ঢাকা ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পাষন্ড দুই সন্তানের হাতে মার খেয়ে মায়ের ঠাই হলো মাদ্রাসায়

স্টাফ রিপোর্টার ঃ

ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগন্জ উপজেলার ২ নং কোষারানীগন্জ এর ঘুঘুয়া নামক গ্রামে মাকে মেরে ঘর থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে তারই জন্মদেয়া দুই সন্তানের বিরুদ্ধে ।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, প্রায় এক যুগ আগে স্বামী পানিয়া মুহাম্মদ পরপারে বাড়ি জমায়।স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকেই অতি কষ্টে দিন যাপন করে আসছেন সরেজা বেওয়া (৭০)।এরই ধারাবাহিকতায়
ঈদুল ফিতরের পরের দিন অনাহারে থাকা বৃদ্ধ মা ক্ষুধার্ত অবস্থায় তার সন্তানদের কাছে খাবার চাইতে গেলে তারই গর্ভে ধারণ করা দুই সন্তান শহিদুল ইসলাম (বড়) বেলাল হোসেন (ছোট) তাদের গর্ভধারিণী মাকে এলোপাথাড়ি কিল ঘুসি মার ডাং করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় অসুস্থ বৃদ্ধ মাকে পার্শ্ববর্তী মাদ্রাসায় অবস্থান নেয়।আজ তিনদিন যাবত অসহায় বৃদ্ধ মা মাদ্রাসায় অসহায় মানবতার জীবনযাপন করছেন বলে জানান স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা জানায় ১০ কাঠা জমি ছিল সেই জমি বড় ছেলে কে লিখে দেয়ার পর থেকেই দুই ভাইয়ের মধ্যে রেষারেষি লেগেই থাকে যার কারণে বারবার মার মুখী এবং শ্লীলতা হানির শিকার হতে হয় এই বৃদ্ধ মাকে। তার পাষণ্ড ছেলেরা এর আগেও দু তিনবার বৃদ্ধাকে মেরে ঘর থেকে বের করে দিয়েছেন বলে ক্ষোভ ও ঘৃণা প্রকাশ করেন।

এমন ঘটনা থেকে পরিত্রাণ পেতে স্থানীয়রা
বড় ছেলেঃ শহিদুল ইসলাম (কৃষক)
ছোটঃ বেলাল হোসেন( দলিল লেখক)
দুই ভাই এর উপযুক্ত শাস্তি দাবি করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি রাজনীতিবিদ উপজেলা প্রশাসন সহ সর্বস্তরের আইনি সহযোগিতা চেয়ে বিচার দাবি করেন। সেই সাথে বৃদ্ধ মায়ের যেন মাথা গোজার ঠাই টুকু ঠিক রেখে ভবিষ্যতে আর কখনো ছেলেদের হাতে লাঞ্ছিত হতে না হয় মার খেতে না হয় সে ব্যাপারে ঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে জেলা আওয়ামীঃ রাজনীতিতে বিভক্তি হওয়ার আশঙ্কা

পাষন্ড দুই সন্তানের হাতে মার খেয়ে মায়ের ঠাই হলো মাদ্রাসায়

আপডেট : ১০:৫৮:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার ঃ

ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগন্জ উপজেলার ২ নং কোষারানীগন্জ এর ঘুঘুয়া নামক গ্রামে মাকে মেরে ঘর থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে তারই জন্মদেয়া দুই সন্তানের বিরুদ্ধে ।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, প্রায় এক যুগ আগে স্বামী পানিয়া মুহাম্মদ পরপারে বাড়ি জমায়।স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকেই অতি কষ্টে দিন যাপন করে আসছেন সরেজা বেওয়া (৭০)।এরই ধারাবাহিকতায়
ঈদুল ফিতরের পরের দিন অনাহারে থাকা বৃদ্ধ মা ক্ষুধার্ত অবস্থায় তার সন্তানদের কাছে খাবার চাইতে গেলে তারই গর্ভে ধারণ করা দুই সন্তান শহিদুল ইসলাম (বড়) বেলাল হোসেন (ছোট) তাদের গর্ভধারিণী মাকে এলোপাথাড়ি কিল ঘুসি মার ডাং করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় অসুস্থ বৃদ্ধ মাকে পার্শ্ববর্তী মাদ্রাসায় অবস্থান নেয়।আজ তিনদিন যাবত অসহায় বৃদ্ধ মা মাদ্রাসায় অসহায় মানবতার জীবনযাপন করছেন বলে জানান স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা জানায় ১০ কাঠা জমি ছিল সেই জমি বড় ছেলে কে লিখে দেয়ার পর থেকেই দুই ভাইয়ের মধ্যে রেষারেষি লেগেই থাকে যার কারণে বারবার মার মুখী এবং শ্লীলতা হানির শিকার হতে হয় এই বৃদ্ধ মাকে। তার পাষণ্ড ছেলেরা এর আগেও দু তিনবার বৃদ্ধাকে মেরে ঘর থেকে বের করে দিয়েছেন বলে ক্ষোভ ও ঘৃণা প্রকাশ করেন।

এমন ঘটনা থেকে পরিত্রাণ পেতে স্থানীয়রা
বড় ছেলেঃ শহিদুল ইসলাম (কৃষক)
ছোটঃ বেলাল হোসেন( দলিল লেখক)
দুই ভাই এর উপযুক্ত শাস্তি দাবি করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি রাজনীতিবিদ উপজেলা প্রশাসন সহ সর্বস্তরের আইনি সহযোগিতা চেয়ে বিচার দাবি করেন। সেই সাথে বৃদ্ধ মায়ের যেন মাথা গোজার ঠাই টুকু ঠিক রেখে ভবিষ্যতে আর কখনো ছেলেদের হাতে লাঞ্ছিত হতে না হয় মার খেতে না হয় সে ব্যাপারে ঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।