ঢাকা ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মাধবদী পুরানচর ৩০ কেজি চালের বস্তায় ৫ কেজি কম,এমদাদুল হক ডিলারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

আর এ লায়ন সরকার নরসিংদী।

৩০ কেজি চালের বস্তায় ৫ কেজি কম,
ডিলারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ
ডিলার এমদাদুল হকের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ।

নরসিংদীর মাধবদী পাইকারচর পুরানচর বাজারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে এমদাদুল হক ডিলারের বিরুদ্ধে।
১৪ মার্চ খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার এমদাদুল হকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পাইকারচর ইউনিয়নের পুরানচর বাজারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় এমদাদুল হক ডিলার নিযুক্ত রয়েছেন। ডিলারদের অধীনে চলমান কর্মসূচিতে প্রায় ৭৭১ জনের চাউল বরাদ্দ দেওয়া হয়।

স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, এমদাদুল হক।
তিনি মধ্যরাতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির বস্তা খুলে ৫ কেজি চাল নামিয়ে রেখে তা পুনরায় সেলাই করে কার্ডধারীদের মাঝে বিতরণ করে আসছেন।
প্রতিটি কার্ডধারীকে ৩০ কেজি চালের একটি করে বস্তা দেওয়ার কথা রয়েছে।

কিন্তু দেওয়া হয় ২৫ কেজি ওজনের বস্তা।
কম দেওয়ার বিষয়টি বুঝতে পেরে কার্ডধারীরা চাল বিতরণে বাধা দেয়। প্রতি কেজি ১৫ টাকা দরে ৩০ কেজির দাম ৪৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে।
আর দেওয়া হচ্ছে ২৫ কেজি চাল।

এমন অভিযোগ আসেন নরসিংদী সদর উপজেলা পরিষদে, পরিষদ থেকে সঙ্গে সঙ্গে নরসিংদী খাদ্য অধিদপ্তরের টিসিএফ মোঃ আলমগীর হোসেন কে অভিযোগের ঘটনাটি জানান এবং টিসিএফ মোঃ আলমগীর হোসেন এর নির্দেশে একটি টিম পাঠান, ঘটনাস্থলে আসেন উপজেলা ফুড ইন্সপেক্টর গালিব ও ফুড ইন্সপেক্টর প্রদীপ বাবু।
তারা তদন্তে এসে ডিলার এমদাদুল হককে হাতে নাতে ধরে এবং তার স্ট্রোক খাতা ও ভুক্তভোগীদের মাস্টাররোল চেক করে তার গোডাউনে অতিরিক্ত ১৬ বস্তা ইনটেক চাউল পান এবং ভাঙ্গা চাউল পান ৪৭০ কেজি,,কার্ডধারীদের মধ্যে বাচ্চু মিয়া, স্বপ্না, জমিলা, তাহমিনা, তাজনিন বেগম ও সাজেদা বেগম সাংবাদিকদের অভিযোগ করে বলেন, ৩০ কেজি চালের বস্তা নিতে ডিলারকে ৪৫০ টাকা দেওয়া হয়।
ডিলার ৩০ কেজি ওজনের বস্তা না দিয়ে ২৫ কেজি ওজনের বস্তা দিয়েছেন। তারা এমন কর্মকাণ্ডের বিচার চান এই ভুক্তভোগীরা।

এ বিষয়ে ডিলার এমদাদুল হকের এর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে জানতে তার সাথে যোগাযোগ করতে পুরানচর বাজারে গেলে তাঁকে না পাওয়ার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। অভিযোগ কারীদের কিছু টাকা ফেরৎ দিতে চাইলে পরে তা দেননি বলেও জানান ভুক্তভোগীরা।

এ বিষয়ে নরসিংদী সদর ফুড ইন্সপেক্টর গালিব ও ফুড ইন্সপেক্টর প্রদীপ বাবু বলেন আমরা গিয়েছিলাম তদন্ত চলছে ডিলার এমদাদুলকে চিঠি পাঠানো হয়েছে অভিযোগ বিষয়ে জবাব দেওয়া জন্য।

এমদাদুল হকের বিরুদ্ধে আগেও এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে, গরীব অসহায় মানুষের হক নষ্ঠ কারী এমন ডিলারের লাইসেন্স বাতিল করে নতুন করে ডিলার দেওয়ার জন্য দাবি করেছেন অনেক কাডধারি ভুক্তভোগী লোকজন।

পাইকারচর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড বর্তমান মেম্বার
আলী হোসেন এর সাথে কথা বললে মেম্বার জানান সে প্রতিমাসে এ ধরনের অনিয়ম করেন অনেক ভুক্তভোগী কে মাল দেন না ও ৩০ কেজির জায়গায় ভুক্তভোগী কে ২৫ কেজি দেয়।

এই ব্যাপারে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা টিসিএফ মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন এর বক্তব্য নিতে অফিসে না পেয়ে মুঠোফোনে ফোন দিলে একাধিক বার ফোন করলেও রিসিভ না হওয়ায় বক্তব্য নেওয়া যায়নি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে জেলা আওয়ামীঃ রাজনীতিতে বিভক্তি হওয়ার আশঙ্কা

মাধবদী পুরানচর ৩০ কেজি চালের বস্তায় ৫ কেজি কম,এমদাদুল হক ডিলারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট : ০২:৪০:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪

আর এ লায়ন সরকার নরসিংদী।

৩০ কেজি চালের বস্তায় ৫ কেজি কম,
ডিলারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ
ডিলার এমদাদুল হকের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ।

নরসিংদীর মাধবদী পাইকারচর পুরানচর বাজারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে এমদাদুল হক ডিলারের বিরুদ্ধে।
১৪ মার্চ খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার এমদাদুল হকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পাইকারচর ইউনিয়নের পুরানচর বাজারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় এমদাদুল হক ডিলার নিযুক্ত রয়েছেন। ডিলারদের অধীনে চলমান কর্মসূচিতে প্রায় ৭৭১ জনের চাউল বরাদ্দ দেওয়া হয়।

স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, এমদাদুল হক।
তিনি মধ্যরাতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির বস্তা খুলে ৫ কেজি চাল নামিয়ে রেখে তা পুনরায় সেলাই করে কার্ডধারীদের মাঝে বিতরণ করে আসছেন।
প্রতিটি কার্ডধারীকে ৩০ কেজি চালের একটি করে বস্তা দেওয়ার কথা রয়েছে।

কিন্তু দেওয়া হয় ২৫ কেজি ওজনের বস্তা।
কম দেওয়ার বিষয়টি বুঝতে পেরে কার্ডধারীরা চাল বিতরণে বাধা দেয়। প্রতি কেজি ১৫ টাকা দরে ৩০ কেজির দাম ৪৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে।
আর দেওয়া হচ্ছে ২৫ কেজি চাল।

এমন অভিযোগ আসেন নরসিংদী সদর উপজেলা পরিষদে, পরিষদ থেকে সঙ্গে সঙ্গে নরসিংদী খাদ্য অধিদপ্তরের টিসিএফ মোঃ আলমগীর হোসেন কে অভিযোগের ঘটনাটি জানান এবং টিসিএফ মোঃ আলমগীর হোসেন এর নির্দেশে একটি টিম পাঠান, ঘটনাস্থলে আসেন উপজেলা ফুড ইন্সপেক্টর গালিব ও ফুড ইন্সপেক্টর প্রদীপ বাবু।
তারা তদন্তে এসে ডিলার এমদাদুল হককে হাতে নাতে ধরে এবং তার স্ট্রোক খাতা ও ভুক্তভোগীদের মাস্টাররোল চেক করে তার গোডাউনে অতিরিক্ত ১৬ বস্তা ইনটেক চাউল পান এবং ভাঙ্গা চাউল পান ৪৭০ কেজি,,কার্ডধারীদের মধ্যে বাচ্চু মিয়া, স্বপ্না, জমিলা, তাহমিনা, তাজনিন বেগম ও সাজেদা বেগম সাংবাদিকদের অভিযোগ করে বলেন, ৩০ কেজি চালের বস্তা নিতে ডিলারকে ৪৫০ টাকা দেওয়া হয়।
ডিলার ৩০ কেজি ওজনের বস্তা না দিয়ে ২৫ কেজি ওজনের বস্তা দিয়েছেন। তারা এমন কর্মকাণ্ডের বিচার চান এই ভুক্তভোগীরা।

এ বিষয়ে ডিলার এমদাদুল হকের এর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে জানতে তার সাথে যোগাযোগ করতে পুরানচর বাজারে গেলে তাঁকে না পাওয়ার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। অভিযোগ কারীদের কিছু টাকা ফেরৎ দিতে চাইলে পরে তা দেননি বলেও জানান ভুক্তভোগীরা।

এ বিষয়ে নরসিংদী সদর ফুড ইন্সপেক্টর গালিব ও ফুড ইন্সপেক্টর প্রদীপ বাবু বলেন আমরা গিয়েছিলাম তদন্ত চলছে ডিলার এমদাদুলকে চিঠি পাঠানো হয়েছে অভিযোগ বিষয়ে জবাব দেওয়া জন্য।

এমদাদুল হকের বিরুদ্ধে আগেও এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে, গরীব অসহায় মানুষের হক নষ্ঠ কারী এমন ডিলারের লাইসেন্স বাতিল করে নতুন করে ডিলার দেওয়ার জন্য দাবি করেছেন অনেক কাডধারি ভুক্তভোগী লোকজন।

পাইকারচর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড বর্তমান মেম্বার
আলী হোসেন এর সাথে কথা বললে মেম্বার জানান সে প্রতিমাসে এ ধরনের অনিয়ম করেন অনেক ভুক্তভোগী কে মাল দেন না ও ৩০ কেজির জায়গায় ভুক্তভোগী কে ২৫ কেজি দেয়।

এই ব্যাপারে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা টিসিএফ মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন এর বক্তব্য নিতে অফিসে না পেয়ে মুঠোফোনে ফোন দিলে একাধিক বার ফোন করলেও রিসিভ না হওয়ায় বক্তব্য নেওয়া যায়নি।