ঢাকা ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হিন্দু ভোটাররা নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে যাকে খুশি তাকে ভোট দিবেন: ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনী পথসভায় মির্জা ফখরুল 

হিন্দু ভোটারদের নিয়ে বিগত সময়ে নোংরা রাজনীতি করা হয়েছে উল্ল্যেখ ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও দলটির মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগির বলেছেন, আপনারা যাদের ভোট দিয়েছেন, তারা জিতলেও আপনারা মার খান হারলেও মার খান। সব সময় আপনাদের ব্যবহার করা হয়েছে। আমরা ক্ষমতায় যেতে চাই আপনাদের নিরাপত্তা দিতে। আমরা ক্ষমতায় গেলে আপনারা শান্তিতে থাকবেন। রোববার সদর উপজেলার সালন্দর ইউনিয়নের বরুনাগাও মাদ্রাসা মাঠে. ফারাবাড়ি চেরাডাঙ্গী মাঠে, গড়েয়া ইসকন মন্দিরে এবং সালন্দর ইউনিয়নের চৌধুরিহাট সরকারী কলেজ মাঠে নির্বাচনী পথসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি । হিন্দু ও অন্য সম্প্রদায়ের লোকেদের উদ্দেশ্য করে মির্জা ফকরুল বলেছেন,আমরা সবাই বাংলাদেশের মানুষ, কেউ সংখ্যাগরিষ্ঠ না কেউ সংখ্যালঘু না। আমরা সব সময় আপনাদের সাথে আছি। আপনারা নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে যাকে খুশি তাকে ভোট দেবেন। আপনাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব আমাদের। জামায়াতী ইসলামকে ইঙ্গিত করে মির্জা ফকরুল বলেন, আজ তারা এদেশের মানুষের কাছে ভোট চায়। তারা স্বাধীনতা বিরোধী দল। কোন স্বাধীনতা বিরোধীদের হাতে বাংলাদেশ নিরাপদ নয়। তিনি বলেন,আমরা কোনদিন আপনাদের বিক্রি করে সম্পদ বানাইনা, আমরা রাজনীতি করে আমাদের সম্পদ বানাইনি। আমরা বাপ-দাদার দেওয়া জমি জমা বিক্রি করে রাজনীতি করি। জেলে থাকা ছাত্রলীগের সাদ্দামকে ইঙ্গিত করে মির্জা ফখরুল বলেন, আমি ৯১ সাল থেকে আপনাদের এলাকায় রাজনীতি করছি। বহুবার জেলে গেছি। একবার ঢাকার বাসা থেকে আমাকে পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। সে সময় আমার স্ত্রী খুব অসুস্থ। ডাক্তার বলেছেন অপারেশন করতে হবে কিন্তু তবুও আমাকে জেল থেকে মুক্তি দেয়নি। জেলে থাকা অবস্থায় আমার স্ত্রীকে অপারেশন করতে হয়েছে। সে সময় আমার স্ত্রী সন্তানরা আমাকে পায়নি। অনেক অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করেছি। তবে মাথা কখনও নত করি নাই। সার সঙ্কট নিয়ে ইউনুস সরকারকে দায়ী করে তিনি বলেন, আমাদের এ কৃষিপ্রধাণ দেশে কৃষকরাই আমাদের প্রাণ। তাদের ভালো রাখলে দেশ ভালো থাকবে। আজ কৃষকরা সময়মত সার পায়না। সারের সঙ্কট। সারের এ সঙ্কটের জন্য ইউনুস সরকার ও সরকারের লোকেরা দায়ী। আমরা ক্ষমতায় গেলে কৃষকদের সময়মত ন্যায্যমূল্যে সার ও ফ্যামিলি কার্ডের সাথে ভাতা প্রদান করা হবে। নির্বাচনী প্রচারনায় ভোট চেয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, এখন আমার বয়স হয়েছে। এটাই আমার শেষ নির্বাচন। তাই আমার জীবনের শেষ নির্বাচনে আপনারা আমাকে ভোট দিলে আপনাদের অসম্পূর্ণ কাজগুলো আমি সম্পন্ন করবো ইনশাআল্লাহ। এ সময় নির্বাচনী প্রচারনায় দলের অন্যান্য নেতা কর্মীরা তার সাথে ছিলেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

মান্দায় খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন

হিন্দু ভোটাররা নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে যাকে খুশি তাকে ভোট দিবেন: ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনী পথসভায় মির্জা ফখরুল 

আপডেট : ০৬:২৭:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

হিন্দু ভোটারদের নিয়ে বিগত সময়ে নোংরা রাজনীতি করা হয়েছে উল্ল্যেখ ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও দলটির মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগির বলেছেন, আপনারা যাদের ভোট দিয়েছেন, তারা জিতলেও আপনারা মার খান হারলেও মার খান। সব সময় আপনাদের ব্যবহার করা হয়েছে। আমরা ক্ষমতায় যেতে চাই আপনাদের নিরাপত্তা দিতে। আমরা ক্ষমতায় গেলে আপনারা শান্তিতে থাকবেন। রোববার সদর উপজেলার সালন্দর ইউনিয়নের বরুনাগাও মাদ্রাসা মাঠে. ফারাবাড়ি চেরাডাঙ্গী মাঠে, গড়েয়া ইসকন মন্দিরে এবং সালন্দর ইউনিয়নের চৌধুরিহাট সরকারী কলেজ মাঠে নির্বাচনী পথসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি । হিন্দু ও অন্য সম্প্রদায়ের লোকেদের উদ্দেশ্য করে মির্জা ফকরুল বলেছেন,আমরা সবাই বাংলাদেশের মানুষ, কেউ সংখ্যাগরিষ্ঠ না কেউ সংখ্যালঘু না। আমরা সব সময় আপনাদের সাথে আছি। আপনারা নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে যাকে খুশি তাকে ভোট দেবেন। আপনাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব আমাদের। জামায়াতী ইসলামকে ইঙ্গিত করে মির্জা ফকরুল বলেন, আজ তারা এদেশের মানুষের কাছে ভোট চায়। তারা স্বাধীনতা বিরোধী দল। কোন স্বাধীনতা বিরোধীদের হাতে বাংলাদেশ নিরাপদ নয়। তিনি বলেন,আমরা কোনদিন আপনাদের বিক্রি করে সম্পদ বানাইনা, আমরা রাজনীতি করে আমাদের সম্পদ বানাইনি। আমরা বাপ-দাদার দেওয়া জমি জমা বিক্রি করে রাজনীতি করি। জেলে থাকা ছাত্রলীগের সাদ্দামকে ইঙ্গিত করে মির্জা ফখরুল বলেন, আমি ৯১ সাল থেকে আপনাদের এলাকায় রাজনীতি করছি। বহুবার জেলে গেছি। একবার ঢাকার বাসা থেকে আমাকে পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। সে সময় আমার স্ত্রী খুব অসুস্থ। ডাক্তার বলেছেন অপারেশন করতে হবে কিন্তু তবুও আমাকে জেল থেকে মুক্তি দেয়নি। জেলে থাকা অবস্থায় আমার স্ত্রীকে অপারেশন করতে হয়েছে। সে সময় আমার স্ত্রী সন্তানরা আমাকে পায়নি। অনেক অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করেছি। তবে মাথা কখনও নত করি নাই। সার সঙ্কট নিয়ে ইউনুস সরকারকে দায়ী করে তিনি বলেন, আমাদের এ কৃষিপ্রধাণ দেশে কৃষকরাই আমাদের প্রাণ। তাদের ভালো রাখলে দেশ ভালো থাকবে। আজ কৃষকরা সময়মত সার পায়না। সারের সঙ্কট। সারের এ সঙ্কটের জন্য ইউনুস সরকার ও সরকারের লোকেরা দায়ী। আমরা ক্ষমতায় গেলে কৃষকদের সময়মত ন্যায্যমূল্যে সার ও ফ্যামিলি কার্ডের সাথে ভাতা প্রদান করা হবে। নির্বাচনী প্রচারনায় ভোট চেয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, এখন আমার বয়স হয়েছে। এটাই আমার শেষ নির্বাচন। তাই আমার জীবনের শেষ নির্বাচনে আপনারা আমাকে ভোট দিলে আপনাদের অসম্পূর্ণ কাজগুলো আমি সম্পন্ন করবো ইনশাআল্লাহ। এ সময় নির্বাচনী প্রচারনায় দলের অন্যান্য নেতা কর্মীরা তার সাথে ছিলেন।