ঢাকা ০৯:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ৭ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পঞ্চগড়ে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীকে নিয়ে যড়যন্ত্র

পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ

পঞ্চগড়ে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীকে নিয়ে যড়যন্ত্রের অভিযোগ করেছেন পরিবার।
দৈনিক কালবেলায় প্রকাশিত মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম নুরুর স্ত্রী
রেজিয়া ইসলামকে রাজাকারের সন্তান হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে। এ সংবাদের কোন ভিত্তি নেই,মিথ্যা বানোয়াট,এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন,রেজিয়া ইসলামের ছেলে মো.আনোয়ার সাদাত সম্রাট। তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকও।

তিনি বলেন,আমার মা রেজিয়া ইসলাম ১৯৯৭ সালে পঞ্চগড় জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ২০০৭ সালে তিনি পঞ্চগড় জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হয়ে এখন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করছেন।
মুক্তিযুদ্ধের কোন তালিকাতেই রেজিয়া ইসলামের বাবা মরহুম আলহাজ্ব খামিরউদ্দীন প্রধান রাজাকারের তালিকায় নেই।মুক্তিযুদ্ধে পঞ্চগড় বইটি পড়ুন রাজাকারের তালিকাটি পাবেন।

রেজিয়া ইসলাম সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য মনোনীত প্রার্থী।এর আগে কখনো কেউ এ কথা তুলার চেষ্টাও করেননি।এটা যে ষড়যন্ত্র এটা স্পষ্ট।ঠিক মনোনয়ন বাছাই চলছে আজকে সম্পন্ন হল তার আগেই ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার জন্যই ষড়যন্ত্র করে এ সংবাদটি প্রকাশ করানো হয়েছে।

তিনি আরো বলেন,আমাদের বাসা থেকেও পঞ্চগড় আওয়ামীলীগের অনেক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়েছিল।ষড়যন্ত্র যারা করছে তারা চায় কিভাবে এ পরিবারটিকে আওয়ামীলীগের মুলধারা থেকে সরিয়ে দিতে পারলে তারা আরো লাভবান হবে।আমরা মনে করছি ষড়যন্ত্র করে কোন লাভ হবে না।সবাই বুঝে গেছে জনগণ আমাদের এবং আমার মায়ের সাথে আছে,থাকবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

ঠাকুরগাঁওয়ে ৫ লাখ টাকা কুড়িয়ে পেয়ে মাইকিং করে ভাইরাল হওয়া সৌরভ গ্রেফতার

পঞ্চগড়ে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীকে নিয়ে যড়যন্ত্র

আপডেট : ০৬:২৩:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ

পঞ্চগড়ে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীকে নিয়ে যড়যন্ত্রের অভিযোগ করেছেন পরিবার।
দৈনিক কালবেলায় প্রকাশিত মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম নুরুর স্ত্রী
রেজিয়া ইসলামকে রাজাকারের সন্তান হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে। এ সংবাদের কোন ভিত্তি নেই,মিথ্যা বানোয়াট,এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন,রেজিয়া ইসলামের ছেলে মো.আনোয়ার সাদাত সম্রাট। তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকও।

তিনি বলেন,আমার মা রেজিয়া ইসলাম ১৯৯৭ সালে পঞ্চগড় জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ২০০৭ সালে তিনি পঞ্চগড় জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হয়ে এখন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করছেন।
মুক্তিযুদ্ধের কোন তালিকাতেই রেজিয়া ইসলামের বাবা মরহুম আলহাজ্ব খামিরউদ্দীন প্রধান রাজাকারের তালিকায় নেই।মুক্তিযুদ্ধে পঞ্চগড় বইটি পড়ুন রাজাকারের তালিকাটি পাবেন।

রেজিয়া ইসলাম সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য মনোনীত প্রার্থী।এর আগে কখনো কেউ এ কথা তুলার চেষ্টাও করেননি।এটা যে ষড়যন্ত্র এটা স্পষ্ট।ঠিক মনোনয়ন বাছাই চলছে আজকে সম্পন্ন হল তার আগেই ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার জন্যই ষড়যন্ত্র করে এ সংবাদটি প্রকাশ করানো হয়েছে।

তিনি আরো বলেন,আমাদের বাসা থেকেও পঞ্চগড় আওয়ামীলীগের অনেক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়েছিল।ষড়যন্ত্র যারা করছে তারা চায় কিভাবে এ পরিবারটিকে আওয়ামীলীগের মুলধারা থেকে সরিয়ে দিতে পারলে তারা আরো লাভবান হবে।আমরা মনে করছি ষড়যন্ত্র করে কোন লাভ হবে না।সবাই বুঝে গেছে জনগণ আমাদের এবং আমার মায়ের সাথে আছে,থাকবে।