ঢাকা ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রাথমিক শিক্ষা পরিপন্থি সহকারী শিক্ষকদের রোষানলে সহকর্মী শিক্ষক

রাণীশংকৈল মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিজ সহকর্মী শিক্ষকদের রোষানলে সহকারী শিক্ষক ধীরেন্দ্র নাথ সহ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ।এর ফলে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়,
বাবুবিজয় কুমার এর রিটায়ারমেন্টের পরে বিদ্যালয়ের পরবর্তী প্রধান শিক্ষক যোগদান করলেই দেশ সেরা প্রাথমিক বিদ্যালয়টির সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পূর্ণ ভেঙ্গে পড়ে। শিক্ষার্থীদের নাইট কোচিংয়ে বাধ্যতামূলক কোন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ না করলে লাল টিসি দিয়ে বের করে দেওয়ার হুমকি সহ বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার শুরু করে। হাতে গুনা কয়েকজন দূরদূরান্তের অভিভাবক তাদের সন্তানদের এই বাধ্যতামূলক কোচিংয়ে দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে সেসব শিক্ষার্থীর উপর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহ কয়েকজন শিক্ষক শারীরিক মানসিক অত্যাচার শুরু করে। ভুক্তভোগী অভিভাবক গুলো তাদের শিশুদের নাইট কোচিংয়েঅংশগ্রহণ না করার মর্মে উপজেলা শিক্ষা অফিসে আবেদন দায়ের করেন। তৎকালীন বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক বিষয়টি অন্য দিকে ধাবিত করে সহকারী শিক্ষক ধীরেন্দ্রনাথ কে অন্যায় এবং অযৌক্তিকভাবে তাঁকে দায়ী করে, বিদ্যালয় থেকে সরানোর জন্য রেজুলেশন দেন। তৎকালীন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সঠিক তদন্তের মাধ্যমে বিষয়টি পরিষ্কার হলে রেহাই পান প্রাথমিক শিক্ষায় নিবেদিত প্রাণ সহকারী শিক্ষক ধীরেন্দ্রনাথ। কিন্তু এদিকে বিদ্যালয়ের সকল ব্যবস্থাপনা আরো ভেঙ্গে পড়ে তৎকালীন প্রধান শিক্ষকের পৃষ্ঠপোষকতায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক কালাম, আয়েশা, লাকীপারভীন, আশিফুজ্জামান, শামিমা, বদরুল, জিয়া স্কুল চলাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক বিদ্যালয়ের কক্ষেই সরকারি সম্পদ ব্যবহার করে,বিদ্যালয় এর কক্ষগুলোতেই চালাই রমরমা কোচিং ব্যবসা। স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগের ভিত্তিতে বিদ্যালয় হতে কোচিং সরে গেলেও এর দায় এসে পড়ে যত দোষ নন্দ ঘোষ সহকারী শিক্ষক ধীরেন্দ্রনাথের উপরে। বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ গুলোতে কোচিং ব্যবসা করা শিক্ষকগণ গড়ে তুলে শিক্ষকদের মধ্যেও দ্বন্দ্ব ও বিভেদ। এতেই ক্ষান্ত হননি তারা বিদ্যালয়ের অভিভাবক স্থানীয় রাজনীতিবিদ দের কে তারা তাদের মিথ্যা মায়ার জালে ফেলে বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে ও প্রাথমিক নীতিমালার সাথে সুসম্পৃক্ত সহকারী শিক্ষক ধীরেন্দ্রনাথ সহ ভারপ্রাপ্ত প্রঃশি সহ অন শিক্ষকের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেন। এরপর ঘটতে থাকে বিদ্যালয়ে বিভিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কে সহকারী শিক্ষক ধীরেন্দ্রনাথ তার নিজের উপাসনালয় মন্দির হিসেবে অন্তরে ধারণ করে প্রতিদিন ঠিক সময় মত বিদ্যালয় উপস্থিত হয়ে বিদ্যালয়ে এসেম্বলি থেকে শুরু করে শ্রেণি পাঠদান সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে করে থাকেন। মহান স্রষ্টা ও তার হাতে মানুষ হওয়া শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের সাক্ষী রেখে তিনি বলেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিটি শিশু তার নিজের সন্তান। প্রতিটি শিশুকে তিনি নিজের সন্তানের মত ভালবেসেই পাঠদান দিয়ে থাকেন। শ্রেণিপাঠদানে তিনি কখনো শিশুদের বিন্দু পরিমাণ ঠকান্ নি।গতকালও তিনি তৃতীয় পিরিয়ডে ১১:২০ মিনিটে পঞ্চম শ্রেণীর কুলিক শাখায় পাঠদানের জন্য যথারীতি শ্রেণীতে প্রবেশ মাত্রই শিক্ষার্থীদের সালাম দেন।শিক্ষার্থীরাও স্বভাব সুলভ ভাবে শিক্ষককে সম্মান জানানোর জন্য দাঁড়িয়ে যান। এটি চিরকাল শিক্ষক-শিক্ষার্থীর ভালোবাসা এবং সম্মান জানানোর একটি ব্যবস্থা । ৩ /৪ জন শিক্ষার্থী শ্রেণীতে শিক্ষকে তাচ্ছিল্য করে না দাড়িয়ে গল্প গুজবে মত্তথাকে। শিক্ষার্থীদের বসতে বলে শিক্ষক ধীরেন্দ্রনাথ সে তিনজন শিক্ষার্থীর সামনে গিয়ে তাদের না দাঁড়ানোর কারন জানতে চাইলে তারা কোন প্রতি উত্তর না করে হাসাহাসি করে।শিক্ষক মর্মাহত হয়েই পাঠদান করে ১২:১০ মিনিটে পাঠদান শেষে অন্য শ্রেণীতে পাঠদানের জন্য চলে যান। ৩শিক্ষার্থীর ১জন তাহসিন টিফিনে খেলতে পরে চোট পায়।তার চাচা মঞ্জুর, কিছু দিন আগে ঘটা স্কুলের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় প্রকাশ্যভাবে সহকারী শিক্ষক ধীরেন্দ্রনাথ সহ কয়েকজন শিক্ষককে বিদ্যালয় থেকে সরানোর জন্য হুমকি দেন।তার এই জিঘাংসা চরিতার্থে উক্ত শিক্ষকদের স্পষ্ট মদদে বলির পাঠা ধীরেন্দ্র নাথ কে করেছে, অভিযোগ শিক্ষক ধীরেন্দ্রনাথ তার ভাতিজা তাহসিনকে মেরে থুতনি এবং ঠোঁট ফাটিয়ে দিয়েছে। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান সহকারী শিক্ষক ধীরেন্দ্রনাথ ১২:১০ মিনিটে শ্রেনী পাঠদান শেষ করে। আমি বিকেল ৪:৩০পর্যন্ত বিদ্যালয়ে অবস্থান করছি। যদি ঘটনাটি ঘটে থাকতো তাহলে শিক্ষার্থী তাহসিন সহ অন্যান্য শিক্ষার্থীরা এসে আমাকে জানতো।আমি জানলাম রাত আটটায় তার চাচা মঞ্জুরুল এর ফোনের মাধ্যমে। একজন শিক্ষকের সম্মান নিয়ে এভাবে ছিনিমিনি খেলা কোন ভালো অভিভাবকের কাজ নয়। শিক্ষক ধীরেন্দ্রনাথের জন্য তিনি সবার দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করছেন।

উল্লেখ্য,রানীশংকৈল মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ধীরেন্দ্র নাথ শিক্ষাগত যোগ্যতা বিএসএস অনার্স এম এস এস।সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতায় অন্যান্য চাকুরির পিছনে না ছুটে কোমলমতি শিশুদের সুনাগরিক এবং ভালো মানুষ করার প্রত্যয়ে ২০০৬ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে জীবন শুরু করে গ্রামের মফস্বল রাতোর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। রানীশংকৈল মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব বিজয় কুমার স্যার তখন নতুন উদ্যমে মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কে ঢেলে সাজাচ্ছেন। তিনি একদিন ডেকে পাঠালেন শিক্ষক ধীরেন্দ্রনাথ কে বলেন মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় যোগদান করতে। বাবু বিজয় কুমারের সুনিপুন নেতৃত্বে মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২০০৯ খ্রিস্টাব্দে জাতীয় শ্রেষ্ঠ প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ২০১১ খ্রিস্টাব্দে উপস্থিতিতে জাতীয় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে। এই অর্জনে ধীরেন্দ্রনাথ স্যারের অসামান্য অবদান রয়েছে বলে বাবু বিজয় কুমার স্যার বিভিন্ন সময়ে স্বীকার করেছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

ঠাকুরগাঁওয়ে ভোটের মাঠের বীরযোদ্ধা অরুণাংশু দত্ত টিটো

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রাথমিক শিক্ষা পরিপন্থি সহকারী শিক্ষকদের রোষানলে সহকর্মী শিক্ষক

আপডেট : ১০:৪৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মার্চ ২০২৪

রাণীশংকৈল মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিজ সহকর্মী শিক্ষকদের রোষানলে সহকারী শিক্ষক ধীরেন্দ্র নাথ সহ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ।এর ফলে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়,
বাবুবিজয় কুমার এর রিটায়ারমেন্টের পরে বিদ্যালয়ের পরবর্তী প্রধান শিক্ষক যোগদান করলেই দেশ সেরা প্রাথমিক বিদ্যালয়টির সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পূর্ণ ভেঙ্গে পড়ে। শিক্ষার্থীদের নাইট কোচিংয়ে বাধ্যতামূলক কোন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ না করলে লাল টিসি দিয়ে বের করে দেওয়ার হুমকি সহ বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার শুরু করে। হাতে গুনা কয়েকজন দূরদূরান্তের অভিভাবক তাদের সন্তানদের এই বাধ্যতামূলক কোচিংয়ে দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে সেসব শিক্ষার্থীর উপর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহ কয়েকজন শিক্ষক শারীরিক মানসিক অত্যাচার শুরু করে। ভুক্তভোগী অভিভাবক গুলো তাদের শিশুদের নাইট কোচিংয়েঅংশগ্রহণ না করার মর্মে উপজেলা শিক্ষা অফিসে আবেদন দায়ের করেন। তৎকালীন বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক বিষয়টি অন্য দিকে ধাবিত করে সহকারী শিক্ষক ধীরেন্দ্রনাথ কে অন্যায় এবং অযৌক্তিকভাবে তাঁকে দায়ী করে, বিদ্যালয় থেকে সরানোর জন্য রেজুলেশন দেন। তৎকালীন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সঠিক তদন্তের মাধ্যমে বিষয়টি পরিষ্কার হলে রেহাই পান প্রাথমিক শিক্ষায় নিবেদিত প্রাণ সহকারী শিক্ষক ধীরেন্দ্রনাথ। কিন্তু এদিকে বিদ্যালয়ের সকল ব্যবস্থাপনা আরো ভেঙ্গে পড়ে তৎকালীন প্রধান শিক্ষকের পৃষ্ঠপোষকতায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক কালাম, আয়েশা, লাকীপারভীন, আশিফুজ্জামান, শামিমা, বদরুল, জিয়া স্কুল চলাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক বিদ্যালয়ের কক্ষেই সরকারি সম্পদ ব্যবহার করে,বিদ্যালয় এর কক্ষগুলোতেই চালাই রমরমা কোচিং ব্যবসা। স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগের ভিত্তিতে বিদ্যালয় হতে কোচিং সরে গেলেও এর দায় এসে পড়ে যত দোষ নন্দ ঘোষ সহকারী শিক্ষক ধীরেন্দ্রনাথের উপরে। বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ গুলোতে কোচিং ব্যবসা করা শিক্ষকগণ গড়ে তুলে শিক্ষকদের মধ্যেও দ্বন্দ্ব ও বিভেদ। এতেই ক্ষান্ত হননি তারা বিদ্যালয়ের অভিভাবক স্থানীয় রাজনীতিবিদ দের কে তারা তাদের মিথ্যা মায়ার জালে ফেলে বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে ও প্রাথমিক নীতিমালার সাথে সুসম্পৃক্ত সহকারী শিক্ষক ধীরেন্দ্রনাথ সহ ভারপ্রাপ্ত প্রঃশি সহ অন শিক্ষকের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেন। এরপর ঘটতে থাকে বিদ্যালয়ে বিভিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কে সহকারী শিক্ষক ধীরেন্দ্রনাথ তার নিজের উপাসনালয় মন্দির হিসেবে অন্তরে ধারণ করে প্রতিদিন ঠিক সময় মত বিদ্যালয় উপস্থিত হয়ে বিদ্যালয়ে এসেম্বলি থেকে শুরু করে শ্রেণি পাঠদান সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে করে থাকেন। মহান স্রষ্টা ও তার হাতে মানুষ হওয়া শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের সাক্ষী রেখে তিনি বলেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিটি শিশু তার নিজের সন্তান। প্রতিটি শিশুকে তিনি নিজের সন্তানের মত ভালবেসেই পাঠদান দিয়ে থাকেন। শ্রেণিপাঠদানে তিনি কখনো শিশুদের বিন্দু পরিমাণ ঠকান্ নি।গতকালও তিনি তৃতীয় পিরিয়ডে ১১:২০ মিনিটে পঞ্চম শ্রেণীর কুলিক শাখায় পাঠদানের জন্য যথারীতি শ্রেণীতে প্রবেশ মাত্রই শিক্ষার্থীদের সালাম দেন।শিক্ষার্থীরাও স্বভাব সুলভ ভাবে শিক্ষককে সম্মান জানানোর জন্য দাঁড়িয়ে যান। এটি চিরকাল শিক্ষক-শিক্ষার্থীর ভালোবাসা এবং সম্মান জানানোর একটি ব্যবস্থা । ৩ /৪ জন শিক্ষার্থী শ্রেণীতে শিক্ষকে তাচ্ছিল্য করে না দাড়িয়ে গল্প গুজবে মত্তথাকে। শিক্ষার্থীদের বসতে বলে শিক্ষক ধীরেন্দ্রনাথ সে তিনজন শিক্ষার্থীর সামনে গিয়ে তাদের না দাঁড়ানোর কারন জানতে চাইলে তারা কোন প্রতি উত্তর না করে হাসাহাসি করে।শিক্ষক মর্মাহত হয়েই পাঠদান করে ১২:১০ মিনিটে পাঠদান শেষে অন্য শ্রেণীতে পাঠদানের জন্য চলে যান। ৩শিক্ষার্থীর ১জন তাহসিন টিফিনে খেলতে পরে চোট পায়।তার চাচা মঞ্জুর, কিছু দিন আগে ঘটা স্কুলের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় প্রকাশ্যভাবে সহকারী শিক্ষক ধীরেন্দ্রনাথ সহ কয়েকজন শিক্ষককে বিদ্যালয় থেকে সরানোর জন্য হুমকি দেন।তার এই জিঘাংসা চরিতার্থে উক্ত শিক্ষকদের স্পষ্ট মদদে বলির পাঠা ধীরেন্দ্র নাথ কে করেছে, অভিযোগ শিক্ষক ধীরেন্দ্রনাথ তার ভাতিজা তাহসিনকে মেরে থুতনি এবং ঠোঁট ফাটিয়ে দিয়েছে। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান সহকারী শিক্ষক ধীরেন্দ্রনাথ ১২:১০ মিনিটে শ্রেনী পাঠদান শেষ করে। আমি বিকেল ৪:৩০পর্যন্ত বিদ্যালয়ে অবস্থান করছি। যদি ঘটনাটি ঘটে থাকতো তাহলে শিক্ষার্থী তাহসিন সহ অন্যান্য শিক্ষার্থীরা এসে আমাকে জানতো।আমি জানলাম রাত আটটায় তার চাচা মঞ্জুরুল এর ফোনের মাধ্যমে। একজন শিক্ষকের সম্মান নিয়ে এভাবে ছিনিমিনি খেলা কোন ভালো অভিভাবকের কাজ নয়। শিক্ষক ধীরেন্দ্রনাথের জন্য তিনি সবার দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করছেন।

উল্লেখ্য,রানীশংকৈল মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ধীরেন্দ্র নাথ শিক্ষাগত যোগ্যতা বিএসএস অনার্স এম এস এস।সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতায় অন্যান্য চাকুরির পিছনে না ছুটে কোমলমতি শিশুদের সুনাগরিক এবং ভালো মানুষ করার প্রত্যয়ে ২০০৬ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে জীবন শুরু করে গ্রামের মফস্বল রাতোর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। রানীশংকৈল মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব বিজয় কুমার স্যার তখন নতুন উদ্যমে মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কে ঢেলে সাজাচ্ছেন। তিনি একদিন ডেকে পাঠালেন শিক্ষক ধীরেন্দ্রনাথ কে বলেন মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় যোগদান করতে। বাবু বিজয় কুমারের সুনিপুন নেতৃত্বে মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২০০৯ খ্রিস্টাব্দে জাতীয় শ্রেষ্ঠ প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ২০১১ খ্রিস্টাব্দে উপস্থিতিতে জাতীয় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে। এই অর্জনে ধীরেন্দ্রনাথ স্যারের অসামান্য অবদান রয়েছে বলে বাবু বিজয় কুমার স্যার বিভিন্ন সময়ে স্বীকার করেছেন।