ঢাকা ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিএনপি-জামায়াত আমলে গোন্ডেন হ্যান্ডশেখের মাধ্যমে রেলকে স্থবির করে দিয়েছিল- রেলপথমন্ত্রী

শমিত জামান বিশেষ প্রতিনিধি

রেলপথমন্ত্রী, বীর-মুক্তিযোদ্ধা জিল্লুল হাকিম বলেছেন, বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে গোল্ডেন হ্যান্ডশেখের মাধ্যমে রেলকে একেবারে স্থবির করে দিয়েছিল। আমাদের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা সেখান থেকে রেলকে টেনে তুলে রেলমন্ত্রনালয়কে পুনরুজ্জীবিত করেছে।
বিএনপি আমলে চাকুরিচ্যুত করে জনবলের সংকট সৃষ্টি করা হয়। যা এখনো অব্যাহত রয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত লোক নিয়োগ করে রেলপথ মন্ত্রণালয়কে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা। ১৮ ফেব্রæয়ারি, রবিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে ঈশ্বরদী শহরের ফতেমোহাম্মদপুরে বাংলাদেশ রেলওয়ে ডিজেল লোকোমোটিভ রানিং সেড পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় রেলপথ মন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম এসব কথা বলেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বর্তমান সরকারের রেলমন্ত্রী হিসাবে এটিই প্রথম তাঁর ঈশ্বরদী রেলওয়ে কারখানা পরিদর্শন।
এর আগে গত শনিবার রাতে পাকশীতে এসে রাত্রিযাপন করেন। এরপর গতকাল রবিবার দুপুর সোয়া ১১টার দিকে তিনি ঈশ্বরদী শহরের ফতেমোহাম্মদপুর এলাকায় রেলওয়ে ‘ডিজেল লোকোমোটিভ রানিং সেড’ পরিদর্শনে আসেন। সেখানে পৌঁছালে বিভাগীয় রেল কর্মকর্তা, যান্ত্রিক প্রকৌশলী শাখার কর্মকর্তারা ফুল দিয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানান। মন্ত্রী এ সময় লোকোসেডের কয়েকটি ডকইয়ার্ডসহ বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। লোকসেডের আধুনিকায়নে যে সকল সমস্যা রয়েছে সেগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মোতাবেক রেল মন্ত্রণালয়কে স্মার্ট ও সেবামুখি প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। রেলের সম্প্রসারণ, আধুনিকায়ন এবং জনগণের কাছে সবচেয়ে সস্তা পরিবহণ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে।

লোকোসেড পরিদর্শন করে মন্ত্রী পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে সদর দপ্তরে বিভাগীয় প্রধানদের নিয়ে বৈঠক করেন। বৈঠকে পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনের সংসদ সদস্য গালিবুর রহমান শরীফসহ রেলের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে রেলপথ মন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম পাকশী রেলের যত অবৈধ স্থাপনা দোকানপাট পরিত্যক্ত বাসাবাড়ি রয়েছে সেগুলো অবিলম্বে উচ্ছেদের পদক্ষেপ গ্রহণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।

বৈঠকে রেল সচিব ড. মো. হুমায়ুন কবীর অবৈধ স্থাপনা দোকানপাট ও বাসা বাড়ির তালিকা দ্রুততার সাথে রেলপথ মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়ার কথা বলেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রেল সচিব ড. মো. হুমায়ুন কবীর, রেলওয়ের মহাপরিচালক কামরুল হাসান, অতিরিক্ত মহাপরিচালক পার্থ সরকার, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক অসীম কুমার তালুকদার, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী পশ্চিমাঞ্চলের চীফ কমান্ডেন্ট মো. আশাবুল ইসলাম, পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক শাহ সুফী নুর মোহাম্মদ, বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলী মমতাজুল ইসলাম, ঈশ্বরদী ডিজেল লোকোমোটিভ রানিং সেডের উর্ধ্বতন উপসহকারী (ইনচার্জ) মো. শাকের জামালসহ রেলওয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে জেলা আওয়ামীঃ রাজনীতিতে বিভক্তি হওয়ার আশঙ্কা

বিএনপি-জামায়াত আমলে গোন্ডেন হ্যান্ডশেখের মাধ্যমে রেলকে স্থবির করে দিয়েছিল- রেলপথমন্ত্রী

আপডেট : ১২:০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

শমিত জামান বিশেষ প্রতিনিধি

রেলপথমন্ত্রী, বীর-মুক্তিযোদ্ধা জিল্লুল হাকিম বলেছেন, বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে গোল্ডেন হ্যান্ডশেখের মাধ্যমে রেলকে একেবারে স্থবির করে দিয়েছিল। আমাদের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা সেখান থেকে রেলকে টেনে তুলে রেলমন্ত্রনালয়কে পুনরুজ্জীবিত করেছে।
বিএনপি আমলে চাকুরিচ্যুত করে জনবলের সংকট সৃষ্টি করা হয়। যা এখনো অব্যাহত রয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত লোক নিয়োগ করে রেলপথ মন্ত্রণালয়কে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা। ১৮ ফেব্রæয়ারি, রবিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে ঈশ্বরদী শহরের ফতেমোহাম্মদপুরে বাংলাদেশ রেলওয়ে ডিজেল লোকোমোটিভ রানিং সেড পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় রেলপথ মন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম এসব কথা বলেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বর্তমান সরকারের রেলমন্ত্রী হিসাবে এটিই প্রথম তাঁর ঈশ্বরদী রেলওয়ে কারখানা পরিদর্শন।
এর আগে গত শনিবার রাতে পাকশীতে এসে রাত্রিযাপন করেন। এরপর গতকাল রবিবার দুপুর সোয়া ১১টার দিকে তিনি ঈশ্বরদী শহরের ফতেমোহাম্মদপুর এলাকায় রেলওয়ে ‘ডিজেল লোকোমোটিভ রানিং সেড’ পরিদর্শনে আসেন। সেখানে পৌঁছালে বিভাগীয় রেল কর্মকর্তা, যান্ত্রিক প্রকৌশলী শাখার কর্মকর্তারা ফুল দিয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানান। মন্ত্রী এ সময় লোকোসেডের কয়েকটি ডকইয়ার্ডসহ বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। লোকসেডের আধুনিকায়নে যে সকল সমস্যা রয়েছে সেগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মোতাবেক রেল মন্ত্রণালয়কে স্মার্ট ও সেবামুখি প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। রেলের সম্প্রসারণ, আধুনিকায়ন এবং জনগণের কাছে সবচেয়ে সস্তা পরিবহণ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে।

লোকোসেড পরিদর্শন করে মন্ত্রী পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে সদর দপ্তরে বিভাগীয় প্রধানদের নিয়ে বৈঠক করেন। বৈঠকে পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনের সংসদ সদস্য গালিবুর রহমান শরীফসহ রেলের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে রেলপথ মন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম পাকশী রেলের যত অবৈধ স্থাপনা দোকানপাট পরিত্যক্ত বাসাবাড়ি রয়েছে সেগুলো অবিলম্বে উচ্ছেদের পদক্ষেপ গ্রহণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।

বৈঠকে রেল সচিব ড. মো. হুমায়ুন কবীর অবৈধ স্থাপনা দোকানপাট ও বাসা বাড়ির তালিকা দ্রুততার সাথে রেলপথ মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়ার কথা বলেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রেল সচিব ড. মো. হুমায়ুন কবীর, রেলওয়ের মহাপরিচালক কামরুল হাসান, অতিরিক্ত মহাপরিচালক পার্থ সরকার, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক অসীম কুমার তালুকদার, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী পশ্চিমাঞ্চলের চীফ কমান্ডেন্ট মো. আশাবুল ইসলাম, পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক শাহ সুফী নুর মোহাম্মদ, বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলী মমতাজুল ইসলাম, ঈশ্বরদী ডিজেল লোকোমোটিভ রানিং সেডের উর্ধ্বতন উপসহকারী (ইনচার্জ) মো. শাকের জামালসহ রেলওয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।