০৩:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভাগ্নীকে বিয়ে করার দায়ে মেঘনায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

মেঘনা, কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ

মেঘনা উপজেলায় প্রথম স্ত্রী ও দুই সন্তান থাকা অবস্থায় দুঃসম্পর্কের ভাগ্নীকে বিয়ে করার অভিযোগে দায়ের করা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় যুবদল নেতা আরিফ প্রধানকে (৩৮)  গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার হওয়া আরিফ প্রধান উপজেলার চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের টিটিরচর গ্রামের বাসিন্দা আলাউদ্দিন মিয়ার ছেলে। তিনি উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও চালিভাঙ্গা ইউনিয়ন যুবদলের সদস্যসচিব।

শনিবার (২৫ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গোবিন্দপুর ইউনিয়নের থানা রোডসংলগ্ন ছোয়ানির মোড়ে ব্যক্তিগত কাজে অবস্থানকালে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আরিফ প্রধান প্রথম স্ত্রী ও দুই সন্তান থাকা অবস্থায় সম্পর্কে ভাগ্নী হওয়া প্রতিবেশী চাচাতো বোনের মেয়েকে বিয়ে করেন। পরে এ ঘটনায় তাঁর প্রথম স্ত্রী মোসা. লিজা আক্তার কুমিল্লার আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় আদালত থেকে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়।

মেঘনা থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম গনমাধ্যমকে বলেন, “প্রথম স্ত্রীর দায়ের করা মামলার পর আদালত থেকে আরিফ প্রধানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। সেই পরোয়ানার ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাঁকে কুমিল্লার আদালতে পাঠানো হয়েছে।”

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

ভাগ্নীকে বিয়ে করার দায়ে মেঘনায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

ভাগ্নীকে বিয়ে করার দায়ে মেঘনায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

আপডেট : ০৫:৫১:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

মেঘনা, কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ

মেঘনা উপজেলায় প্রথম স্ত্রী ও দুই সন্তান থাকা অবস্থায় দুঃসম্পর্কের ভাগ্নীকে বিয়ে করার অভিযোগে দায়ের করা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় যুবদল নেতা আরিফ প্রধানকে (৩৮)  গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার হওয়া আরিফ প্রধান উপজেলার চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের টিটিরচর গ্রামের বাসিন্দা আলাউদ্দিন মিয়ার ছেলে। তিনি উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও চালিভাঙ্গা ইউনিয়ন যুবদলের সদস্যসচিব।

শনিবার (২৫ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গোবিন্দপুর ইউনিয়নের থানা রোডসংলগ্ন ছোয়ানির মোড়ে ব্যক্তিগত কাজে অবস্থানকালে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আরিফ প্রধান প্রথম স্ত্রী ও দুই সন্তান থাকা অবস্থায় সম্পর্কে ভাগ্নী হওয়া প্রতিবেশী চাচাতো বোনের মেয়েকে বিয়ে করেন। পরে এ ঘটনায় তাঁর প্রথম স্ত্রী মোসা. লিজা আক্তার কুমিল্লার আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় আদালত থেকে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়।

মেঘনা থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম গনমাধ্যমকে বলেন, “প্রথম স্ত্রীর দায়ের করা মামলার পর আদালত থেকে আরিফ প্রধানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। সেই পরোয়ানার ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাঁকে কুমিল্লার আদালতে পাঠানো হয়েছে।”