ঢাকা ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মাধবদীতে প্রতারণা করে দোকান ঘর লিখে নেওয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

মুহাম্মদ মুছা মিয়া, মাধবদী (নরসিংদী) প্রতিনিধিঃ

নরসিংদীর মাধবদীতে সেখেরচর বাজারে প্রতারণা করে দোকান ঘর লিখে নেওয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভগীরথপুর গ্রামের মোঃ শাহিন হোসেন ভূঁইয়া । আজ ২৬ এপ্রিল বেলা ১১টায় মাধবদী একটি কমিউনিটি সেন্টারে সাংবাদিকদের সাথে এই সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন আমার উকিল মেয়ের জামাতার প্রতারণার শিকার হয়ে তার উপযুক্ত বিচারের দাবীতে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। আপনারা ইতোমধ্যেই বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার উকিল মেয়ের জামাই শহিদুল্লাহ বাহার কর্তৃক প্রতারণার মাধ্যমে শেখেরচর বাজারের আমার পৈত্রিক সম্পত্তি লিখে নেওয়ার বিষয়টি জেনেছেন। সে মূলত আমাদের দোকানের ভাড়াটিয়া। সে দুইটি চুক্তির মাধ্যমে প্রথমে চার বছর এবং পরে সাত বছর মোট এগারো বছর আমার শেখেরচর বাজারের পৈত্রিক দোকান ঘর ভাড়া নিয়ে ভাড়াটিয়া হিসেবে ব্যাবসা চালিয়ে আসছেন । বিগত কয়েক বছর আগে আমার ছেলের ব্যবসার পুঁজির জন্য কিছু টাকার প্রয়োাজন হলে আমি আমার উকিল মেয়ের জামাই শহীদুল্লাহ বাহারের সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করি। পরে শহিদুল্লাহ আমাকে বলে আপনার তো ব্যাংকের সাথে লেনদেন নাই সেজন্য আপনাকে ব্যাংক লোন দিবেনা। আমার সাথে যেহেতু ব্যাংকের সাথে ভালো সম্পর্ক আছে আপনি যদি আমাকে আপনার দোকান ঘরের জমিটি পাওয়ার দেন তাহলে আমি আপনাকে ব্যাংক থেকে সহজেই ঋণ নিয়ে টাকাটা আপনাকে দিয়ে দিব। শুধুমাত্র ব্যাংক থেকে ঋণ তুলে দেওয়ার কথা বলে শেখেরচর মৌজাস্থিত ৬৭৬১ নং খতিয়ানে আর.এস-১৬০৮ নং দাগে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের আমার পৈত্রিক সম্পত্তির ১.৯৪ শতাংশ জমি পাওয়ার অব এটর্নি দলিলের মাধ্যমে লিখে নেয়। পরে দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও ব্যাংক থেকে ঋণ না দেওয়ায় ব্যাংকে বিষয়টি জানতে গিয়ে তার জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে বণিক সমিতি, বাজারের বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী ও স্থানীয়দের নিয়ে আমার জমি ফিরিয়ে দিতে একাধিকবার তাগাদা দিলেও সে জমি ফিরিয়ে না দিয়ে তালবাহানা শুরু করে। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে বহু দেনদরবার করেও মীমাংসা না হওয়ায় আমি আদালতের দ্বারস্থ হই। এরই ফাঁকে আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সে আমার জমি প্রথমে তার শ্যালক ও পরে তার স্ত্রী কূহিনুর আক্তারের নামে লিখে দেয়। বর্তমানে সে শেখেরচর বাজার বণিক সমিতির কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের যোগসাজশে আমার দোকান ঘর গুলো অবৈধভাবে দখল করে সেখান থেকে আমাকে উচ্ছেদ করার পায়তারা করছে।

তাই এব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ পূর্বক প্রতারক শহীদুল্লাহ বাহারকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শান্তি নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি।

 

মুহাম্মদ মুছা মিয়া
মাধবদী, নরসিংদী
মোবাইলঃ ০১৯১২-৪৮৫০৮৫

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে জেলা আওয়ামীঃ রাজনীতিতে বিভক্তি হওয়ার আশঙ্কা

মাধবদীতে প্রতারণা করে দোকান ঘর লিখে নেওয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট : ১১:৫৮:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৪

মুহাম্মদ মুছা মিয়া, মাধবদী (নরসিংদী) প্রতিনিধিঃ

নরসিংদীর মাধবদীতে সেখেরচর বাজারে প্রতারণা করে দোকান ঘর লিখে নেওয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভগীরথপুর গ্রামের মোঃ শাহিন হোসেন ভূঁইয়া । আজ ২৬ এপ্রিল বেলা ১১টায় মাধবদী একটি কমিউনিটি সেন্টারে সাংবাদিকদের সাথে এই সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন আমার উকিল মেয়ের জামাতার প্রতারণার শিকার হয়ে তার উপযুক্ত বিচারের দাবীতে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। আপনারা ইতোমধ্যেই বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার উকিল মেয়ের জামাই শহিদুল্লাহ বাহার কর্তৃক প্রতারণার মাধ্যমে শেখেরচর বাজারের আমার পৈত্রিক সম্পত্তি লিখে নেওয়ার বিষয়টি জেনেছেন। সে মূলত আমাদের দোকানের ভাড়াটিয়া। সে দুইটি চুক্তির মাধ্যমে প্রথমে চার বছর এবং পরে সাত বছর মোট এগারো বছর আমার শেখেরচর বাজারের পৈত্রিক দোকান ঘর ভাড়া নিয়ে ভাড়াটিয়া হিসেবে ব্যাবসা চালিয়ে আসছেন । বিগত কয়েক বছর আগে আমার ছেলের ব্যবসার পুঁজির জন্য কিছু টাকার প্রয়োাজন হলে আমি আমার উকিল মেয়ের জামাই শহীদুল্লাহ বাহারের সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করি। পরে শহিদুল্লাহ আমাকে বলে আপনার তো ব্যাংকের সাথে লেনদেন নাই সেজন্য আপনাকে ব্যাংক লোন দিবেনা। আমার সাথে যেহেতু ব্যাংকের সাথে ভালো সম্পর্ক আছে আপনি যদি আমাকে আপনার দোকান ঘরের জমিটি পাওয়ার দেন তাহলে আমি আপনাকে ব্যাংক থেকে সহজেই ঋণ নিয়ে টাকাটা আপনাকে দিয়ে দিব। শুধুমাত্র ব্যাংক থেকে ঋণ তুলে দেওয়ার কথা বলে শেখেরচর মৌজাস্থিত ৬৭৬১ নং খতিয়ানে আর.এস-১৬০৮ নং দাগে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের আমার পৈত্রিক সম্পত্তির ১.৯৪ শতাংশ জমি পাওয়ার অব এটর্নি দলিলের মাধ্যমে লিখে নেয়। পরে দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও ব্যাংক থেকে ঋণ না দেওয়ায় ব্যাংকে বিষয়টি জানতে গিয়ে তার জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে বণিক সমিতি, বাজারের বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী ও স্থানীয়দের নিয়ে আমার জমি ফিরিয়ে দিতে একাধিকবার তাগাদা দিলেও সে জমি ফিরিয়ে না দিয়ে তালবাহানা শুরু করে। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে বহু দেনদরবার করেও মীমাংসা না হওয়ায় আমি আদালতের দ্বারস্থ হই। এরই ফাঁকে আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সে আমার জমি প্রথমে তার শ্যালক ও পরে তার স্ত্রী কূহিনুর আক্তারের নামে লিখে দেয়। বর্তমানে সে শেখেরচর বাজার বণিক সমিতির কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের যোগসাজশে আমার দোকান ঘর গুলো অবৈধভাবে দখল করে সেখান থেকে আমাকে উচ্ছেদ করার পায়তারা করছে।

তাই এব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ পূর্বক প্রতারক শহীদুল্লাহ বাহারকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শান্তি নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি।

 

মুহাম্মদ মুছা মিয়া
মাধবদী, নরসিংদী
মোবাইলঃ ০১৯১২-৪৮৫০৮৫