০৬:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের ৭ম ঘর উপহার প্রদান

জিয়া,  শিবপুর : অবশেষে শিবপুর উপজেলার পুটিয়া ইউনিয়নের বাড়ৈ আলগী গ্রামে সুফিয়া বেগম এর ঘরটির কাজ সম্পন্ন হলো। আজ শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) পরিবারের হাতে বুঝিয়ে দেওয়া হলো তাদের নতুন ঘর—মানবিকতার এক ছোট্ট প্রয়াস, কিন্তু তাদের জীবনে এক বিশাল পরিবর্তন।

এক সময় যে পরিবারটি বৃষ্টি নামলেই ভিজে যেত, শীত এলে কাঁপত, আর রাত নামলেই অনিশ্চয়তায় ডুবে যেত—আজ তাদের চোখে ছিল স্বস্তির জল। জরাজীর্ণ চালা ঘরের বদলে মাথার ওপরে এখন একটি নিরাপদ ছাদ, চার দেয়ালের ভেতরে লুকিয়ে আছে নিশ্চিন্ত ঘুমের আশ্বাস।

এই বদলে যাওয়ার গল্পের নীরব নায়ক ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক। পেশায় একজন প্রকৌশলী হলেও, হৃদয়ে তিনি মানুষের মানুষ। অসহায় একটি পরিবারের কষ্টের কথা জানতে পেরে তিনি শুধু সহানুভূতি প্রকাশ করে থেমে যাননি—নিজের ব্যক্তিগত উদ্যোগেই এবং আলোর দিশারী সামাজিক সংগঠনের তথ্যাবধানে বাড়িটি নির্মিত হয়।

নতুন ঘরটি উদ্ভোধন করেন, মাহবুবুর রহমান মনির,
আহবায়ক কেন্দ্রীয় সেচ্চাসেবি ফোরাম নরসিংদী, এবং সাদ্দাম হোসেন , বিদুৎ ও জালানি বিষয়ক সম্পাদক গন অধিকার পরিষদ ,কেন্দ্রিয় কমিটি, এম এ মাসুম বিল্লাহ, সভাপতি, আলোর দিশারী সামাজিক সংগঠন, কারিম আহসান সাধারণ সম্পাদক, আলোর দিশারী সামাজিক সংগঠন, সাইফুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী বড়ইতলা, কামাল ডাক্তার বড়ইতলা সহ আলোর দিশারী সেচ্চাসেবী সংগঠনের অনেকে।

চাবি হাতে পেয়ে পরিবারের সদস্যরা যখন কৃতজ্ঞ চোখে তাকালেন, তখন সেই দৃষ্টিতে লুকিয়ে ছিল জীবনের নতুন শুরু। আর সেই মুহূর্তেই প্রমাণ হলো—মানবিকতা এখনো বেঁচে আছে, ঠিক এমন মানুষের হাত ধরেই।

ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক দেখিয়ে দিলেন, বড় পরিবর্তনের জন্য বড় কিছু দরকার হয় না—একটু সদিচ্ছা আর মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সাহসই যথেষ্ট।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

কুমিল্লায় রথযাত্রা মহোৎসবে ‘জয় জগন্নাথ’ ধ্বনিতে মুখর নগরী

ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের ৭ম ঘর উপহার প্রদান

আপডেট : ০৩:৪৫:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

জিয়া,  শিবপুর : অবশেষে শিবপুর উপজেলার পুটিয়া ইউনিয়নের বাড়ৈ আলগী গ্রামে সুফিয়া বেগম এর ঘরটির কাজ সম্পন্ন হলো। আজ শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) পরিবারের হাতে বুঝিয়ে দেওয়া হলো তাদের নতুন ঘর—মানবিকতার এক ছোট্ট প্রয়াস, কিন্তু তাদের জীবনে এক বিশাল পরিবর্তন।

এক সময় যে পরিবারটি বৃষ্টি নামলেই ভিজে যেত, শীত এলে কাঁপত, আর রাত নামলেই অনিশ্চয়তায় ডুবে যেত—আজ তাদের চোখে ছিল স্বস্তির জল। জরাজীর্ণ চালা ঘরের বদলে মাথার ওপরে এখন একটি নিরাপদ ছাদ, চার দেয়ালের ভেতরে লুকিয়ে আছে নিশ্চিন্ত ঘুমের আশ্বাস।

এই বদলে যাওয়ার গল্পের নীরব নায়ক ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক। পেশায় একজন প্রকৌশলী হলেও, হৃদয়ে তিনি মানুষের মানুষ। অসহায় একটি পরিবারের কষ্টের কথা জানতে পেরে তিনি শুধু সহানুভূতি প্রকাশ করে থেমে যাননি—নিজের ব্যক্তিগত উদ্যোগেই এবং আলোর দিশারী সামাজিক সংগঠনের তথ্যাবধানে বাড়িটি নির্মিত হয়।

নতুন ঘরটি উদ্ভোধন করেন, মাহবুবুর রহমান মনির,
আহবায়ক কেন্দ্রীয় সেচ্চাসেবি ফোরাম নরসিংদী, এবং সাদ্দাম হোসেন , বিদুৎ ও জালানি বিষয়ক সম্পাদক গন অধিকার পরিষদ ,কেন্দ্রিয় কমিটি, এম এ মাসুম বিল্লাহ, সভাপতি, আলোর দিশারী সামাজিক সংগঠন, কারিম আহসান সাধারণ সম্পাদক, আলোর দিশারী সামাজিক সংগঠন, সাইফুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী বড়ইতলা, কামাল ডাক্তার বড়ইতলা সহ আলোর দিশারী সেচ্চাসেবী সংগঠনের অনেকে।

চাবি হাতে পেয়ে পরিবারের সদস্যরা যখন কৃতজ্ঞ চোখে তাকালেন, তখন সেই দৃষ্টিতে লুকিয়ে ছিল জীবনের নতুন শুরু। আর সেই মুহূর্তেই প্রমাণ হলো—মানবিকতা এখনো বেঁচে আছে, ঠিক এমন মানুষের হাত ধরেই।

ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক দেখিয়ে দিলেন, বড় পরিবর্তনের জন্য বড় কিছু দরকার হয় না—একটু সদিচ্ছা আর মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সাহসই যথেষ্ট।