ঢাকা ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জনপ্রিয় কন্ঠ শিল্পী মুন নতুন চমক নিয়ে আসছে ইদুল ফিতরে মাহী ভিশনের ব্যানারে

মাহমুদ আহসান হাবিব: এক সময়ের জনপ্রিয় কন্ঠ শিল্পী মুন। কুমিল্লা জেলায় জম্ম হলেও শৈশব থেকে কৈশরী বয়সটা কাটে চট্টগ্রামে।ছোটবেলায় স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হবেন।কিন্তু গানকে ভালবেসে আট বছর বয়স থেকে শুরু করেন গান গাওয়া। স্কুলে লেখাপড়া করার সময়ে গানের প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন সময় অংশ নিতেন। ২০০৪ সালে প্রথম দয়ার সাগর নামে গানের অ্যালবাম প্রকাশ করেন। ২০০৬ সালে তকদিরে কেল্লা নামের গানের এ্যালবামটির মধ্য দিয়ে দর্শক জনপ্রিয়তায় আসেন কন্ঠ শিল্পী মুন।সংগীতের শুরুটা তার বিভিন্ন মাজার এবং অলি আউলিয়াদের নিয়ে গান গাওয়ার মধ্য দিয়ে শুরু করেন।তার মাজার ভিত্তিক গানগুলোর মধ্যে শাহজালাল বাবা, শাহ্ আলী বাবা, গনি শাহ্ নামের এ্যালবাম গুলো দর্শক জনপ্রিয়তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল।২০০৮ সালে তরঙ্গ ইলেকট্রনিক্স ক্যাসেট কোম্পানির প্রযোজনায় জ্বালা শিরোনামের এ্যালবামের মধ্য দিয়ে আধুনিক গানের আত্মপ্রকাশ ঘটে।আধুনিক গান গেয়ে দর্শক জনপ্রিয়তা ব্যাপক সারা ফেলেছিলেন মুন। একের পর এক আধুনিক গানের অ্যালবাম প্রকাশ হতে থাকে তার।রূপবান,তুফান,আগুন,নেশা,চাবিওয়ালা,ডিস্কো এ্যালবাম গুলো সিটি বাজারে দর্শকদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন।২০১২ সালে প্রথম বাংলা সিনেমার গানে কণ্ঠ দেন মুন।এ পর্যন্ত প্রায় ১০০ এর মত সিনেমার গানের কন্ঠ দিয়েছেন তিনি।মাই নেইম ইজ খান,হিরো দ্যা সুপারস্টার,খোদার পরে মা সময়ের জনপ্রিয় চলচ্চিত্রের গানগুলিতে কন্ঠ দিয়েছেন কণ্ঠশিল্পী মুন।সংগীত জগৎতের শুরুটা মাজার ভিত্তক গান দিয়ে শুরু করলেও আধুনিক গান গাওয়ার পর কেন মাজার ভিত্তিক গানে কন্ঠ দেন নি, সে বিষয়ে দৈনিক জনবানীকে সংগীতশিল্পী মুন জানিয়েছেন, ভিবিন্ন মাজার কমিটির লোক সেই সময় আমার প্রতি করেছিলেন বিরোধীতা।আমি নারী শিল্পী হওয়ায় তারা এই বিরোধীতা করেছেন বলে কারন উল্লেখ্য করেছিলেন।নারীরা মাজারের গান গাইতে পারবেন না বলে তারা প্রতিবাদ জানিয়েছিল।কিন্তু আমি বুঝতে পেরেছিলাম এটা আমার সাথে সেই সময় ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। আমার মাজার ভিত্তিক গানগুলো জনপ্রিয়তা অর্জন করায় অনেকে আমাকে প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করে আমার প্রতি সেই সময়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিল।আর তাই মাজার ভিত্তিক গান ইচ্ছে থাকলেও তখন আর গাওয়া হয়নি।বর্তমানের ব্যস্ততা এবং নতুন গানের বিষয়ে তিনি আরো জানান,স্যোসাল মিডিয়ায় নিয়মিত গান প্রকাশ করে যাচ্ছি।নিজের নামে করেছি ইউটিউব চ্যানেল।মুন সুর নামে ইউটিউব চ্যানেলটিতে নিয়মিত গান প্রচারের জন্য উদ্যোগ নিয়েছি। সময়ের সাথে নিজেকে তাল মিলিয়ে নিতে একটু সময় লেগে গিয়েছে তাই স্যোসাল মিডিয়াতে দীর্ঘদিন নতুন গান প্রচার হয়নি।এখন নিয়মিত ভিবিন্ন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের ব্যানারে গান গেয়ে যাচ্ছি।সম্প্রতি মাহী মিউজিক ভিশন নামের ইউটিউব চ্যানেলের ব্যানারে আসন্ন ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে মৌলিক গানে কন্ঠ দিয়েছি,আশা করি গান দুটির মধ্য দিয়ে মুনকে আবার সবার মনে পরবে।মাহী ভিশনের কর্ণধার মানিক কান জানান,এবারের ঈদে শিল্পী মুনের দুিটি গান থাকছে মাহী মিউজিক ভিশন থেকে।একটি মৌলিকগান এবং একটি দ্বৈত গান থাকছে।দ্বৈত গানে মুনের বিপরীতে কন্ঠ দিয়েছেন সময়ের জনপ্রিয় কন্ঠ শিল্পী রানা বাপ্পী এবং গান দুটি সংগীত আয়োজন করেছেন ডালিম ভাই আর সুর সংগীত করেছেন শ্রদ্দেয় মান্নান মোহাম্মদ।মুনের একক গানের গীত রচনা করেছেন রাসেল কবির ভাই।গান দুটির সুটিং পূবাইলের ভিবিন্ন লোকেশনে করা হবে কয়েক দিনের মধ্যেই।কন্ঠ শিল্পী মুনের আগামী দিনের স্বপ্ন ভালো কিছু গান দর্শকদের উপহার দেওয়া।গানের মধ্য দিয়ে যুগ যুগ ধরে দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়ার জন্য সর্ব যুগের সেরা গান গাইতে চাই।কন্ঠ শিল্পী মুন দেশ বিদেশে অংশগ্রহণ করেছেন অসংখ্য কনসার্টে।লাইভ কনসার্টে তার দর্শক জনপ্রিয়তাও আছে বেশ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

ঠাকুরগাঁওয়ে ভোটের মাঠের বীরযোদ্ধা অরুণাংশু দত্ত টিটো

জনপ্রিয় কন্ঠ শিল্পী মুন নতুন চমক নিয়ে আসছে ইদুল ফিতরে মাহী ভিশনের ব্যানারে

আপডেট : ১০:৩৫:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০২৪

মাহমুদ আহসান হাবিব: এক সময়ের জনপ্রিয় কন্ঠ শিল্পী মুন। কুমিল্লা জেলায় জম্ম হলেও শৈশব থেকে কৈশরী বয়সটা কাটে চট্টগ্রামে।ছোটবেলায় স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হবেন।কিন্তু গানকে ভালবেসে আট বছর বয়স থেকে শুরু করেন গান গাওয়া। স্কুলে লেখাপড়া করার সময়ে গানের প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন সময় অংশ নিতেন। ২০০৪ সালে প্রথম দয়ার সাগর নামে গানের অ্যালবাম প্রকাশ করেন। ২০০৬ সালে তকদিরে কেল্লা নামের গানের এ্যালবামটির মধ্য দিয়ে দর্শক জনপ্রিয়তায় আসেন কন্ঠ শিল্পী মুন।সংগীতের শুরুটা তার বিভিন্ন মাজার এবং অলি আউলিয়াদের নিয়ে গান গাওয়ার মধ্য দিয়ে শুরু করেন।তার মাজার ভিত্তিক গানগুলোর মধ্যে শাহজালাল বাবা, শাহ্ আলী বাবা, গনি শাহ্ নামের এ্যালবাম গুলো দর্শক জনপ্রিয়তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল।২০০৮ সালে তরঙ্গ ইলেকট্রনিক্স ক্যাসেট কোম্পানির প্রযোজনায় জ্বালা শিরোনামের এ্যালবামের মধ্য দিয়ে আধুনিক গানের আত্মপ্রকাশ ঘটে।আধুনিক গান গেয়ে দর্শক জনপ্রিয়তা ব্যাপক সারা ফেলেছিলেন মুন। একের পর এক আধুনিক গানের অ্যালবাম প্রকাশ হতে থাকে তার।রূপবান,তুফান,আগুন,নেশা,চাবিওয়ালা,ডিস্কো এ্যালবাম গুলো সিটি বাজারে দর্শকদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন।২০১২ সালে প্রথম বাংলা সিনেমার গানে কণ্ঠ দেন মুন।এ পর্যন্ত প্রায় ১০০ এর মত সিনেমার গানের কন্ঠ দিয়েছেন তিনি।মাই নেইম ইজ খান,হিরো দ্যা সুপারস্টার,খোদার পরে মা সময়ের জনপ্রিয় চলচ্চিত্রের গানগুলিতে কন্ঠ দিয়েছেন কণ্ঠশিল্পী মুন।সংগীত জগৎতের শুরুটা মাজার ভিত্তক গান দিয়ে শুরু করলেও আধুনিক গান গাওয়ার পর কেন মাজার ভিত্তিক গানে কন্ঠ দেন নি, সে বিষয়ে দৈনিক জনবানীকে সংগীতশিল্পী মুন জানিয়েছেন, ভিবিন্ন মাজার কমিটির লোক সেই সময় আমার প্রতি করেছিলেন বিরোধীতা।আমি নারী শিল্পী হওয়ায় তারা এই বিরোধীতা করেছেন বলে কারন উল্লেখ্য করেছিলেন।নারীরা মাজারের গান গাইতে পারবেন না বলে তারা প্রতিবাদ জানিয়েছিল।কিন্তু আমি বুঝতে পেরেছিলাম এটা আমার সাথে সেই সময় ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। আমার মাজার ভিত্তিক গানগুলো জনপ্রিয়তা অর্জন করায় অনেকে আমাকে প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করে আমার প্রতি সেই সময়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিল।আর তাই মাজার ভিত্তিক গান ইচ্ছে থাকলেও তখন আর গাওয়া হয়নি।বর্তমানের ব্যস্ততা এবং নতুন গানের বিষয়ে তিনি আরো জানান,স্যোসাল মিডিয়ায় নিয়মিত গান প্রকাশ করে যাচ্ছি।নিজের নামে করেছি ইউটিউব চ্যানেল।মুন সুর নামে ইউটিউব চ্যানেলটিতে নিয়মিত গান প্রচারের জন্য উদ্যোগ নিয়েছি। সময়ের সাথে নিজেকে তাল মিলিয়ে নিতে একটু সময় লেগে গিয়েছে তাই স্যোসাল মিডিয়াতে দীর্ঘদিন নতুন গান প্রচার হয়নি।এখন নিয়মিত ভিবিন্ন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের ব্যানারে গান গেয়ে যাচ্ছি।সম্প্রতি মাহী মিউজিক ভিশন নামের ইউটিউব চ্যানেলের ব্যানারে আসন্ন ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে মৌলিক গানে কন্ঠ দিয়েছি,আশা করি গান দুটির মধ্য দিয়ে মুনকে আবার সবার মনে পরবে।মাহী ভিশনের কর্ণধার মানিক কান জানান,এবারের ঈদে শিল্পী মুনের দুিটি গান থাকছে মাহী মিউজিক ভিশন থেকে।একটি মৌলিকগান এবং একটি দ্বৈত গান থাকছে।দ্বৈত গানে মুনের বিপরীতে কন্ঠ দিয়েছেন সময়ের জনপ্রিয় কন্ঠ শিল্পী রানা বাপ্পী এবং গান দুটি সংগীত আয়োজন করেছেন ডালিম ভাই আর সুর সংগীত করেছেন শ্রদ্দেয় মান্নান মোহাম্মদ।মুনের একক গানের গীত রচনা করেছেন রাসেল কবির ভাই।গান দুটির সুটিং পূবাইলের ভিবিন্ন লোকেশনে করা হবে কয়েক দিনের মধ্যেই।কন্ঠ শিল্পী মুনের আগামী দিনের স্বপ্ন ভালো কিছু গান দর্শকদের উপহার দেওয়া।গানের মধ্য দিয়ে যুগ যুগ ধরে দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়ার জন্য সর্ব যুগের সেরা গান গাইতে চাই।কন্ঠ শিল্পী মুন দেশ বিদেশে অংশগ্রহণ করেছেন অসংখ্য কনসার্টে।লাইভ কনসার্টে তার দর্শক জনপ্রিয়তাও আছে বেশ।