ঢাকা ০৭:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

আ.লীগ নেত্রী মনিরা পারভীনকে সংরক্ষিত এমপি হিসেবে দেখতে চায় পঞ্চগড়বাসী

স্টাফ রিপোর্টার।।

পঞ্চগড় থেকে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত মনোনীত করার দাবী উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে সংরক্ষিত সংসদ সদস্য পদ বঞ্চিত আছে পঞ্চগড়। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে ফরিদা আকতার হীরাকে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য নির্বাচিত করা হয়। এর পর ২০১৪ ও ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলেও পঞ্চগড় থেকে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য করা হয়নি। ২০১৪ সালে ঠাকুরগাঁও থেকে এবং ২০১৮ সালে দিনাজপুর থেকে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত করা হয়। সংগত কারণে এবার পঞ্চগড় থেকে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচনের দাবী উঠেছে। ২০০৮ সালে নির্বাচিত সংরক্ষিত সংসদ সদস্য ফরিদা আকতার হীরা ও ২০১৪ সালে সেলিনা জাহান লিটা পঞ্চগড়ের উন্নয়নে কাজ করেছিলেন। পঞ্চগড়ের মানুষ এদের চিনেন জানেন। তবে ২০১৮ সালে নির্বাচিত সংরক্ষিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জাকিয়া তাবাস্সুম জুঁইকে নির্বাচিত করা হয়। তিনি গত পাঁচ বছরে এক/দুইবার পঞ্চগড়ের আসেন। পঞ্চগড়ের মানুষ তাঁকে সেভাবে দেখেনি এবং জানেও না।
পঞ্চগড়ের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এবার তারা পঞ্চগড় থেকে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত করার দাবি জানিয়েছেন। তাদের দাবি দীর্ঘদিনের রাজনীতিতে সক্রিয় মনিরা পারভীনকে এবার পঞ্চগড় থেকে সংরক্ষিত সংসদ সদস্য নির্বাচিত করার দাবি তুলেছে। মনিরা পারভীন ১৯৮২ সালে নড়াইল ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী হিসেবে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত হন। এর পর বৈবাহিক সূত্রে ৮৫ সালে পঞ্চগড়ে চলে আসেন এবং ১৯৯২ সালে জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পান। ২০০৮ সাল পর্যন্ত দায়িত্বে থেকে তিনি পঞ্চগড়ে মহিলা আওয়ামী লীগকে একটি শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। একইসাথে তিনি ২০০১ সাল পর্যন্ত জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন। ২০০২ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত জেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি পাশাপাশি জেলা মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি সমাজ উন্নয়নে ভূমিকা রাখায় বিভাগীয় শ্রেষ্ট জয়িতা হয়েছেন। তিনি সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের সদস্য, সভানেত্রী অগ্রণী মহিলা উন্নয়ন সমিতি, জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক, পঞ্চগড় জেলা রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও আধুনিক সদর হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর স্বামী পঞ্চগড় জেলা কৃষকলীগের সভাপতি ও জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনালের পিপি অ্যাডভোকেট আজিজার রহমান আজু। দুই সন্তানের জননী। ছেলে শিক্ষানবীশ আইনজীবী, মেয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ।
একজন সদালাপী, বিনয়ী, সৎ দক্ষ নারী নেত্রী হিসেবে সর্বমহলে ব্যাপক পরিচিত এই নারীকে সংরক্ষিত আসনের জন্য সংসদ সদস্য নির্বাচিত করার দাবি জানিয়েছেন দলীয় নেতাকর্মী সমর্থকসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

পুকুরে ধরা পড়ল রুপালি ইলিশ

আ.লীগ নেত্রী মনিরা পারভীনকে সংরক্ষিত এমপি হিসেবে দেখতে চায় পঞ্চগড়বাসী

আপডেট : ০৯:১০:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার।।

পঞ্চগড় থেকে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত মনোনীত করার দাবী উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে সংরক্ষিত সংসদ সদস্য পদ বঞ্চিত আছে পঞ্চগড়। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে ফরিদা আকতার হীরাকে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য নির্বাচিত করা হয়। এর পর ২০১৪ ও ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলেও পঞ্চগড় থেকে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য করা হয়নি। ২০১৪ সালে ঠাকুরগাঁও থেকে এবং ২০১৮ সালে দিনাজপুর থেকে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত করা হয়। সংগত কারণে এবার পঞ্চগড় থেকে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচনের দাবী উঠেছে। ২০০৮ সালে নির্বাচিত সংরক্ষিত সংসদ সদস্য ফরিদা আকতার হীরা ও ২০১৪ সালে সেলিনা জাহান লিটা পঞ্চগড়ের উন্নয়নে কাজ করেছিলেন। পঞ্চগড়ের মানুষ এদের চিনেন জানেন। তবে ২০১৮ সালে নির্বাচিত সংরক্ষিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জাকিয়া তাবাস্সুম জুঁইকে নির্বাচিত করা হয়। তিনি গত পাঁচ বছরে এক/দুইবার পঞ্চগড়ের আসেন। পঞ্চগড়ের মানুষ তাঁকে সেভাবে দেখেনি এবং জানেও না।
পঞ্চগড়ের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এবার তারা পঞ্চগড় থেকে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত করার দাবি জানিয়েছেন। তাদের দাবি দীর্ঘদিনের রাজনীতিতে সক্রিয় মনিরা পারভীনকে এবার পঞ্চগড় থেকে সংরক্ষিত সংসদ সদস্য নির্বাচিত করার দাবি তুলেছে। মনিরা পারভীন ১৯৮২ সালে নড়াইল ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী হিসেবে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত হন। এর পর বৈবাহিক সূত্রে ৮৫ সালে পঞ্চগড়ে চলে আসেন এবং ১৯৯২ সালে জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পান। ২০০৮ সাল পর্যন্ত দায়িত্বে থেকে তিনি পঞ্চগড়ে মহিলা আওয়ামী লীগকে একটি শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। একইসাথে তিনি ২০০১ সাল পর্যন্ত জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন। ২০০২ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত জেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি পাশাপাশি জেলা মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি সমাজ উন্নয়নে ভূমিকা রাখায় বিভাগীয় শ্রেষ্ট জয়িতা হয়েছেন। তিনি সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের সদস্য, সভানেত্রী অগ্রণী মহিলা উন্নয়ন সমিতি, জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক, পঞ্চগড় জেলা রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও আধুনিক সদর হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর স্বামী পঞ্চগড় জেলা কৃষকলীগের সভাপতি ও জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনালের পিপি অ্যাডভোকেট আজিজার রহমান আজু। দুই সন্তানের জননী। ছেলে শিক্ষানবীশ আইনজীবী, মেয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ।
একজন সদালাপী, বিনয়ী, সৎ দক্ষ নারী নেত্রী হিসেবে সর্বমহলে ব্যাপক পরিচিত এই নারীকে সংরক্ষিত আসনের জন্য সংসদ সদস্য নির্বাচিত করার দাবি জানিয়েছেন দলীয় নেতাকর্মী সমর্থকসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ।