স্টাফ রিপোর্টারঃ MTFE, ইউনিপে, যুবক, X-FUSION TAG MARKETS (এক্স ফিউশন ট্যাগ মার্কেটস) অতীতের বিতর্কের পর আবারও আলোচনায় avrixlabs.online অতিরিক্ত মুনাফার প্রলোভনে এই প্লাটফর্ম দিয়ে দেশের মানুষের নিকট থেকে হাতিয়ে নিয়েছে অন্তত
২, ১০০ (দুই হাজার একশত) কোটি টাকা।
দেশের অর্থনীতির জন্য নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে অনলাইনভিত্তিক উচ্চ মুনাফার বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্ম। avrixlabs.online , ফরেক্স ট্রেডিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-নির্ভর ট্রেডিং এবং ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্লক চেইনের ( Binance, USDT, Bitcoin) মাধ্যমে লাখে ১২০০০-১৫০০০ টাকা আয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল অর্থ সংগ্রহের তথ্য উঠছে উক্ত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।
কখনো ব্রটব্রো, কখনো ব্রটব্রো আলফা, কখনো ক্রস মার্কেট এআই, আবার কখনো avrixlabs.com সর্বশেষ প্রতিষ্ঠানটি avrixlabs.online নামে ওয়েবসাইট দিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
এ কর্মকান্ডের মুল হোতা ইন্ডিয়ার সরকারের ৭০০ কোটি টাকার প্রতারণার রাষ্ট্র দ্রোহিতা মামলা আসামি লাভিস চৌধুরীর সহ বাংলাদেশের অন্তত ২০ জন প্রতারক চক্র পরিচালনা করে যাচ্ছে অনলাইন বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্ম কথিত ফরেক্স নামীয় avrixlabs.online
সহযোগী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে মোঃ ইলিয়াস সরদার, নিজ জেলা শরীয়তপুর, বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন যিনি ইতঃপূর্বে রেভনেক্স নামক স্ক্যাম কোম্পানি হতে হাতিয়ে নিয়েছে অন্তত ৫০০ কোটি টাকা । ঐ সময়ে তার সহযোগী হিসেবে কাজ করত পিন্টু বিশ্বাস যিনি বাংলাদেশ হতে ভারতে পালিয়ে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন, আরো ছিল ইমতিয়াজ কাসেম রনি যিনি দুদুকের মামলা খেয়ে দেশ ত্যাগ করেছেন। কিন্তু ইলিয়াস সরদার তৎকালীন সরকারের শেল্টার নিয়ে দিব্যি দিনের আলোয় বছরের পর বছর বিভিন্ন স্ক্যাম কোম্পানি করে সর্বশেষ avrixlabs.online এ প্রায় ৫ বছর ধরে হাতিয়ে নিয়েছেন অন্তত ৮০০ কোটি টাকা। অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে ইলিয়াসের ছোট ভাই পুলিশ কর্মকর্তা সেই সুবাদে প্রশাসনের হাই কমান্ডে লিয়াজু করে কোম্পানির নাম পরিবর্তন করে করে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্ক্যাম কোম্পানির এজেন্ট হিসেবে এখন পর্যন্ত অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করে যাচ্ছেন।
এর পর avrixlabs.online এর ২য় এজেন্ট মহিউদ্দিন জামিলের কথা না বলেই নয়, বর্তমান ঠিকানা ঢাকা মগবাজার ইতঃপূর্বে হিলটন এপেক্স, MTFE, X-FUSION TAG MARKETS সহ একাধিক স্ক্যাম কোম্পানিতে ছিলেন। avrixlabs.online এর মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন অন্তত ৮০ কোটি টাকা।
৩য় এজেন্ট মেহেদী হাসান যিনি বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে Binance, USDT, Bitcoin এর মাধ্যমে ডলার কেনা বেচা করে যাচ্ছেন এবং অনলাইন জুয়ার প্লাটফর্ম FOREX এর মাধ্যমে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। বেশি সময় দুবাই থাকেন এবং avrixlabs.online হতে অন্তত হাতিয়ে নিয়েছেন অন্তত ২০০ কোটি টাকা। মেহেদী হাসান সাম্প্রতি এসআরবি’ র মহাপরিচালকের সাথে একটি ছবি তার ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। তিনি এই পোস্টের মাধ্যমে বুঝতে চেয়েছেন তার ব্যবসার জন্য প্রশাসনের সর্বোচ্চ হাই কমান্ডের সাথে যোগাযোগ আছে! কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায় জনমনে যে এসআরবির মহাপরিচালক কি জানতেন যে মেহেদী হাসান নিষিদ্ধ বিনিয়োগ অনলাইন প্লাটফর্ম avrixlabs.online, Binance, USDT, Bitcoin সহ ফরেক্স মার্কেটের সঙ্গে জড়িত? অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে মেহেদী হাসান প্রশাসনের হাই কমান্ডের সাথে যোগাযোগ রেখে অবৈধ ব্যবসা গুলোর পরিচালনা করে যাচ্ছেন। এমনকি অবৈধ ব্যবসা বছরের পর বছর সচল রাখার জন্য প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের দামি দামি আইফোন উপহার দিতেন।
৪র্থ এজেন্ট চায়না মামুন দেশের বাড়ি কুমিল্ল বর্তমানে দুবাই পালিয়ে আছেন। তিনি ও ইতঃপূর্বে একাধিক স্ক্যাম কোম্পানির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে সর্বশেষ avrixlabs.online এর মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন অন্তত ২৫০ কোটি টাকা।
৫ম এজেন্ট কালা সবুজ ওরফে স্ক্যামার সবুজ, বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন, যিনি সারাজীবন ই বিভিন্ন নিষিদ্ধ কোম্পানিতে কাজ করে মানুষের সাথে প্রতারণা করে সর্বশেষ avrixlabs.online এর এজেন্ট হিসেবে কাজ করে অন্তত হাতিয়ে নিয়েছেন ৫০ কোটি টাকা।
৬ ষষ্ঠ এজেন্ট সোহেল রানা, বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন, যিনি avrixlabs.online এর মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন অন্তত ৭০ কোটি টাকা।
৭ম এজেন্ট নিরব হোসেন মালেক, নিজ জেলা নারায়ণগঞ্জ। বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন। তিনি বিভিন্ন স্ক্যাম কোম্পানিতে ইতিপূর্বে কাজ করেছেন বর্তমানে avrixlabs.online কোম্পানির মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন অন্তত ১৫০ কোটি টাকা।
৮ম এজেন্ট মোঃ মিজান যিনি tradelab.in এর মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন অন্তত ৩৫০ কোটি টাকা এবং avrixlabs.online এর মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন ৭০ কোটি টাকা।
৯ম এজেন্ট মোঃ বাহার উদ্দিন যিনি ইতঃপূর্বে অনেক গুলো স্ক্যাম কোম্পানির এজেন্ট হিসেবে কাজ করে হাজার হাজার মানুষকে নিঃস্ব করে বর্তমানে avrixlabs.online এর মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন অন্তত ৯০ কোটি টাকা।
১০ম এজেন্ট মোঃ হাবিবুল্লাহ , নিজ জেলা নাটোর, ইতঃপূর্বে তিনি এএফসি কয়েন, ডিজিটাল ইনভেস্টমেন্টের মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন অন্তত ৪০ কোটি টাকা বর্তমানে avrixlabs.online এর মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন আরো অন্তত ৭০ কোটি টাকা। এখন তিনি মামলা খেয়ে পালাতক অবস্থায় আছেন।
১১ম এজেন্ট নাজমুল ও আক্কাস নিজ জেলা রাজশাহী উভয় avrixlabs.online এর মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন অন্তত ৫৫ কোটি টাকা।
এছাড়াও চট্টগ্রাম, ফেনী, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, পাবনা, বরিশাল, ময়মনসিংহ, আরো অন্তত ৪০ টি জেলার অঙ্গাতনামা বিভিন্ন লোকজন প্রতিনিধি হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।
সরকারি, আধা সরকারি, বেসরকারি, দিনমজুর থেকে সাধারণ মানুষ অধিক মুনাফার লোভে ব্যাংক ডিপিএস, এফডিআর, পোষ্ট অফিসের সঞ্চয় পত্র, গরু ছাগল, জায়গা জমি বিক্রি করে বিনিয়োগ করে যাচ্ছেন avrixlabs.online এ। কারণ, ১০০০ মার্কিন ডলার প্রতি মাসে আয় ১২০-১৫০ মার্কিন ডলার আরো রয়েছে চোখ ধাঁধানো পুরস্কার। এমন ই অফার দিচ্ছে মানুষের কাছে থেকে বিভিন্ন নিষিদ্ধ ব্লক চেইনের ( Binance, USDT, Bitcoin) মাধ্যমে প্রতিদিন হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। সব মিলিয়ে অনুসন্ধানে এ যাবৎ কালে ২ হাজার ১০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে।
ভয়ংকর মুনাফার প্রলোভনের
প্রচারণায় যদি ১ হাজার মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করে প্রতি মাসে ১২০ থেকে ১৫০ মার্কিন ডলার আয়ের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, তাহলে সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। কারণ, এই হিসাবে মাসিক মুনাফার হার দাঁড়ায় ১২ থেকে ১৫ শতাংশ যা বাস্তবে অসম্ভব ।
একসময় MTFE, ইউনিপে, X-FUSION TAG MARKETS ও যুবককে ঘিরে ওঠা বিতর্ক এবং ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের অভিজ্ঞতা এখনো অনেকের মনে প্রশ্ন তৈরি করে।
অনলাইন বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্মে সংগৃহীত অর্থ ক্রিপ্টোকারেন্সি, ব্লকচেইন নেটওয়ার্ক মাধ্যম ব্যবহার করে দেশের বাইরে টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে দিনের পর দিন। এই অনলাইন বিনিয়োগের প্ল্যাটফর্ম কথিত ফরেক্স কোম্পানি avrixlabs.online বাংলাদেশে পুলিশ প্রশাসনের চোখ এড়িয়ে প্রায় ৫ বছর যাবৎ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে এই প্রতারক চক্র। ৫ বছরের এই প্রতারক চক্র ৬ বার ওয়েবসাইট পরিবর্তন করে সর্বশেষ
avrixlabs.online নামে পরিচালনা করে যাচ্ছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর জনাব মোঃ মোস্তাকুর রহমান গনমাধ্যমের এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে বলেন,
” আমরা নিষিদ্ধ ফরেক্স মার্কেট, অনলাইন জুয়া ও ক্রিপ্টোকারেন্সি সহ প্রতারণা করতে পারে এমন ওয়েবসাইটে ও কোম্পানির বিষয়ে সতর্ক করে যাচ্ছি তার মধ্যে অন্যতম X-FUSION TAG MARKETS (এক্স ফিউশন ট্যাগ মার্কেটস) , ক্রস মার্কেট, ব্রটব্রো, আরবিক্সল্যাব, ট্রেড ল্যাব, অতিথি ডটকম সহ আরো অনেক কোম্পানি। আমরা ক্রস মার্কেটের বিষয়ে সচেতনতা মূলক বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছি যেহেতু ক্রস মার্কেট বর্তমানে avrixlabs.online নামে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে আমরা অতি শীঘ্রই এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্ৰহন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবগত করব। সাধারণ জনগণের উচিৎ অধিক মুনাফার প্রলোভনে অন্ধকারে টাকা বিনিয়োগ না করা এবং প্রতারক চক্রদের বিষয়ে পুলিশ প্রশাসনকে অবগত করা। এগুলোর কোন বৈধতা নেই। ”
অন্যদিকে বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্তে বিভাগ (CID) সিআইডি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ গনমাধ্যমের বিভিন্ন প্রেসব্রিফিংয়ে এই সকল স্ক্যাম কোম্পানি, নিষিদ্ধ ফরেক্স, অনলাইন জুয়া , ক্রিপ্টোকারেন্সি বিষয়ে তৎপর আছেন বলে জানিয়েছেন এবং প্রতিনিয়ত যেকোন প্রতারনা মূলক ওয়েবসাইট বন্ধ করতে বিটিআরসিকে অবগত করে যাচ্ছেন।
অন্য দিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (DB) প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম গনমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ” অপরাধী যেই হোক ;এসকল অপরাধীদের আটক করতে আমাদের অভিযান অব্যাহত। ইতঃপূর্বেও ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে । আপনারা দেখতে পাচ্ছেন প্রতিদিন বিভিন্ন স্থান হতে অপরাধীদের সনাক্ত করে গ্রেফতার করে সাইবার সুরক্ষা আইনের মাধ্যমে মামলা দায়ের করে বিচারের জন্য আদালতে প্রেরণ করে যাচ্ছি। তবে গনমাধ্যমে এবং সাধারণ জনগণ যদি এগিয়ে আসে, প্রতারক চক্রকে আরো দ্রুত আটক করতে পারবো বলে আশা করি । এজন্য আমরা সবার সহযোগিতা কামনা করছি। ”
বিভিন্ন নামিদামি বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান মহোদয় গন গনমাধ্যমের বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে বলেন,
” মানুষ তাদের লোভের কারণে এবং অতিরিক্ত মুনাফার লোভে বিভিন্ন নিষিদ্ধ কোম্পানিতে ঝুঁকি নিয়ে বিনিয়োগ করে যাচ্ছে। এটা যদি অতি দ্রুত লাগাম টেনে না ধরা হয় তবে দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এগুলোর বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। সাধারণ জনগণ , পুলিশ- প্রশাসন সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। ”
অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে, মূলত এসকল কোম্পানি এবং অপরাধীদের কোন নির্দিষ্ট অফিস নেই। তারা বিভিন্ন নামিদামি ব্র্যান্ডের হোটেলে বিজনেস সেমিনার দেখায় যেন পুলিশ প্রশাসনের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকতে পারে। এমনকি অপরাধীরা একেক দিন একেক হোটেলে বসে, লোকেশন পরিবর্তন করে, ভার্চুয়াল মিটিংয়ের মাধ্যমে তাদের চক্র এবং গ্ৰাহকদের সাথে যোগাযোগ করেন। এর সাথে হোটেল কর্তৃপক্ষ জড়িত আছেন, কারণ তারা জেনে এই সকল স্ক্যাম কোম্পানির প্রোগ্রাম বা সেমিনার করার সুযোগ করে দিচ্ছেন বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
মতামত জানতে চাইলে উপরোক্ত প্রতারক চক্রদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তারা কেউ ফোন রিসিভ করেন নাই। কারণ তারা অপরিচিত লোকের নম্বর রিসিভ করেন না। তাই তাদের মতামত নেওয়া সম্ভব হয়নি। এমনকি কি তারা যে মোবাইল সিম নম্বর ব্যবহার করেন তাদের মধ্যে অনেকেই নিজেদের নামে রেজিষ্ট্রেশন করা নেই বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়।
সাধারণ জনগণের দাবী অতিদ্রুত avrixlabs.online এর কার্যক্রম বন্ধ সহ প্রতারক চক্রদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসনের তৎপরতা আরো বাড়ানো দরকার। যদি পুলিশ-প্রশাসন ব্যার্থ হয়, তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন
সম্পাদক ও প্রকাশক : শাহ্ বোরহান মেহেদী, সহ-সম্পাদক : মামুন শাহ্ পিংকু
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : পুরানা পল্টন লাইন, বিজয় নগর, ঢাকা-১০০০।
ইমেইল : bmbmmehedi77777@gmail.com মোবাইল : ০১৮৬৫-৬১০৭২০
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ দি ঢাকা মিরর । মেহেদী মিডিয়া ও ফাইনান্সের একটি প্রতিষ্ঠান।