ঢাকা ০৭:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

গভীর রাতে এতিম শিশুদের মাঝে কম্বল জড়িয়ে দিলেন ডিসি

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি:-

রাত ১২ টা বেজে ১০ মিনিট। পড়াশোনা খাওয়া-দাওয়া সহ সব ব্যস্ততা সেড়ে ঘুমিয়ে পরেছিলেন মাদরাসার শিশু শিক্ষার্থীরা। বেশ কয়েকদিন থেকে সূর্যের দেখা না মেলায় শীতের প্রকোপতা প্রখর। সে কারনে সকলে আগেভাগে ঘুমিয়ে পরেছিলেন। হঠাৎ করেই রাতের বেলা এসে শীতবস্ত্র হিসেবে তাদের মাঝে কম্বল জড়িয়ে দেন জেলা প্রশাসক।
বৃহস্পতিবার রাতে ঠাকুরগাঁওয়ের সদর উপজেলার নারগুন ইউনিয়নের পশ্চিম নারগুন দারুল কোরআন ওয়াস সুন্নাহ কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের শীতবস্ত্র দেন জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমান।
কম্বল পেয়ে মাদরাসা শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ বলেন, আমরা ঘুমিয়ে গেছিলাম। হুজুর বললেন ডিসি স্যার আসছেন। আমরা বের হওয়া মাত্র আমাদের মোটা কম্বল দিলেন৷ আমরা অনেক খুশি হয়েছি। এখন রাতে আর বেশি কষ্ট হবেনা৷
অত্র মাদরাসার মুহতামিম হাফেজ ইব্রাহিম খলিল বলেন, তাদের সবসময় অযু করে থাকতে হয়। শীতে তাদের কষ্টটা বেশি হয়৷ আজকে কম্বল পেয়ে তারা সকলে খুশি। আর ভালো করে ঘুমাতে পারবে।
ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমান বলেন, হিমালয়ের কাছাকাছি হওয়ায় জেলার মানুষদের বরাবরে শীতের সময় বেশ কষ্ট হয়। এবারেও তার ব্যতিক্রম নয়। বেশ কয়েকদিন থেকে শীতের প্রকোপতা বেড়েছে। আর শীতে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের সচরাচর বেশি কষ্ট হয়। যেহেতু তাদের সবসময় অযু করে থাকতে হয়। সে কারনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শীতের সময়ের উপহার হিসেবে আমরা কম্বল গুলো তাদের হাতে তুলে দিয়েছি৷

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

পুকুরে ধরা পড়ল রুপালি ইলিশ

গভীর রাতে এতিম শিশুদের মাঝে কম্বল জড়িয়ে দিলেন ডিসি

আপডেট : ০৪:০৮:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৪

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি:-

রাত ১২ টা বেজে ১০ মিনিট। পড়াশোনা খাওয়া-দাওয়া সহ সব ব্যস্ততা সেড়ে ঘুমিয়ে পরেছিলেন মাদরাসার শিশু শিক্ষার্থীরা। বেশ কয়েকদিন থেকে সূর্যের দেখা না মেলায় শীতের প্রকোপতা প্রখর। সে কারনে সকলে আগেভাগে ঘুমিয়ে পরেছিলেন। হঠাৎ করেই রাতের বেলা এসে শীতবস্ত্র হিসেবে তাদের মাঝে কম্বল জড়িয়ে দেন জেলা প্রশাসক।
বৃহস্পতিবার রাতে ঠাকুরগাঁওয়ের সদর উপজেলার নারগুন ইউনিয়নের পশ্চিম নারগুন দারুল কোরআন ওয়াস সুন্নাহ কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের শীতবস্ত্র দেন জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমান।
কম্বল পেয়ে মাদরাসা শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ বলেন, আমরা ঘুমিয়ে গেছিলাম। হুজুর বললেন ডিসি স্যার আসছেন। আমরা বের হওয়া মাত্র আমাদের মোটা কম্বল দিলেন৷ আমরা অনেক খুশি হয়েছি। এখন রাতে আর বেশি কষ্ট হবেনা৷
অত্র মাদরাসার মুহতামিম হাফেজ ইব্রাহিম খলিল বলেন, তাদের সবসময় অযু করে থাকতে হয়। শীতে তাদের কষ্টটা বেশি হয়৷ আজকে কম্বল পেয়ে তারা সকলে খুশি। আর ভালো করে ঘুমাতে পারবে।
ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমান বলেন, হিমালয়ের কাছাকাছি হওয়ায় জেলার মানুষদের বরাবরে শীতের সময় বেশ কষ্ট হয়। এবারেও তার ব্যতিক্রম নয়। বেশ কয়েকদিন থেকে শীতের প্রকোপতা বেড়েছে। আর শীতে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের সচরাচর বেশি কষ্ট হয়। যেহেতু তাদের সবসময় অযু করে থাকতে হয়। সে কারনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শীতের সময়ের উপহার হিসেবে আমরা কম্বল গুলো তাদের হাতে তুলে দিয়েছি৷