ঢাকা ০৭:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মুন্নি মেম্বার মাইনুদ্দিন অনিক গং বিকাশে ১২ কোটি টাকা প্রতারণা করে আত্মসাৎ টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

কামাল উদ্দিন সরকার ঃ

২২ শে ফেব্রুয়ারি নরসিংদীর সদর প্রেসক্লাবে  সদর উপজেলাধীন আলোক বালি ইউনিয়নের সাবেক  ৪/৫/৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মুন্নি আক্তার স্বামী মাঈন উদ্দিন ও তার ছেলে আশিকুর রহমান অনিক দীর্ঘদিন যাবত বিকাশের এজেন্ট হিসাবে ব্যবসা করছেন অনিক তার মা বাবার যোগসাজশে  দুর্গম চরাঞ্চলের প্রবাসী ,স্থানীয় ব্যবসায়ী রাজনীতি ব্যক্তিবর্গ দেরকে বোকা বানিয়ে অধিক মুনাফার লোভ দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা জামানত রাখেন এবং গ্রাহকদের কে মোটা অংকের মুনাফা দিবেন বলে আশ্বাস দেন তিন চার মাসে ১৫ ২০ কোটি টাকা কৌশলে আমানত গ্রহণ করে সম্পূর্ণ টাকা নিয়ে পালিয়ে দুবাই চলে যায়। এই ব্যাপারে সোহান আলী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করিলে মুন্নি ও তার স্বামী মাইনুদ্দিন গ্রেপ্তার হয় এ খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ভুক্তভোগীরা আলোক বালি  ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দিপুর কাছে এবং বিভিন্ন জনে প্রায় বারো কোটি টাকার হিসাব দেন । আলোক বালি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোমেন মিয়া ও তার ভাতিজি মানসুরা প্রায় দুই কোটি টাকা তার কাছে আমানত রাখে । মাইনুদ্দিন ও মুন্নি বেগমের কাছে মোমেন ও তার ভাতিজি টাকা চাইলে তারা একটি প্রভাবশালী মহল দিয়ে তাদেরকে বিভিন্ন বিভিন্ন ধামকি দেয় এবং বেশি বাড়াবাড়ি না করতে শাসন করেন । সাধারণ সম্পাদক মোমেন মিয়া ও তার ভাতিজি মানসুরা প্রায় দুই কোটি টাকা তার কাছে আমানত রাখে এই টাকা চাইতে গেলে তাদের আমানতের টাকা মাইনুদ্দিন ও মুন্নি বেগমের কাছে চাইলে তারা একটি প্রভাবশালী দিয়ে তাদেরকে বিভিন্ন হুমকি ধামকি দেয় এবং বেশি বাড়াবাড়ি না করতে বলে । তাদের পাওনা টাকা দেয় ও অপরাধীদের শাস্তির দাবিতে আজ ভুক্তভোগী মোমেন, শফিকুল, মামুন, সোহান নরসিংদী সদর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন । বক্তব্য রাখেন আলোক বালি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ভুক্তভোগী মোমেন ,সোহান ,শফিকুল, মামুন । মোমেন বলেন আমি বিশ্বাস করে মুন্নি মেম্বার ও মাইনুদ্দিনের অনিককে এক কোটি ২৫ লক্ষ টাকা আমার ভাতিজি দেয় ৫০ লক্ষ টাকা আমরা তাকে দেই । টাকার জন্য চাপ দিলে মুন্নির বাড়ির দলিল ভোটার আইডি এবং অন্যান্য কাগজপত্র দিয়ে আমার অফিসে আমার সাথে মীমাংসা করতে আসে কিন্তু একটি কুচুক্তি মহল এর ইঙ্গিতে মুন্নী ও মাইনুদ্দীকে আমার আওয়ামী লীগের কার্যালয় থেকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় সদর থানা পুলিশ এবং তাদেরকে প্রেরণ করে । মুন্নির হুমায়ুন উদ্দিনের নরসিংদী শহরে তিন-চারটি বাড়ি আছে এবং নামে বেনামে কোটি কোটি টাকা ব্যাংকে করছে আমি আওয়ামী লীগের নেতা হিসেবে আমার চলাঞ্চলের সকল বক্তব্য বিদ্যে থাকাসহ ফেরত চাই এবং মুন্নি ও তার ছেলে এবং জামাইয়ের বিচার দাবি করছি আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি । এবং বিকাশের মাধ্যমে যেন কেউ প্রতারিত না হয় আমি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি
সোহাগ বলেন অধিক মুলাফা দেওয়ার কথা বলে আমার মত শত মানুষের কাছ থেকে প্রায় ১৫/ ২০ কোটি টাকা আমানত গ্রহণ করে মুন্নি মাইনুদ্দিন অনেক গং আমানতের সকল টাকা আত্মসাৎ করে আশিকুর রহমান অনিক দুবাই পালিয়ে গেছে আমি তার বিচার চাই। নরসিংদীতে তাদের তিনটি বাড়ি রয়েছ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করছি তাদের সকল বাড়ি বিক্রি করে সকল গ্রাহকের টাকা পরিশোধ করার জন্য । আমি প্রশাসনের দৃষ্টি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে জেলা আওয়ামীঃ রাজনীতিতে বিভক্তি হওয়ার আশঙ্কা

মুন্নি মেম্বার মাইনুদ্দিন অনিক গং বিকাশে ১২ কোটি টাকা প্রতারণা করে আত্মসাৎ টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট : ০৮:২৩:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

কামাল উদ্দিন সরকার ঃ

২২ শে ফেব্রুয়ারি নরসিংদীর সদর প্রেসক্লাবে  সদর উপজেলাধীন আলোক বালি ইউনিয়নের সাবেক  ৪/৫/৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মুন্নি আক্তার স্বামী মাঈন উদ্দিন ও তার ছেলে আশিকুর রহমান অনিক দীর্ঘদিন যাবত বিকাশের এজেন্ট হিসাবে ব্যবসা করছেন অনিক তার মা বাবার যোগসাজশে  দুর্গম চরাঞ্চলের প্রবাসী ,স্থানীয় ব্যবসায়ী রাজনীতি ব্যক্তিবর্গ দেরকে বোকা বানিয়ে অধিক মুনাফার লোভ দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা জামানত রাখেন এবং গ্রাহকদের কে মোটা অংকের মুনাফা দিবেন বলে আশ্বাস দেন তিন চার মাসে ১৫ ২০ কোটি টাকা কৌশলে আমানত গ্রহণ করে সম্পূর্ণ টাকা নিয়ে পালিয়ে দুবাই চলে যায়। এই ব্যাপারে সোহান আলী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করিলে মুন্নি ও তার স্বামী মাইনুদ্দিন গ্রেপ্তার হয় এ খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ভুক্তভোগীরা আলোক বালি  ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দিপুর কাছে এবং বিভিন্ন জনে প্রায় বারো কোটি টাকার হিসাব দেন । আলোক বালি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোমেন মিয়া ও তার ভাতিজি মানসুরা প্রায় দুই কোটি টাকা তার কাছে আমানত রাখে । মাইনুদ্দিন ও মুন্নি বেগমের কাছে মোমেন ও তার ভাতিজি টাকা চাইলে তারা একটি প্রভাবশালী মহল দিয়ে তাদেরকে বিভিন্ন বিভিন্ন ধামকি দেয় এবং বেশি বাড়াবাড়ি না করতে শাসন করেন । সাধারণ সম্পাদক মোমেন মিয়া ও তার ভাতিজি মানসুরা প্রায় দুই কোটি টাকা তার কাছে আমানত রাখে এই টাকা চাইতে গেলে তাদের আমানতের টাকা মাইনুদ্দিন ও মুন্নি বেগমের কাছে চাইলে তারা একটি প্রভাবশালী দিয়ে তাদেরকে বিভিন্ন হুমকি ধামকি দেয় এবং বেশি বাড়াবাড়ি না করতে বলে । তাদের পাওনা টাকা দেয় ও অপরাধীদের শাস্তির দাবিতে আজ ভুক্তভোগী মোমেন, শফিকুল, মামুন, সোহান নরসিংদী সদর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন । বক্তব্য রাখেন আলোক বালি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ভুক্তভোগী মোমেন ,সোহান ,শফিকুল, মামুন । মোমেন বলেন আমি বিশ্বাস করে মুন্নি মেম্বার ও মাইনুদ্দিনের অনিককে এক কোটি ২৫ লক্ষ টাকা আমার ভাতিজি দেয় ৫০ লক্ষ টাকা আমরা তাকে দেই । টাকার জন্য চাপ দিলে মুন্নির বাড়ির দলিল ভোটার আইডি এবং অন্যান্য কাগজপত্র দিয়ে আমার অফিসে আমার সাথে মীমাংসা করতে আসে কিন্তু একটি কুচুক্তি মহল এর ইঙ্গিতে মুন্নী ও মাইনুদ্দীকে আমার আওয়ামী লীগের কার্যালয় থেকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় সদর থানা পুলিশ এবং তাদেরকে প্রেরণ করে । মুন্নির হুমায়ুন উদ্দিনের নরসিংদী শহরে তিন-চারটি বাড়ি আছে এবং নামে বেনামে কোটি কোটি টাকা ব্যাংকে করছে আমি আওয়ামী লীগের নেতা হিসেবে আমার চলাঞ্চলের সকল বক্তব্য বিদ্যে থাকাসহ ফেরত চাই এবং মুন্নি ও তার ছেলে এবং জামাইয়ের বিচার দাবি করছি আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি । এবং বিকাশের মাধ্যমে যেন কেউ প্রতারিত না হয় আমি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি
সোহাগ বলেন অধিক মুলাফা দেওয়ার কথা বলে আমার মত শত মানুষের কাছ থেকে প্রায় ১৫/ ২০ কোটি টাকা আমানত গ্রহণ করে মুন্নি মাইনুদ্দিন অনেক গং আমানতের সকল টাকা আত্মসাৎ করে আশিকুর রহমান অনিক দুবাই পালিয়ে গেছে আমি তার বিচার চাই। নরসিংদীতে তাদের তিনটি বাড়ি রয়েছ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করছি তাদের সকল বাড়ি বিক্রি করে সকল গ্রাহকের টাকা পরিশোধ করার জন্য । আমি প্রশাসনের দৃষ্টি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ।