
মুহাম্মদ মুছা মিয়াঃ
নরসিংদীর মাধবদীতে নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর লোড শেডিংয়ে অতিষ্ঠ গ্রাহকগণ। দৈনিক ১২/১৬ ঘন্টাই থাকছেনা বিদ্যুৎ। এতে মানুষের ভুগান্তি চরম আকার ধারন করেছে। বন্ধের পথে মিল, কল, কারখানাসহ সকল ধরনের শিল্প প্রতিষ্ঠান। শ্রমিক হারাচ্ছেন ফেক্টরী মালিকগণ। বিদ্যুৎ না থাকায় কাজে বেতন পাচ্ছে কম শ্রমিকগণ। এতে শিল্প ও কলকারখানা বন্ধের পথে। সারাদিন খাটুনি শেষে রাতে ঘুমাতে পারছেনা শ্রমজীবী মানুষ, শিশু বাচ্চাসহ সকল শ্রেণির মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে মাধবদীতে লোড শেডিং বন্ধের দাবীতে ও চাহিদা অনুযায়ী নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ প্রাপ্তীর লক্ষে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান এর নিকট আবেদন করেছেন নরসিংদী সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন। গতকাল নরসিংদী জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. বদিউল আলমের নিকট এই আবেদনপত্র পৌঁছে দেন। নরসিংদী জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. বদিউল আলম নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর গ্রাহকদের পক্ষে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান এর কাছে আবেদনটি পৌঁছে দিবেন ও উক্ত অঞ্চলের গ্রাহকগণ যেন নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পায় সেজন্য আলোচনা করবেন। নরসিংদী সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে নরসিংদী জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. বদিউল আলম এর নিকট আবেদনটি পৌঁছে দেওয়ার সময় সাথে ছিলেন পাঁচদোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান, নুরালাপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ জাকারিয়া চরদিঘলদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসেন শাহীন, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মোঃ মোস্তাক, জাহাঙ্গীর প্রমূখ।
আবেদনে উল্লেখ করা হয় যে নরসিংদীর মাধবদী এলাকায় ৮৫০০ শিল্প গ্রাহক ও আবাসিক গ্রাহকদের মধ্যে মোট ১৭২ মেঃওঃ বিদ্যুৎ প্রয়োজন। অথচ সেখানে গ্রাহকদের বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে ১১০ মেঃওঃ। বিদ্যুতের চাহিদা অনুপাতে ৪০/৪৫% লোডশেডিং হচ্ছে। আবেদনে আরো উল্লেখ করা হয় যে যদি এমন অবস্থা চলতে থাকে তাহলে শিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাবে। বেকার হয়ে যাবে ১০ লক্ষ শ্রমিক। ক্ষতির মুখে পরবে ১০ লক্ষ পরিবার।
















