘সংরক্ষিত বনাঞ্চল এলাকার পাহাড় কাটা পরিদর্শন করেছি এবং অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।তিনি আরো বলেন, এর আগে এলাকার মানুষের অভিযোগের ভিত্তিতে কয়েকদিন আগে অভিযান চালিয়ে পাহাড় কাঁটার সরাঞ্জাম জব্দ করত: বনের জমিতে কোন স্থাপনা তৈরি না করতে নিষেধ করেন।কিন্তু তারা কাউকে তোয়াক্কা না করে ঘর(স্থাপনা) তৈরি করে যাচ্ছে পুরোদমে। এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলে বন বিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তর যৌথ অভিযান চালিয়ে নির্মাণাধীন ঘর গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

পুকুরে ধরা পড়ল রুপালি ইলিশ

কক্সবাজার সদরে বনের জমিতে নির্মাণাধীন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

আপডেট : ১০:২৯:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৪

এম এ সাত্তার: কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের আওতাধীন পিএমখালী রেঞ্জ দিঘিরঘোনা বিটের আওতাধীন ছনখোলা গ্রামে পাহাড় কেটে নির্মাণাধীন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। বুধবার ১৭জানুয়ারি পরিবেশ অধিদপ্তর ও বন বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীরা যৌথ অভিযান চালিয়ে এই অবৈধ স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। পিএমখালী রেঞ্জ দিঘিরঘোনা বিট কর্মকর্তা ফরেস্টর রবিউল ইসলাম বিষয়টি প্রতিবেদককে নিশ্চিত করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছনখোলা পশ্চিমপাড়া এলাকার কানুনগো ঘোনাতে ২/৩ মাসের ব্যবধানে পাহাড় কেটে স্থাপনা নির্মাণ করছে বন বিভাগের জমি-পাহাড় অবৈধ জবর দখলকারী আলী হোসেন ও তার ছেলে মৌলভী আইয়ুবের নেতৃত্বে।এই নির্মিত ঘরের পরিধি বৃদ্ধি করতে তারা কেটেছে একটি সুরম্য বিশাল পাহাড়। যে কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায় পাহাড়ও।আবার কাটা পাহাড়ের মাটি চড়া দামে বিক্রি করে দেয় স্থানীয় ডাম্পার ব্যবসায়ীদের নিকট। এতে অর্থায়ন করছে আইয়ুবের বোন ফাতেমা বেগমের স্বামী মালয়েশিয়া প্রবাসী জাগের হোসেন।

এ ব্যাপারে ফরেস্টার রবিউল ইসলাম বলেন, ‘সংরক্ষিত বনাঞ্চল এলাকার পাহাড় কাটা পরিদর্শন করেছি এবং অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।তিনি আরো বলেন, এর আগে এলাকার মানুষের অভিযোগের ভিত্তিতে কয়েকদিন আগে অভিযান চালিয়ে পাহাড় কাঁটার সরাঞ্জাম জব্দ করত: বনের জমিতে কোন স্থাপনা তৈরি না করতে নিষেধ করেন।কিন্তু তারা কাউকে তোয়াক্কা না করে ঘর(স্থাপনা) তৈরি করে যাচ্ছে পুরোদমে। এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলে বন বিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তর যৌথ অভিযান চালিয়ে নির্মাণাধীন ঘর গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে।