ঢাকা ০৫:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার আনিসুরের এ বেনামে ৫টি অ্যাম্বুলেন্স সহ রয়েছে সম্পদের পাহাড়

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি :

উত্তর অঞ্চলের শেষের জেলা ঠাকুরগাঁয়ে রয়েছে সর্দ্য নুতুন ভবনে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ঠ জেনারেল হাসপাতাল।অন্য দিকে আধুনিক সদর হাসপাতালে দির্ঘ ১৫ বছর থেকে সরকারি এম্বুলেন্সের ড্রাইভার হিসেবে কর্মরত আছেন আনিসুর রহমান নামে একই ব্যক্তি। আনিসুর রহমানের গ্রামের বাড়ি দিনাজপুর জেলায় চাম্পাতলি গ্রামে। বাবা-মায়ের ৫ সন্তানের মধ্যে আনিসুর রহমান ২য়। জীবন জীবিকার শুরুতেই আনিসুর রহমান মাইক্রোবাসের হেলপার হিসেবে নিযুক্ত হন দিনাজপুর হাসপাতালের সামনে থাকা মাইক্রো-স্টানে।সেখান থেকে শুরু গাড়ির স্টার্টিং ধরা। বেশ কয়েক বছর মাইক্রোবাস চালানোর পর দিনাজপুর হাসপাতালে ডাঃ ও কর্তা বাবুদের নজরে আসার জন্য শুরু করেন ডাঃ বাবুদের গাড়ি চালানো। উল্লেখ্য: আনিসুর রহমান কর্ম জীবনে ছিলেন অতি ধূরন্ধর ও চালাক । বাবার কিছু আবাদি জমি বিক্রি করে সরকারি ড্রাইভার হিসাবে চাকরি নেন ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে। তখন থেকে এই ড্রাইভারকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। আনিসুর রহমান এম্বুলেন্স চালান দীর্ঘদিন ধরে তাই হাসপাতালে ডাঃ ও কর্তা বাবুদের বিশ্বাস রয়েছে তার প্রতি। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তিনি শুরু করেছেন একাধিক রোগী পরিবহন সেক্টরে এম্বুলেন্স এর ব্যবসা যার বর্তমান সংখ্যা (৫) পাঁচটি । (৫) পাঁচটি অ্যাম্বুলেন্সে দিনরাত ব্যবসা করছেন দুই ভাই মিলে। তাদের রয়েছে এম্বুলেন্সের একাধিক ড্রাইভার সোহাগ এর গাড়ীর নং ঢাকা মেট্রো মেট্রো ছ ৭১-০০৫৭.ইব্রাহিম ঢাকা মেট্রো ছ ৭১-০৯৪০, ড্রাইভার বাবু ঢাকা মেট্রো চ ০২-৩৬৩৩,বড় ভাই আলতাফ চালায় ঢাকা মেট্রো ছ ৭১-০২২৪, ইদ্রাহিম ড্রাইভার চালায় ঢাকা মেট্রো ছ ৭১-০১১১ সহ আর ও দুই জন ড্রাইভার। অন্যদিকে রয়েছে সরকারি এমবুলেসের চলাচল এর হিসাব নিয়ে নানা জনে নানা প্রশ্ন ,সূত্রে মতে জানা যায় রোগী পরিবহন কালে যদি ভাড়া হয় বগুড়া,রাজশাহীর,ঢাকার ভাড়া, তাহলে তিনি কাগজে কলমে দেখান দিনাজপুর অথবা রংপুরের ভাড়া। আর এই যাতায়াতের ভাড়া সেবায় যতটুকু তেল খরচ হয় তার বেশিরভাগ তেল সরকারি দপ্তর থেকে নেওয়ার চেষ্টা করেন ড্রাইভার আনিসুর। পেট্রোল পাম্পের সঙ্গে রয়েছে তার দুই যুগ ধরে নিরব সখ্যতা।রোগী পরিবহনের সরকারি অ্যাম্বুলেন্স টি ভাড়ায় না যাওয়ার ভ্যান করে তার নিজস্ব পরিবহনের এম্বুলেন্স নিয়ে ছুটেন দিনাজপুর রংপুর মেডিকেল কলেজে।এর কারণ হিসাবে বেশিরভাগ সময় সরকারী অ্যাম্বুলেন্সটি থাকে কোন না কোন কারণে নষ্ট ।তার এম্বুলেন্সের বাস ভবনের ব্যাপারে রয়েছে নানা অভিযোগ,যেমনঃতার নিজ হাসপাতালের ভিতরের বাস ভবনে তিনি কোনদিন ও থাকেন-নি সেই ভবনে থাকছেন তার বড় ভাই ড্রইভার আলতাফ তিনি সেখান থেকে রোগী পরিবহনের সরকারি এম্বুলেন্স টি ভাড়ায় ঠিক না করে তার নিজস্ব পরিবহনের ৫ টি এম্বুলেন্স নিয়ে ছুটেন দিনাজপুর রংপুর মেডিকেল কলেজে। আনিসুর ড্রাইভারে (৫) পাঁচটি এম্বুলেন্স আনুমানিক বাজার মূল্য ১/ থেকে ডের কোটি টাকার উপরে।এই অনিয়ম করে সম্পত্তি ও অঢেল অর্থের মালিক বনে যাওয়া আনিসুর এতটাই বেপরোয়া যে সরকারি এম্বুলেন্স ভাড়া করতে গেলে বলে যে সরকারি গাড়িতে ভাড়া বেশি লাগবে প্রাইভেট ব্যক্তিগত গাড়িতে রোগী নিয়ে যান আমি আমার ভাই ও ড্রাইভারদের বলে দিচ্ছি। স্বাস্থ্য দপ্তরের এরকম অনেক অনিয়ম এখন নিয়মে পরিণত হয়ে পড়েছে এতে বিপাকে করেছে সাধারণ রোগীর সজনরা। রোগীর স্বজনরা মনে করেন একজন ড্রাইভার হয়ে এতগুলো গাড়ির মালিক হওয়া অ-স্বাভাবিক তাই দুদক সহ নিজ দপ্তরে খতিয়ে দেখার অনুরোধ জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

পলাশে এনা-কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২ আহত ৬

ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার আনিসুরের এ বেনামে ৫টি অ্যাম্বুলেন্স সহ রয়েছে সম্পদের পাহাড়

আপডেট : ০৭:৩২:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি :

উত্তর অঞ্চলের শেষের জেলা ঠাকুরগাঁয়ে রয়েছে সর্দ্য নুতুন ভবনে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ঠ জেনারেল হাসপাতাল।অন্য দিকে আধুনিক সদর হাসপাতালে দির্ঘ ১৫ বছর থেকে সরকারি এম্বুলেন্সের ড্রাইভার হিসেবে কর্মরত আছেন আনিসুর রহমান নামে একই ব্যক্তি। আনিসুর রহমানের গ্রামের বাড়ি দিনাজপুর জেলায় চাম্পাতলি গ্রামে। বাবা-মায়ের ৫ সন্তানের মধ্যে আনিসুর রহমান ২য়। জীবন জীবিকার শুরুতেই আনিসুর রহমান মাইক্রোবাসের হেলপার হিসেবে নিযুক্ত হন দিনাজপুর হাসপাতালের সামনে থাকা মাইক্রো-স্টানে।সেখান থেকে শুরু গাড়ির স্টার্টিং ধরা। বেশ কয়েক বছর মাইক্রোবাস চালানোর পর দিনাজপুর হাসপাতালে ডাঃ ও কর্তা বাবুদের নজরে আসার জন্য শুরু করেন ডাঃ বাবুদের গাড়ি চালানো। উল্লেখ্য: আনিসুর রহমান কর্ম জীবনে ছিলেন অতি ধূরন্ধর ও চালাক । বাবার কিছু আবাদি জমি বিক্রি করে সরকারি ড্রাইভার হিসাবে চাকরি নেন ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে। তখন থেকে এই ড্রাইভারকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। আনিসুর রহমান এম্বুলেন্স চালান দীর্ঘদিন ধরে তাই হাসপাতালে ডাঃ ও কর্তা বাবুদের বিশ্বাস রয়েছে তার প্রতি। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তিনি শুরু করেছেন একাধিক রোগী পরিবহন সেক্টরে এম্বুলেন্স এর ব্যবসা যার বর্তমান সংখ্যা (৫) পাঁচটি । (৫) পাঁচটি অ্যাম্বুলেন্সে দিনরাত ব্যবসা করছেন দুই ভাই মিলে। তাদের রয়েছে এম্বুলেন্সের একাধিক ড্রাইভার সোহাগ এর গাড়ীর নং ঢাকা মেট্রো মেট্রো ছ ৭১-০০৫৭.ইব্রাহিম ঢাকা মেট্রো ছ ৭১-০৯৪০, ড্রাইভার বাবু ঢাকা মেট্রো চ ০২-৩৬৩৩,বড় ভাই আলতাফ চালায় ঢাকা মেট্রো ছ ৭১-০২২৪, ইদ্রাহিম ড্রাইভার চালায় ঢাকা মেট্রো ছ ৭১-০১১১ সহ আর ও দুই জন ড্রাইভার। অন্যদিকে রয়েছে সরকারি এমবুলেসের চলাচল এর হিসাব নিয়ে নানা জনে নানা প্রশ্ন ,সূত্রে মতে জানা যায় রোগী পরিবহন কালে যদি ভাড়া হয় বগুড়া,রাজশাহীর,ঢাকার ভাড়া, তাহলে তিনি কাগজে কলমে দেখান দিনাজপুর অথবা রংপুরের ভাড়া। আর এই যাতায়াতের ভাড়া সেবায় যতটুকু তেল খরচ হয় তার বেশিরভাগ তেল সরকারি দপ্তর থেকে নেওয়ার চেষ্টা করেন ড্রাইভার আনিসুর। পেট্রোল পাম্পের সঙ্গে রয়েছে তার দুই যুগ ধরে নিরব সখ্যতা।রোগী পরিবহনের সরকারি অ্যাম্বুলেন্স টি ভাড়ায় না যাওয়ার ভ্যান করে তার নিজস্ব পরিবহনের এম্বুলেন্স নিয়ে ছুটেন দিনাজপুর রংপুর মেডিকেল কলেজে।এর কারণ হিসাবে বেশিরভাগ সময় সরকারী অ্যাম্বুলেন্সটি থাকে কোন না কোন কারণে নষ্ট ।তার এম্বুলেন্সের বাস ভবনের ব্যাপারে রয়েছে নানা অভিযোগ,যেমনঃতার নিজ হাসপাতালের ভিতরের বাস ভবনে তিনি কোনদিন ও থাকেন-নি সেই ভবনে থাকছেন তার বড় ভাই ড্রইভার আলতাফ তিনি সেখান থেকে রোগী পরিবহনের সরকারি এম্বুলেন্স টি ভাড়ায় ঠিক না করে তার নিজস্ব পরিবহনের ৫ টি এম্বুলেন্স নিয়ে ছুটেন দিনাজপুর রংপুর মেডিকেল কলেজে। আনিসুর ড্রাইভারে (৫) পাঁচটি এম্বুলেন্স আনুমানিক বাজার মূল্য ১/ থেকে ডের কোটি টাকার উপরে।এই অনিয়ম করে সম্পত্তি ও অঢেল অর্থের মালিক বনে যাওয়া আনিসুর এতটাই বেপরোয়া যে সরকারি এম্বুলেন্স ভাড়া করতে গেলে বলে যে সরকারি গাড়িতে ভাড়া বেশি লাগবে প্রাইভেট ব্যক্তিগত গাড়িতে রোগী নিয়ে যান আমি আমার ভাই ও ড্রাইভারদের বলে দিচ্ছি। স্বাস্থ্য দপ্তরের এরকম অনেক অনিয়ম এখন নিয়মে পরিণত হয়ে পড়েছে এতে বিপাকে করেছে সাধারণ রোগীর সজনরা। রোগীর স্বজনরা মনে করেন একজন ড্রাইভার হয়ে এতগুলো গাড়ির মালিক হওয়া অ-স্বাভাবিক তাই দুদক সহ নিজ দপ্তরে খতিয়ে দেখার অনুরোধ জানিয়েছেন।