ঢাকা ০৭:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আটোয়ারীতে একই পদে জনবল থাকা সত্বেও নিয়োগ দিলেন প্রধান শিক্ষক

আটোয়ারী প্রতিনিধিঃ

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার তোড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে দুইটি পদে জনবল থাকা সত্বেও জোর পূর্বক নিয়োগ দিচ্ছেন প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটি। ওই বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী ও আয়া পদে কর্মরত দুই জন কর্মচারী থাকাবস্থায় অবসরে যাওয়ার এক মাস পূর্বে তড়িঘড়ি করে ওই একই পদে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

গত কয়েক মাস পূর্বে পর পর দুইবার নানা অনিয়ম ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করেছিল জেলা প্রশাসন। এর মধ্যে অফিস সহকারী পদে পশ্চিম তোড়িয়া নাওগজ গ্রামের সাকিব নামে একজনের কাছে ১৫ লক্ষ টাকা লেনদেন অভিযোগ উঠেছিল৷ তারই প্রেক্ষিতে একবার পরীক্ষা স্থগিত করেছিল জেলা প্রশাসন।

পরীক্ষা নেওয়ার পূর্বে প্রার্থীর নাম ঘোষণারও বিষয়টি জানা গেছে। স্থানীয়রা বলছেন, প্রধান শিক্ষকের চাকরির বয়স আর মাত্র এক মাস রয়েছে। আর যে দুটি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে সেই পদে দু’জন কর্মচারীর এখনো ৫/৬ বছর চাকরির মেয়াদ রয়েছে। এছাড়াও পরীক্ষা হওয়ার পূর্বেই অফিস সহকারী পদে সাকিব নামে একজন এবং আয়া পদে ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা মনসুরের স্ত্রীর নাম উঠে এসেছে৷

প্রধান শিক্ষকের চাকরি শেষ হওয়ার এই অন্তিম মূহুর্তে তড়িঘড়ি করে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যকর পরিবেশ তৈরি করেছে। জানা গেছে, দুই প্রার্থীর নিকট হতে বেশ মোটা অংকের আর্থিক লেনদেনের সিংহভাগই যাবে প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির পকেটে। এতে প্রতিষ্ঠানের কোন সার্থ নেই বলে জানান অনেকেই।

তাই এই অবৈধ নিয়োগ বন্ধ করে সুনাম ধন্য ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান ফিরিয়ে এনে, নিয়োগ বানিজ্য বন্ধ করার আহবান জানান এলাকাবাসী।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে জেলা আওয়ামীঃ রাজনীতিতে বিভক্তি হওয়ার আশঙ্কা

আটোয়ারীতে একই পদে জনবল থাকা সত্বেও নিয়োগ দিলেন প্রধান শিক্ষক

আপডেট : ০২:৪৬:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪

আটোয়ারী প্রতিনিধিঃ

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার তোড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে দুইটি পদে জনবল থাকা সত্বেও জোর পূর্বক নিয়োগ দিচ্ছেন প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটি। ওই বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী ও আয়া পদে কর্মরত দুই জন কর্মচারী থাকাবস্থায় অবসরে যাওয়ার এক মাস পূর্বে তড়িঘড়ি করে ওই একই পদে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

গত কয়েক মাস পূর্বে পর পর দুইবার নানা অনিয়ম ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করেছিল জেলা প্রশাসন। এর মধ্যে অফিস সহকারী পদে পশ্চিম তোড়িয়া নাওগজ গ্রামের সাকিব নামে একজনের কাছে ১৫ লক্ষ টাকা লেনদেন অভিযোগ উঠেছিল৷ তারই প্রেক্ষিতে একবার পরীক্ষা স্থগিত করেছিল জেলা প্রশাসন।

পরীক্ষা নেওয়ার পূর্বে প্রার্থীর নাম ঘোষণারও বিষয়টি জানা গেছে। স্থানীয়রা বলছেন, প্রধান শিক্ষকের চাকরির বয়স আর মাত্র এক মাস রয়েছে। আর যে দুটি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে সেই পদে দু’জন কর্মচারীর এখনো ৫/৬ বছর চাকরির মেয়াদ রয়েছে। এছাড়াও পরীক্ষা হওয়ার পূর্বেই অফিস সহকারী পদে সাকিব নামে একজন এবং আয়া পদে ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা মনসুরের স্ত্রীর নাম উঠে এসেছে৷

প্রধান শিক্ষকের চাকরি শেষ হওয়ার এই অন্তিম মূহুর্তে তড়িঘড়ি করে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যকর পরিবেশ তৈরি করেছে। জানা গেছে, দুই প্রার্থীর নিকট হতে বেশ মোটা অংকের আর্থিক লেনদেনের সিংহভাগই যাবে প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির পকেটে। এতে প্রতিষ্ঠানের কোন সার্থ নেই বলে জানান অনেকেই।

তাই এই অবৈধ নিয়োগ বন্ধ করে সুনাম ধন্য ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান ফিরিয়ে এনে, নিয়োগ বানিজ্য বন্ধ করার আহবান জানান এলাকাবাসী।