০৬:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানি সেনারা সৌদি আরবে অবস্থান করছেন: পাকিস্তান সেনাবাহিনী

পাকিস্তানি সেনারা ইতোমধ্যেই সৌদি আরবে অবস্থান করছেন বলে জানিয়েছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। দেশটির সেনাবাহিনী বলছে, সৌদি আরবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে পাকিস্তানি সেনাদের উপস্থিতি নতুন নয়, তারা কয়েক দশক ধরেই সেখানে অবস্থান করছেন। মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সৌদিতে সামরিক বাহিনীর সদস্যদের দ্রুত মোতায়েনের বিষয়ে তিন দেশের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের পর এ তথ্য সামনে এলো।

সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ বলছে, বুধবার (৭ অক্টোবর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক (ডিজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী এসব কথা বলেন। সাক্ষাৎকারে তাকে প্রশ্ন করা হয়, মক্কা জোটের অংশ হিসেবে পাকিস্তানি সেনা বা সামরিক সদস্যরা ইতোমধ্যে সৌদিতে অবস্থান করছেন কি না।

জবাবে আইএসপিআর ডিজি বলেন, সৌদি আরবে পাকিস্তানি সেনারা কয়েক দশক ধরেই অবস্থান করছেন। লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী বলেন, ‘সৌদি আরবে পাকিস্তানি সেনারা কয়েক দশক ধরেই রয়েছেন।’

তিনি বলেন, মক্কা জোট ‘শূন্য থেকে তৈরি হয়নি’। পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক, রাজনৈতিক, সামরিক ও জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করেই এই জোট গড়ে উঠেছে। আইএসপিআর ডিজি বলেন, ‘আমি আপনাদের বলতে পারি, বিভিন্ন সক্ষমতা ও ক্ষেত্রে পাকিস্তানি সেনারা এরই মধ্যে সেখানে (সৌদি আরবে) অবস্থান করছে।’

পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক সৌদিতে নিজেদের সম্মিলিত প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতি অবিলম্বে বাস্তবায়ন এবং সামরিক বাহিনী দ্রুত মোতায়েনের বিষয়ে সম্মত হওয়ার পর আইএসপিআর ডিজির এই বক্তব্য এলো। এর আগে গত সোমবার রিয়াদে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছিল।

মক্কা জোটের অন্তর্ভুক্ত তিনটি দেশই জানিয়েছে, অনুমোদিত ব্যবস্থার আওতায় এবং নিজ নিজ দেশের আইন অনুযায়ী এই সেনা মোতায়েন করা হবে। এর লক্ষ্য হলো প্রস্তুতি বাড়ানো, সামরিক সমন্বয় জোরদার করা এবং সম্মিলিত সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

এর আগে গত আগস্টে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, কোনো একটি সদস্য দেশের ওপর সশস্ত্র হামলাকে সব সদস্য দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

রাজারহাটে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা

পাকিস্তানি সেনারা সৌদি আরবে অবস্থান করছেন: পাকিস্তান সেনাবাহিনী

আপডেট : ০২:০১:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

পাকিস্তানি সেনারা ইতোমধ্যেই সৌদি আরবে অবস্থান করছেন বলে জানিয়েছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। দেশটির সেনাবাহিনী বলছে, সৌদি আরবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে পাকিস্তানি সেনাদের উপস্থিতি নতুন নয়, তারা কয়েক দশক ধরেই সেখানে অবস্থান করছেন। মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সৌদিতে সামরিক বাহিনীর সদস্যদের দ্রুত মোতায়েনের বিষয়ে তিন দেশের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের পর এ তথ্য সামনে এলো।

সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ বলছে, বুধবার (৭ অক্টোবর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক (ডিজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী এসব কথা বলেন। সাক্ষাৎকারে তাকে প্রশ্ন করা হয়, মক্কা জোটের অংশ হিসেবে পাকিস্তানি সেনা বা সামরিক সদস্যরা ইতোমধ্যে সৌদিতে অবস্থান করছেন কি না।

জবাবে আইএসপিআর ডিজি বলেন, সৌদি আরবে পাকিস্তানি সেনারা কয়েক দশক ধরেই অবস্থান করছেন। লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী বলেন, ‘সৌদি আরবে পাকিস্তানি সেনারা কয়েক দশক ধরেই রয়েছেন।’

তিনি বলেন, মক্কা জোট ‘শূন্য থেকে তৈরি হয়নি’। পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক, রাজনৈতিক, সামরিক ও জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করেই এই জোট গড়ে উঠেছে। আইএসপিআর ডিজি বলেন, ‘আমি আপনাদের বলতে পারি, বিভিন্ন সক্ষমতা ও ক্ষেত্রে পাকিস্তানি সেনারা এরই মধ্যে সেখানে (সৌদি আরবে) অবস্থান করছে।’

পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক সৌদিতে নিজেদের সম্মিলিত প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতি অবিলম্বে বাস্তবায়ন এবং সামরিক বাহিনী দ্রুত মোতায়েনের বিষয়ে সম্মত হওয়ার পর আইএসপিআর ডিজির এই বক্তব্য এলো। এর আগে গত সোমবার রিয়াদে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছিল।

মক্কা জোটের অন্তর্ভুক্ত তিনটি দেশই জানিয়েছে, অনুমোদিত ব্যবস্থার আওতায় এবং নিজ নিজ দেশের আইন অনুযায়ী এই সেনা মোতায়েন করা হবে। এর লক্ষ্য হলো প্রস্তুতি বাড়ানো, সামরিক সমন্বয় জোরদার করা এবং সম্মিলিত সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

এর আগে গত আগস্টে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, কোনো একটি সদস্য দেশের ওপর সশস্ত্র হামলাকে সব সদস্য দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।