ঢাকা ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নরসংদী কোর্টে হাজিরা দিয়ে বের হবার সময় ছাত্র দলের নেতা হামলার শিকার

হাজী জাহিদ : নরসিংদী জজ কোর্টে হাজিরা দিয়ে বের হওয়ার সময় পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর ছাত্রদল নেতা সিয়াম ভূইয়া আবিরের (২৮) ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) দুপুরে নরসিংদী জজ কোর্ট প্রাঙ্গনে এই হামলার ঘটনা ঘটে। পরে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

আহত সিয়াম ভূইয়া পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর এলাকার দড়িহাওলাপাড়া গ্রামের এমরান মিয়ার ছেলে। সে ঘোড়াশাল পৌরসভার ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়কের দায়িত্বে রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালের পাইকসা এলাকার একটি মামলায় বৃহস্পতিবার হাজিরা দিতে আদালতে যান সিয়াম। হাজিরা দিয়ে বের হয়ে আদালতের বিশ্রামগারের সামনে বসে চা খাচ্ছিল। এসময় কয়েকজন যুবক পাশে থাকা এক ভিক্ষুকের লাঠি নিয়ে সিয়ামের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে সিয়ামের মাথা ফেঁটে রক্ত ঝড়তে থাকে। তাকে তারা বেধরক মারধোর করতে থাকে।

পরে সে দৌড়ে নিজেকে রক্ষা করতে জজ কোর্টের ভেতরে গিয়ে সিডি রুমের সামনে গিয়ে পড়ে যায়। এসময় সন্ত্রাসীরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তার মাথায় চারটি সেলাই লেগেছে। এ ছাড়া শরীরে বেশ কয়েকটি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে বাড়িতে পাঠানো হয়।

আহত ছাত্রদল নেতা সিয়াম ভূইয়া আবির বলেন, কোর্টে হাজিরা শেষে বের হওয়ার পরই কয়েকজন মিলে আমার ওপর হামলা করেছে। তারা আমার মাথায় একাধিক আঘাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেছে। তারা আমাকে মেরে ফেলতে চেয়েছিল। আমি এঘটনার বিচার চাই। তবে কি কারণে তার উপরে হামলা হয়েছে ও কারা করেছে এব্যাপারে সিয়াম কিছু জানে না বলে জানায়। এ ঘটনায় পুলিশকে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

নরসিংদী আদালত পুলিশের পরিদর্শক সাইরুল ইসলাম বলেন, আহত ব্যক্তির ওপর প্রতিপক্ষ জজকোর্টের ৩ নম্বর গেট এলাকায় অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তাকে পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে কোর্ট পুলিশের সহায়তায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নরসিংদী জেলা হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পূর্ব শত্রুতার বিরোধে তার উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। আর এঘটনায় পুলিশের কোন গাফিলতি থাকলে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

ঠাকুরগাঁওয়ে  স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীন খনন ও পুনঃখনন” কর্মসূচি

নরসংদী কোর্টে হাজিরা দিয়ে বের হবার সময় ছাত্র দলের নেতা হামলার শিকার

আপডেট : ০৭:০৬:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

হাজী জাহিদ : নরসিংদী জজ কোর্টে হাজিরা দিয়ে বের হওয়ার সময় পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর ছাত্রদল নেতা সিয়াম ভূইয়া আবিরের (২৮) ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) দুপুরে নরসিংদী জজ কোর্ট প্রাঙ্গনে এই হামলার ঘটনা ঘটে। পরে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

আহত সিয়াম ভূইয়া পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর এলাকার দড়িহাওলাপাড়া গ্রামের এমরান মিয়ার ছেলে। সে ঘোড়াশাল পৌরসভার ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়কের দায়িত্বে রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালের পাইকসা এলাকার একটি মামলায় বৃহস্পতিবার হাজিরা দিতে আদালতে যান সিয়াম। হাজিরা দিয়ে বের হয়ে আদালতের বিশ্রামগারের সামনে বসে চা খাচ্ছিল। এসময় কয়েকজন যুবক পাশে থাকা এক ভিক্ষুকের লাঠি নিয়ে সিয়ামের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে সিয়ামের মাথা ফেঁটে রক্ত ঝড়তে থাকে। তাকে তারা বেধরক মারধোর করতে থাকে।

পরে সে দৌড়ে নিজেকে রক্ষা করতে জজ কোর্টের ভেতরে গিয়ে সিডি রুমের সামনে গিয়ে পড়ে যায়। এসময় সন্ত্রাসীরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তার মাথায় চারটি সেলাই লেগেছে। এ ছাড়া শরীরে বেশ কয়েকটি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে বাড়িতে পাঠানো হয়।

আহত ছাত্রদল নেতা সিয়াম ভূইয়া আবির বলেন, কোর্টে হাজিরা শেষে বের হওয়ার পরই কয়েকজন মিলে আমার ওপর হামলা করেছে। তারা আমার মাথায় একাধিক আঘাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেছে। তারা আমাকে মেরে ফেলতে চেয়েছিল। আমি এঘটনার বিচার চাই। তবে কি কারণে তার উপরে হামলা হয়েছে ও কারা করেছে এব্যাপারে সিয়াম কিছু জানে না বলে জানায়। এ ঘটনায় পুলিশকে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

নরসিংদী আদালত পুলিশের পরিদর্শক সাইরুল ইসলাম বলেন, আহত ব্যক্তির ওপর প্রতিপক্ষ জজকোর্টের ৩ নম্বর গেট এলাকায় অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তাকে পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে কোর্ট পুলিশের সহায়তায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নরসিংদী জেলা হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পূর্ব শত্রুতার বিরোধে তার উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। আর এঘটনায় পুলিশের কোন গাফিলতি থাকলে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।